Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১১
রাশিয়া ছাড়াই অলিম্পিক!
ক্রীড়া ডেস্ক
রাশিয়া ছাড়াই অলিম্পিক!

ওয়াডার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর রাশিয়ার উপর নেমে এসেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির খড়গ হস্ত। রিও অলিম্পিকে রাশিয়ার উপস্থিতি নিয়েই এখন দেখা দিয়েছে সংশয়। ম্যাকলারেনের দীর্ঘ রিপোর্টে রাশিয়ার ডোপ-কেলেঙ্কারি তুলে ধরার পর দাবি করা হয়েছে রাশিয়াকে অলিম্পিকে নিষিদ্ধ করা হোক। তবে এই নিয়ে এরই মধ্যে ক্রীড়া বিশ্ব দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে গেছে। চীন জোর গলায় বলছে, রাশিয়াকে নিষিদ্ধ করা হবে অলিম্পিক স্পিরিটের জন্য একটা কলঙ্ক। তবে গতকালই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি রাশিয়াকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছে। এ ঘটনায় রাশিয়াও কঠোর হস্তে ডোপ কেলেঙ্কারি মোকাবিলা করার শপথ নিয়েছে। রাশিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী এরই মধ্যে অনেককে বরখাস্ত করেছেন। গতকাল এ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও চার জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অবশ্য এসব করেও শেষ রক্ষা হবে কি না কে জানে! রাশিয়ার গৌরবোজ্জ্বল ক্রীড়া ঐতিহ্য চিরকালের মতো কলঙ্কিত হয়েছে ম্যাকলারেনের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর! রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক ডোপিংয়ের  অভিযোগ নিয়ে ওয়াডার তদন্ত-রিপোর্টে সরাসরি কাঠগড়ায় উঠল ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১১ থেকে অন্ততপক্ষে ২০১৫ পর্যন্ত রাশিয়া ধারাবাহিক ভাবে ডোপ করা অ্যাথলিটদের আড়াল করে এসেছে এবং তা হয়েছে সরকারের প্রত্যক্ষ মদদেই। শুধু অ্যাথলেটিকস নয়, প্রায় সব ধরনের খেলাতেই চলেছে এই নির্লজ্জ চুরি। মারিয়া শারাপোভার ডোপিং বিতর্ক এখনো কাটেনি। টেনিস দুনিয়ায় প্রবল আলোড়ন থামেনি এখনো। এরই মধ্যে রাশিয়ানদের উপর ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলে ধরা হলো। বলা হচ্ছে, অলিম্পিক আন্দোলনের ভিতটাই নাকি বদলে দিয়েছে রাশিয়া। রিও অলিম্পিকসহ সব ধরনের খেলার আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকেই রাশিয়াকে নির্বাসনে পাঠানোর জোরদার দাবি তুলেছে ওয়াডার। ক্ষুব্ধ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিও। তারা বলেছে, দোষ প্রমাণ হলে রাশিয়াকে কঠোরতম শাস্তিই পেতে হবে। চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সব অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা মস্কো গবেষণাগারের সাবেক প্রধান গ্রিগরি রডচেনকভ রাশিয়ায় ব্যাপক ডোপিংয়ের অভিযোগ তোলেন। এর পর মুখ খোলেন আরও কয়েক জন রুশ অ্যাথলেট।

up-arrow