Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৭:৫৪

এবার ধর্মশালা থেকে সরানো হল পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি

অনলাইন ডেস্ক

এবার ধর্মশালা থেকে সরানো হল পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি
ইমরান খান ও ওয়াসিম আকরাম

কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে ভারতীয় সেনাবহরে জঙ্গি হামলায় ৪৯ জন সিআরপি নিহত হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। সারা ভারতের মতো ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দেশটির ক্রিকেট বলিউড-টলিউড তারকারাও। অনেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। 

এদিকে আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার পক্ষে দাবিও জানিয়েছেন অনেকেই। এরই ধারাবাহিকতায় মুম্বাইয়ের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া (সিসিআই) ও মোহালি স্টেডিয়াম থেকে সরানো হয়েছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি। 

এবার এই তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলল হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনও। ধর্মশালার এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে সরিয়ে ফেলা হলো ১৩টি পাকিস্তান ক্রিকেটারদের ছবি। 

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে জানানো হয়, পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদে আমরা স্টেডিয়াম থেকে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সব ছবি সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিই।

বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ছাড়াও ১৩টি ছবির মধ্যে ছিলেন ওয়াসিম আকরাম, শহীদ আফ্রিদি, শোয়েব আখতার ও জাভেদ মিয়াদাদ।

পাকিস্তান বনাম ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের সঙ্গে ম্যাচ দিয়ে ২০০৫ সালে উদ্বোধন হয়েছিল এই স্টেডিয়ামের। সেটি একটি ওয়ার্মআপ ম্যাচ ছিল। 

হিমাচল প্রদেশের রাজধানী শিমলা থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ধর্মশালায় রয়েছে এই স্টেডিয়াম। অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে তার পর থেকে একাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে।

এদিকে সর্বভারতীয় শিল্পী সংগঠনের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের শিল্পীদের বয়কট করা হয়েছে। অল ইন্ডিয়া সিনে ওয়ার্কাস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ভারতে পাকিস্তানের শিল্পীদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকী যে ভারতীয় শিল্পীরা পাকিস্তানের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে চাইবেন, তাদেরকেও নিষিদ্ধ করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টা ১৫মিনিটের দিকে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে ধাক্কা মেরে হামলা করে জঙ্গি গোষ্ঠী। আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর ৪৯ জওয়ান নিহত হয়। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে জইশ-ই-মোহাম্মদ। তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এবারের হামলাকে সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা বলা হচ্ছে।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য