Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:১৬
আরও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আরও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ

নাবিদ নাওয়াজ জীবন, শাখাওয়াত হোসেন রনিরা একের পর এক যেভাবে গোল মিস করেছিলেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে, সেই ধারা বজায় থাকলে থিম্পুতে জয় পাওয়া দুঃসাধ্যই! এশিয়ান কাপের প্লে-অফে ভুটানের বিপক্ষে আধ ডজন গোলের সুযোগ পেয়েও ফিনিশিং দিতে পারেননি স্ট্রাইকাররা এবং গোলশূন্য থেকে মাঠ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। স্ট্রাইকারদের চরম ব্যর্থতার ছবি নিয়েই ১০ অক্টোবর থিম্পকে ফের খেলতে নামবে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ব্যর্থতা কি থিম্পুতেও থাকবে! সময় বলবে। তবে হার-জিত যাই হোক না কেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিচ্ছে এএফসি সলিডারিটি কাপ।

যদি থিম্পুতে ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ জিতে যায়, তাহলে আর কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে টম সেন্টফিটের শিষ্যরা। হেরে গেলেও সুযোগ থাকছে। হেরে গেলে পরাজিত দল হিসেবে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের আসর এএফসি সলিডারিটি কাপে খেলবে। এরমধ্যেই এএফসি সলিডারিটি কাপের ফিকশ্চার প্রকাশ করেছে। সলিডারিটি কাপে খেলবে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ ও ২০১৯ সালের এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের প্রথম রাউন্ড থেকে বাদ পড়া ৬টি দল এবং এশিয়া কাপের প্লে-অফে বাদ বাদ পড়া দলগুলোকে নিয়ে আয়োজিত হবে সলিডারিটি কাপ। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্লে-অফে হেরে গেলে ভুটান এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে না বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে। তাই আটটি দল নিয়ে আয়োজিত হবে টুর্নামেন্টটি। যদি বাংলাদেশ হেরে যায় প্লে-অফে, তাহলে দলের সংখ্যা হবে তখন ৯টি। টুর্নামেন্ট শুরু হবে মালয়েশিয়ায় ২ নভেম্বর। যদি ভুটানের কাছে প্লে-অফে হেরে যায় বাংলাদেশ, তাহলে সলিডারিটি কাপে বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপে। গ্রুপের অপরাপর দলগুলো নেপাল, পাকিস্তান, ব্রুনাই এবং চাইনিজ তাইপে অথবা তিমুর লেসেতে। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে শ্রীলঙ্কা, ম্যাকাও ও মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে থাকবে মালদ্বীপ অথবা লাওস। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশের ফুটবল যে এখন গভীর তলানিতে, সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ‘জয়’ নামক শব্দটা বাংলাদেশ ভুলেই গেছে। যে ভুটানকে এক সময় বয়ে কয়ে হারাতো, সেই ভুটান এখন প্রবল প্রতিপক্ষ। সেই ভুটানের বিপক্ষে জিততে এখন হাঁটুতে কাপন ধরে। ফুটবলের এমন অধোগতিতে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন ফুটবলপ্রেমীরা। সরে দাঁড়াতে পারেন স্পনসর কোম্পানিগুলো।

up-arrow