Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৫১
জাতীয় দল ছাড়ছেন আরও ফুটবলার!
ক্রীড়া প্রতিবেদক

দেশের নির্ভরযোগ্য ফুটবলার মামুনুল ইসলাম জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন। লোকাল ফুটবল খেললেও আর কোনদিন জাতীয় দলে ফিরবেন না বলে জোর গলায় জানিয়ে দিয়েছেন।

মামুনুল ক্ষোভে হঠাৎ করেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভুটানের বিপক্ষে তাকে স্কোয়াডে না রাখায় জাতীয় দলকে গুডবাই জানিয়েছেন। ২০০৬ সালে তার জাতীয় দলে অভিষেক ঘটে। ২০১২ সাল থেকে তিনি ছিলেন জাতীয় দলের অধিনায়ক। একজন অধিনায়কের এমন সিদ্ধান্তে ফুটবলপ্রেমীরা বিস্মিত।

শুধু মামুনুল নয়। শোনা যাচ্ছে বেশ কজন সিনিয়র ফুটবলার জাতীয় দল থেকে অবসর নিতে যাচ্ছেন। ভুটানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ খেলার পর তা বাস্তবে রূপ নেবে। হয়তো বা এর আগেও কেউ কেউ সরে যেতে পারেন। কথা হচ্ছে হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলো কেন?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফুটবলার বললেন, ‘মাঠে আমরা ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছি তা অস্বীকার করব না। ম্যাচের পর ম্যাচ হেরে যাচ্ছি। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে ব্যর্থতার পর অনেক কথা শুনতে হয়েছে। কেউ কেউ নিষিদ্ধও হয়েছিলেন পরে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কোনো সন্দেহ নেই দীর্ঘসময় ধরে ফুটবলে দুঃসময় যাচ্ছে। এনিয়ে ফুটবলপ্রেমীরা হতাশ। বাফুফের কেউ প্রকাশ্যে কিছুই বলছেন না। তাই বাইরে থেকে বোঝা যাবে না আমরা কতটা তিরস্কারের শিকার। আমরা নাকি অচল আমাদের দিয়ে কিছুই হবে না টকশোতে সাবেক এক ফুটবলার বলেছেন। তিনি এবার ফেডারেশনের নির্বাচনের নির্বাচিতও হয়েছেন।

মানলাম আমরা ব্যর্থ। কিন্তু আগে কি ফুটবলে এতটা ভালো অবস্থান ছিল যা নিয়ে গর্ব করা যায়। ফুটবলে প্রাপ্তি বলতেতো এস এ গেমসে দুবার সোনাজেতা আর একবার সাফ চ্যাম্পিয়ন। তারপরও ফুটবলে সময়টা ভালো যাচ্ছে না এটা সত্য। কিন্তু আমরা তো আর ইচ্ছা করে হারছি না। সাধ্যমতো চেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা যখন ব্যর্থ তখন আমাদের ক্যাম্পে ডাকা হচ্ছে কেন? মামুনুল অনেক কিছু এড়িয়ে গেছেন। বাস্তবে সিনিয়রদের যে কৌশল খাটিয়ে অপমান করা হচ্ছে তা মানার মতো নয়। যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে সম্মান নিয়ে জাতীয় দল থেকে সরে যাওয়া উচিত মনে করছি।

up-arrow