Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০১:০২
তিন জয়ে তিন নায়ক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
তিন জয়ে তিন নায়ক

নেলসনে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করতে পারেননি তামিম ইকবাল। সেঞ্চুরি করতে না পারার হতাশা ঝরে পড়েছিল সংবাদ সম্মেলনে। নেলসনে তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ইনিংস খেলতে পারতেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও। না পারার আক্ষেপটা মাহমুদুল্লাহ অবশ্য মেটান অ্যাডিলেডে। অ্যাডিলেডের ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের জীবনবাজির। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে ম্যাচটি জিততে হতো দুদলকেই। হাই ভোল্টেজ ম্যাচটিতে শৈল্পিক ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার সেঞ্চুরিতেই ১৫ রানের অবিশ্বাস্য জয় তুলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেরা আটে খেলে টাইগাররা। অ্যাডিলেড জয়ের চার বছর আগে চট্টগ্রামে বিশ্বকাপ ম্যাচে ২ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়েও মাহমুদুল্লাহর অবদান অনেক। তবে ম্যাচের নায়ক ছিলেন ইমরুল কায়েস। ২০১০ সালে ব্রিস্টলে ৫ রানের জয়টি ছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম। জয়ের নায়ক বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক মাশরাফি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২০০০ সালে নাইরোবিতে। আইসিসি নক আউট বিশ্বকাপের ম্যাচটি বাংলাদেশ হেরেছিল ৭ উইকেটে। নাইরোবি থেকে অ্যাডিলেড পর্যন্ত দুই দল খেলেছে ১৬ ম্যাচ। মাশরাফিদের জয় সাকুল্যে ৩ এবং সেটা সর্বশেষ চার ম্যাচে। ইংলিশদের বিপক্ষে টানা ১২ ম্যাচ হারের পর ব্রিস্টলে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। ৫ রানের ওই জয়ের নায়ক মাশরাফি। দ্বিতীয়বারের মতো নেতৃত্ব ফিরে পেয়ে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় উপহার দেন মাশরাফি। প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩৬ রান করে টাইগাররা। মাশরাফি ২২ রান করেছিলেন ২৫ বলে। এরপর বল হাতে ১০ ওভারে ৪২ রানের খরচে নেন ২ উইকেট। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ২২৬ রানের টার্গেটে ১৬৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে নবম উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলকে অবিশ্বাস্য জয় উপহার দেন মাহমুদুল্লাহ ও শফিউল। কিন্তু ম্যাচের নায়ক ইমরুল কায়েস। ম্যাচসেরা কায়েসের ব্যাট থেকে বেরিয়েছিল ৬০ রানের ইনিংস। অ্যাডিলেডে প্রথমে ব্যাট করে মাহমুদুল্লাহর ১০৩ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২৭৫। মাহমুদুল্লাহ ১০৩ রান করেছিলেন ১৩৮ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে।

up-arrow