Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২৮
শীর্ষে ওঠা হলো না রহমতগঞ্জের
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ঘরোয়া ফুটবলের পরিচিত মুখ রহমতগঞ্জ ফ্রেন্ডস। তবে ঘরোয়া ফুটবলে সাফল্য নেই বললেই চলে।

আশির দশকে আবাহনী, মোহামেডান, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও বিজেএমসির সঙ্গে সমোচ্চারিত হতো রহমতগঞ্জের নামটি। সেই কাতারে এখন না থাকলেও যথেষ্ট পরিচিত দেশের ফুটবল অঙ্গনে। এবার দারুণ ফুটবল খেলছে দলটি। জেবি বাংলাদেশ ফুটবল লিগে সপ্তম রাউন্ড শেষে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বর অবস্থানটি ধরে রেখেছে। দুর্ভাগ্য সঙ্গী হওয়ায় দলটির পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠা হয়নি এককভাবে। এজন্য দুর্বল রেফারিংও দায়ী। এগিয়ে থেকেও বিতর্কিত পেনাল্টিতে ফেনী সকারের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগ  করে নিতে হয়েছে পুরনো ঢাকার দলটিকে। ১-১ গোলে ড্র ম্যাচের এক পয়েন্ট নিয়ে রহমতগঞ্জের বর্তমানে পয়েন্ট ১৩।

কামাল বাবুর কোচিংয়ে দলটি লিগের শুরু থেকে দুর্দান্ত খেলছে। এরমধ্যে ২৬ মিনিটে এগিয়ে যায় পুরনো ঢাকার দলটি। দলটির কঙ্গোনিয়ান স্ট্রাইকার ফরোয়ার্ড সিও জুনাপিওর বাড়িয়ে দেওয়া বলে দারুণ ফিনিশিং দেন মেহবুব হাসান নয়ন (১-০)। পিছিয়ে পড়ে খেলায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে ফেনী সকার। কিন্তু প্রাপ্ত সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেনি বলে সমতা আনা হয়নি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে রহমতগঞ্জ বিরতিতে যায়। এক গোল এগিয়ে থাকায় দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে পুরনো ঢাকার দলটি। এতে গোল খেয়ে যায় ৮৪ মিনিটে। বল নিয়ে রহমতগঞ্জের বক্সে ঢুকে পড়েন ফেনীর স্ট্রাইকার হেলাল। তাকে বাঁধা দিয়ে বক্সে ফেলে দেন  রহমতগঞ্জের এক ডিফেন্ডার। রেফারি ভারত চন্দ্র পেনাল্টির নির্দেশ দেন। রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়েন রহমতগঞ্জের নির্ভরযোগ্য ফরোয়ার্ড সিও জুনাপিও। চার মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর ৮৮ মিনিটে চৌমিন রাখাইন পেনাল্টিতে সমতা আনেন (১-১)।

দুর্দান্ত খেলতে থাকা রহমতগঞ্জকে অনেকেই এবার লিস্টার সিটির সঙ্গে তুলনা করছেন। কামাল বাবু কোচিংয়ে দারুণ খেলা রহমতগঞ্জের সাফল্য ঘরোয়া ফুটবলে সেরা সাফল্য ৩৯ বছর আগে, ১৯৭৭ সালে। সেবার লিগ রানার্স আপ হয়েছিল এবং লিবারেশন কাপেও রানার্স আপ হয়েছিল। তবে নেপালের আনফা কাপ জেতার রেকর্ড রয়েছে পুরনো ঢাকার দলটির।

up-arrow