Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৪৮
ঘরের মাঠে বাংলাদেশই ফেবারিট
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঘরের মাঠে বাংলাদেশই ফেবারিট
জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার সাইদ হাছান কানন
bd-pratidin

২০০৩ সালে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়ন্সশিপে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। জাতীয় দলের ওই সময় ম্যানেজার ছিলেন নন্দিত ফুটবলার সাঈদ হাছান কানন। এরপর ২০০৯ সালেও ঢাকায় সাফ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সেবার সেমিতে খেলেই বিদায় নিয়েছিল। আগামীকাল তৃতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ মাঠে গড়াচ্ছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। ১৫ বছর ধরে শিরোপাটা অধরাই থেকে গেছে। এমনকি গত তিন আসরে সেমিফাইনালও খেলতে পারেনি। গ্রুপ পর্ব খেলেই বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ।

ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দী থাকলেও এবার ফুটবল প্রেমীদের প্রত্যাশা ঘরের মাঠে  জামাল ভুইয়ারা সাফল্য এনে দিতে পারবেন। তা কি সম্ভব— জানতে চাওয়া হয় সাঈদ  হাছান কাননের কাছে। কানন বললেন, ‘ফুটবলে সাফ শিরোপাটা জরুরি হয়ে পড়েছে। জনপ্রিয় এই খেলাকে জাগাতে হলে সাফল্যের কোনো বিকল্প নেই। আমার বিশ্বাস অতীত ভুলে ছেলেরা এবার আমাদের মুখে হাসি ফোটাবে। একটা ব্যাপার লক্ষ্যণীয় যে সাফের আগে ফুটবলে ছন্দ ও গতি দুটোই ফিরে এসেছে। বিশেষ করে এশিয়ান গেমসে ছেলেদের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো।

জাকার্তা এশিয়ান গেমসে অনূর্ধ্ব-২৬ দলের খেলোয়াড়দের নিয়েই মূলত সাফে বাংলাদেশ দল গঠন করা হয়েছে। যারা থাইল্যান্ডের সঙ্গে ড্র ও কাতারকে হারিয়ে প্রথমবার নক আউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। কানন বলেন, ‘এই সাফল্য নিঃসন্দেহে সাফে অনুপ্রেরণা জোগাবে। যদিও নীলফামারীতে প্রীতিম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছে। কিন্তু এই ফল প্রভাব পড়বে না। সিনিয়রদের পরখ করে নিতে বাংলাদেশ এই ম্যাচ খেলেছিল। দল হেরেছে কিন্তু কোচতো বুঝতে পেরেছেন কারা সাফ খেলার জন্য যোগ্য।

কানন বলেন, জোড়াতালি নয়, এবার প্রস্তুতিটাও ছিল চোখে পড়ার মতো। দেশ-বিদেশে কন্ডিশনিং ক্যাম্পের পাশাপাশি একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। যা খুবই জরুরি ছিল।

যে প্রস্তুতি তাতে আমি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা দেখছি। গ্রুপে নেপাল, পাকিস্তান ও ভুটানকে টপকাতে পারলে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে যাবে। কাউকে খাটো করে দেখছি না। তবুও বলবো এবার বাংলাদেশ সেমিফাইনাল খেলবে। যে ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তাতে শিরোপার ব্যাপারে আশা করতেই পারি।

ঘরের মাঠে সুবিধার পাশাপাশি চাপও থাকে। কানন বলেন, ‘এই চাপ মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে  সেরা খেলাটাই খেলতে হবে। মেয়েরা ফুটবলে এগিয়ে গেছে। এ নিয়ে পুরুষদের তিরস্কারের কিছু দেখছি না। ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে  না পারলে সাফল্য আসবে কীভাবে? এবার সাফ জয়ের জন্য যতটুকু প্রস্তুতি দরকার তা হয়েছে। ফুটবলারদের মনে রাখতে হবে ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল বা পাকিস্তান এমন কোনো শক্তিশালী দল নয়। ঘরের মাঠে বাংলাদেশই ফেবারিট। এতে উজ্জীবিত হয়ে খেলতে পারলে শিরোপা জিতাটা কঠিন হবে না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow