Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০৫
প্রথম ম্যাচে দৃষ্টি মাশরাফির
প্রথম ম্যাচে দৃষ্টি মাশরাফির
bd-pratidin

দুই যুগ পর আরব আমিরাতের মাটিতে খেলবে বাংলাদেশ। টাইগাররা সব শেষ যখন আমিরাতে খেলেছিল তখন ছিল নিছক অংশগ্রহণকারী এক দল। সেই বাংলাদেশ এবার যাচ্ছে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। টাইগাররা এর আগে দুই দুবার এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। এবার অধরা স্বপ্ন পূরণেই লক্ষ্যেই আমিরাতে পা রাখবেন টাইগাররা। ১৫ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ মিশন শুরু। ২০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। এশিয়া কাপের প্রস্তুতি, সম্ভাবনা,দলের পরিস্থিতি নিয়ে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা—   

 

সাকিবের ফিটনেস কেমন?

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যেভাবে খেলেছে, আমি মনে করি সাকিবই সবচেয়ে ভালো বলতে পারবে সে এখন কেমন আছে। যদি সাকিবের পারফরম্যান্স দেখেন, তাহলে বলবো আমাদের জয়ে তার পারফরম্যান্স অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। আমার মনে হয় সাকিব অতটুকু সুস্থ থাকলে দলের জন্য যথেষ্ট। তবে সিদ্ধান্তটা সাকিবের। ইনজ্যুরির বিষয়ে কারও কোনো হাত নেই। সে খেললে শতভাগ উজার করেই খেলবে।

স্কোয়াড নিয়ে আলাদা কোনো চাওয়া পাওয়া...

টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়ার আগে অযথা বিতর্কের সৃষ্টির কোনো মানে হয় না। বর্তমান দল নিয়ে আমরা ভালো খেলতে পারি- এ বিশ্বাস থাকাটা জরুরি। আশা করি দলে যারা আছেন, তারা এশিয়া কাপে ভালো করার জন্য যথেষ্ট।

আগের তিনটি ও এবারের এশিয়া কাপ-কোনো ফারাক...

আগের দুই-তিন এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স এবার খুব ম্যাটার করবে না। এবার ফরম্যাটটা ভিন্ন। দুটি টিম বাড়াতে প্রথমে নকআউট পর্ব পার হতে হবে। মূল কথা, প্রথম ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য।

শান্তর ফিটনেস এখন কেমন?

আশা করি শান্তর ইনজুরি ঠিক হয়ে যাবে।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা.

সম্ভাবনা কতটুকু এভাবে আসলে বলা যায় না। অপরাপর দলগুলো থেকে আমরা খুব পিছিয়ে নেই। ভারত শক্তিশালী দল। পাকিস্তান ঘরের মাঠে খেলবে। কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাবে। তাদের দলে রিস্ট স্পিনার বেশি। তবুও আমি মনে করি ওদের হারানোর সামর্থ্য রয়েছে আমাদের। সব কিছু ঠিক থাকলে আমার কাছে মনে হয় আমরা খুব বেশি পিছিয়ে নেই।

আগের দুই এশিয়া কাপ থেকে এবারেরটা অনেক কঠিন..

আগেরগুলো কঠিন ছিল। এবারেরটাও কঠিন হবে। আরব আমিরাতে দল হিসেবে খেলিনি। অনেক জায়গায় সফল হয়েছি। যেখানে আমাদের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এমনকি অনেক ভালো খারাপের মধ্যেও আমরা সফল হয়েছি। এসব আসলে বড় কোনো ইস্যু নয়। শুরুটা কেমন করছি, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কেমন করছি, সেটাই মূল বিষয়। আমার কাছে ১৫ তারিখটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

২৩ বছর পর বাংলাদেশ আবার আরব আমিরাতে খেলবে। আপনার ২৫০ উইকেটের হাতছানি...

অনেকে টুর্নামেন্ট জেতার কথা বলছেন। আমি এ ধরনের কথা বলতে চাই না। আমি মনে করি আমাদের সামর্থ্য আছে। বাকি দলগুলোর সঙ্গে তুলনায়, কন্ডিশন, উইকেট-সব মিলিয়ে আমাদের থেকে বেটার টিম আছে আসরে। তবে দুলগালৈর সঙ্গে পার্থক্য বেশি নয়। ভালো খেলে সেই পার্থক্যটা পূরণ করতে হবে। সত্যি বলতে, সব কিছুই নির্ভর করছে প্রথম ম্যাচটি জিতি কি না, তার উপর। আর আমি কখনোই টার্গেট নিয়ে খেলি না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও যাইনি। এবারও যাব না। আমার টার্গেট দলকে সহায়তা করা।

আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান...

রশিদ খান বিশ্বমানের লেগ স্পিনার। দুই ফরম্যাটেই সে ভালো বোলার। টি-২০ ক্রিকেটে শটস খেলার চাপ থাকে। ওয়ানডেতে নয়। তার গুগলি বা লেগ স্পিন বুঝতে হবে। যারা বুঝতে পারে তাদের সমস্যা হবে না। রশিদকে খেলতে সারা বিশ্বের ব্যাটসম্যানদেরই সমস্যা হচ্ছে। এখানে মানসিকভাবে কিছুটা শক্ত হলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে রশিদ খানের আগে আমাদের শ্রীলঙ্কার স্পিন, পেস বোলিং হ্যান্ডেল করা  বেশি জরুরি। প্রথম ম্যাচটা আমাদের জন্য অনেক কিছুই সেট করে দিবে।

দলের দুর্বল দিক কোনটি?

দুর্বলতা নিয়ে কথা না বলাই ভালো। দল টুর্নামেন্টে যাচ্ছে, ইতিবাচক কথা বলাই ভালো। প্রতিটা দলেরই দুর্বলতা আছে, আমাদেরও অবশ্যই আছে। আমরা সেটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। একটা টুর্নামেন্টের আগে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই যাওয়া ভালো।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow