Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৫৬
সাফল্যে এগিয়ে ক্লাবগুলো
আন্তর্জাতিক ফুটবল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সাফল্যে এগিয়ে ক্লাবগুলো

ফুটবলে জাতীয় দলের শিরোপা জেতার কৃতিত্ব তেমনভাবে নেই। ১৯৭৩ সালেই মালয়েশিয়া মারদেকা কাপ টুর্নামেন্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক ঘটে বাংলাদেশের।

কিন্তু প্রথম ট্রফি জিতে ১৯৯৫ সালে। সেবার মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত চার জাতি চ্যালেঞ্জ কাপ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়। এটিই ছিল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য। এরপর ১৯৯৯ সালে কাঠমান্ডুতে সাফ গেমসে ফুটবল ইভেন্টে সোনা জিতে। ২০০৩ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ট্রফি জিতে। তার আগে ভুটানের এক টুর্নামেন্টে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০১০ সালে ঢাকায় এস এ গেমসে সোনা জিতে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট কাপে চ্যাম্পিয়ন হলেও সেটি ছিল লাল দল। জাতীয় দলের তুলনায় বরং আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্লাবগুলোর সাফল্য বেশি। ১৯৮০ সালে প্রথম বিভাগে উঠেই আরামবাগ ক্রীড়া সংস্থা নেপালের প্রাচীনতম টুর্নামেন্ট আনফা কাপ খেলতে যায়। একেবারে অপরিচিত খেলোয়াড় হলেও আরামবাগ দেশের প্রথম ক্লাব হিসেবে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে শিরোপা জিতে। ১৯৮২ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আগাখান গোল্ড কাপে ব্রাদার্স ইউনিয়ন যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হয়। পাকিস্তান আমলে মোহামেডান তিনবার আগাখান গোল্ড কাপ জিতলেও স্বাধীনতার পর এই কৃতিত্ব শুধু ব্রাদার্সেরই। ১৯৮২ সালে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান ভারতের দূর্গাপুরে আশীষ জব্বার স্মৃতি টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। ভারত ছাড়া অন্য দেশের ক্লাবও এখানে অংশগ্রহণ করে। সবাইকে টপকিয়ে মোহামেডান অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়। শুধু তাই নয় সালাম মুর্শেদী বিরল রেকর্ডও গড়েন। ২টি ডাবল হ্যাটট্রিক ও তিনটি হ্যাটট্রিক করেন। কোনো টুর্নামেন্টে যা বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড়ের পক্ষে এই কৃতিত্ব গড়া সম্ভব হয়নি। এশিয়া কাপ ফুটবলে জাতীয় দল পাত্তা না পেলেও এশিয়ান ক্লাব কাপে ক্লাবগুলোর পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ঢাকা মোহামেডানের কথা না বললেই নয়। ১৯৮৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাছাইপর্বে ইরান চ্যাম্পিয়ন পিরুজি ক্লাবকে ২-১ গোলে হারিয়ে মোহামেডান চূড়ান্তপর্বে উঠে। চূড়ান্তপর্বে উত্তর কোরিয়া চ্যাম্পিয়ন এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ ও কাতার চ্যাম্পিয়ন আলসাদ ক্লাবের সঙ্গে ড্র করে। এশিয়ান ক্লাব কাপে সেবার মোহামেডানের অবস্থান ছিল ৭-এ। ঢাকা আবাহনী ভারতে নাগজি ট্রফি, চার্মস কাপ, বরদুলাই ট্রফি, এয়ার ইন্ডিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়। মোহামেডান, বরদুলাই ও এয়ার ইন্ডিয়া ট্রফি জিতে। ১৯৯৮ মুক্তিযোদ্ধা জিতে ম্যাগডোনাস কাপ। শেখ জামাল ভুটানের কিংস কাপে চ্যাম্পিয়ন। শেখ রাসেল এএফসি বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন। আবাহনী আবার ১৯৯২ ঢাকায় বিটিসি আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে চ্যাম্পিয়ন। ২০১৫ সালে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে ট্রফি জিতে চট্টগ্রাম আবাহনী। সুতরাং আন্তর্জাতিক ফুটবলে দেশের ক্লাবগুলোই একাধিক ট্রফি জিতেছে। সেদিক দিয়ে জাতীয় দল বেশ পিছিয়ে।

up-arrow