Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০৪:৪৯ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
'বিরক্তিকর' প্রতিবেশীকে উপযুক্ত জবাব মেসির!
অনলাইন ডেস্ক
'বিরক্তিকর' প্রতিবেশীকে উপযুক্ত জবাব মেসির!
লিওনেল মেসি

ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি মোটেই ভাল প্রতিবেশী নন। তার বিরুদ্ধে এমন অপবাদ দিলেন তারই ক্লাব সতীর্থ ইভান রাকিটিচ।

মেসি ভাল প্রতিবেশী কেন নন সেই অজানা গল্পটাই জানালেন রাকিটিচ।  

মেসি থাকেন বার্সিলোনার ক্যাস্টেলডিফেলসে। লিভারপুল থেকে যখন বার্সায় এলেন লুই সুয়ারেজ, তখন মেসির এলাকাতেই বাড়ি নিয়েছিলেন তিনি। লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে কোনও সমস্যা নাহলেও, পাশের বাড়ির বাসিন্দাদের সঙ্গে মেসির নাকি ঠোকাঠুকি লেগেই থাকত। সমস্যাটা এতই গুরুতর হয়ে ওঠে যে বাধ্য হয়ে মেসি এক অদ্ভুত কাণ্ড করে বসেন।  

তবে কি সেই কাণ্ড সেই প্রসঙ্গে রাকিটিচ জানালেন, "‌আমার সঙ্গে আমার প্রতিবেশীর কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু মেসির ছিল। জানেন সমস্যা কাটাতে মেসি কী করেছে?‌ প্রতিবেশীর বাড়িটাও কিনে নিয়েছে!‌ আসলে ও একা, নিরিবিলি থাকতে ভালবাসে। কিন্তু ওর প্রতিবেশীরা ছিলেন ঠিক উল্টো। সারাক্ষণ চিৎকার, হইহুল্লোড় লেগেই থাকত তাদের বাড়িতে। জোরে গান চালত। প্রতিবেশীদের ব্যবহারও ছিল জঘন্য। ব্যাপারটা একেবারেই পছন্দ হয়নি মেসির। ওর পরিবারের অন্যদেরও। " 

এরপর তিনি আরও জানালেন, "প্রথমে মেসি ঠিক করেছিল, দুই বাড়ির মাঝে যে প্রাচীর আছে, তা আরও উঁচু করে দেবে। কিন্তু বাড়ি তৈরির আইনের কারণে সে উদ্যোগ আটকে যায়। মেসির বিরুদ্ধে সরকারিভাবে অভিযোগ করা হয়। মেসির ওই প্রতিবেশীরা তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেন। বাধ্য হয়ে মেসি প্রস্তাব দেন, ওই বাড়িটি কিনে নেওয়ার। শেষ পর্যন্ত কিনেও নিয়েছে। আর হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে। ’‌ 

এমন প্রতিবেশী পাশে থাকার থেকে, না থাকাই অনেক ভাল। এখানেই শেষ নয়, রাকিটিচ আরও এক গোপন খবরও ফাঁস করেছেন। ‌ রাকিটিচ জানালেন, ‘‌আমরা লুডো খেলি। আমরা যখন অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে বাইরে যাই, তখন মেসি একা নয়, সবাই মিলেই লুডো খেলি। মজা করি। পেপে কোস্তা, মেসি, সুয়ারেজ আর মাসচেরানো থাকে এক দলে। আর দ্বিতীয় দলে থাকে ইনিয়েস্তা, বাসকোয়েটস, আলবা আর আমি। আসলে বাসে বা বিমানে কানে ইয়ারপ্লাগ গুজে বসে থাকার থেকে, সবাই মিলে হইচই করার মজা আছে। আমরা কাতার যাওয়ার সময় তো ছয় ঘণ্টা ধরে খেলতে খেলতে গিয়েছিলাম। ’‌

 


বিডি-প্রতিদিন/ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ আব্দুল্লাহ সিফাত-১৬

আপনার মন্তব্য

up-arrow