Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৭
জয়ে আসর শুরু চ্যাম্পিয়নদের
মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম
জয়ে আসর শুরু চ্যাম্পিয়নদের
গোলের পর উল্লসিত চট্টগ্রাম আবাহনীর ফুটবলাররা —দিদারুল আলম

আই লিগে ব্যস্ত থাকায় এবার ভারতের কোনো দল খেলছে না। তারপরও গতবারের চেয়ে এবার শক্তিশালী ক্লাবগুলোই শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাবকাপ ফুটবলে অংশ নিচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়া ও কিরগিজস্তানের দলও উড়ে এসেছে। তাই চ্যাম্পিয়ন ট্রফি দেশে রাখা যাবে কিনা এ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীরা শঙ্কিত। পেশাদার লিগ চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী আগের দিন হার দিয়ে আসর শুরু করে। গতকাল ভালো খেলেও ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডানের শুরুটা হয়েছে হারে।

টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে মাঠে নামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম আবাহনী। প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানের শাহিন আসমাই হওয়ায় সংশয় ছিল চ্যাম্পিয়নদেরও একই পরিণতি হয় কিনা। না, জাতীয় দল আফগানদের কাছে পাত্তা না পেলেও চট্টগ্রাম আবাহনী শাহিন ক্লাবের বিপক্ষে লড়েছে চ্যাম্পিয়নদের মতোই। সন্ধ্যায় এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে তারা ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে শাহিন আসমাইকে। চট্টগ্রাম আবাহনী বলেই আশা করা হয়েছিল সন্ধ্যায় গ্যালারি ভরে যাবে। তা না হলেও মামুনুলদের নৈপুণ্য দেখে ঠিকই মন ভরে গেছে। চ্যাম্পিয়নরা সহজে জয় পাওয়ায় দর্শকরা উল্লাস করেই বাড়ি ফিরেছে। গতবার শফিকুল ইসলাম মানিকের প্রশিক্ষণে চট্টগ্রাম আবাহনী শেখ কামাল টুর্নামেন্টে ট্রফি জেতে। এবার কোচ হয়ে এসেছেন দেশের আরেক আলোচিত কোচ সাইফুল বারী টিটু। শুরুটা যেভাবে হয়েছে তাতে টিটুও দলকে ট্রফি উপহার দিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। শুরু থেকেই কাল চট্টগ্রাম আবাহনী ছিল আক্রমণমুখী। শাহিনের ডিফেন্ডাররা সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিল। বিশেষ করে দুই বিদেশি অগাস্টিন ওয়ালসন ও কিংসলে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের নিয়ে ছেলেখেলা খেলতে থাকেন। দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত স্বাগতিকরা। ওয়ালসনের শট ক্রসবার ছুঁয়ে বাইরে যায়। ৩ মিনিট পরই মান্নাফ রাব্বীর বাড়ানো বলে মামুনুলের ভলি কোনো রকম রক্ষা করেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। ২০ মিনিটে আবারও সুযোগ হাতছাড়া। বাঁ-দিক থেকে ওয়ালসনের ক্রস গোলমুখে পেলেও এনকোচা কিংসলে উড়িয়ে মারেন। চার মিনিট পরই উল্লাসে কাঁপতে থাকে গ্যালারি। মামুনুলের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ-দিক থেকে আক্রমণে ঢোকা ওয়ালসন একজনকে কাটিয়ে জালে বল পাঠান। ১-০। ৪০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিংসলে।

প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় অনেকে চট্টগ্রাম আবাহনীর জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে যান। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আফগানরা যেন নতুন রূপ ধারণ করে। ম্যাচে ফিরতে তারা একের পর এক আক্রমণ চালায়। ৫৮ মিনিটে গোলও পেয়ে যায় শাহিন ক্লাব। নাসির হোসাইন ব্যবধান ২-১ করেন। এ সময় পুরো গ্যালারি নীরব। কখন না গোল খেয়ে বসে এই ভয়টাও কাজ করছিল। ২-২ করার সুযোগও এসেছিল। গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানার দৃঢ়তায় তা সম্ভব হয়নি। ৮৩ মিনিটে ওয়ালসন গোল করলে আসরের শুরুতেই জয় পেয়ে যায় চ্যাম্পিয়নরা।

এদিকে দিনের প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ০-২ গোলে হেরে যায় নেপাল মানাং মার্সিংয়াংদি ক্লাবের কাছে। ওলাদিপো ও বিশাল রায় গোল দুটি করেন। অথচ প্রথমার্ধে সহজ সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করে মোহামেডান।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow