Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৪২
নান্দনিক স্থাপত্যে নগর ভবন
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
নান্দনিক স্থাপত্যে নগর ভবন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন তৈরি হবে নান্দনিক স্থাপত্যে। শোভা পাবে পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক নির্মাণশৈলী।

সমন্বয় ঘটবে অতীত-বর্তমানের স্থাপত্যরীতির। পরিণত করা হবে চট্টগ্রামের একটি ‘আইকনিক টাওয়ারে’।   চসিক সূত্রে জানা যায়, নগর ভবন নির্মাণে নানা নাটকীয়তা ভর করেছিল। ছিল অর্থ সমস্যাও। অবশেষে কেটেছে এ জটিলতা। চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশন অব চায়না (পাওয়ার চায়না) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গত ১ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমান নগর ভবন ভেঙে ৫৩ দশমিক ৩৮ কাঠা জায়গার ওপর নির্মাণ করা হবে দৃষ্টিনন্দন নতুন নগর ভবন। ২৫তলা ভবনটির প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন হবে ১৬ হাজার বর্গফুট। ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে থাকবে মাল্টিপারপাস হল, হলরুম, ফুড কোট। থাকবে ১১ হাজার বর্গফুটের সম্মেলন কক্ষ। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, নগর ভবন নির্মাণে ১ সেপ্টেম্বর চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের চিঠি এলে টেন্ডার আহ্বান করা হবে। তা ছাড়া ইতিমধ্যে অন্যান্য প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। আশা করছি, আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও নকশা অনুমোদন ছাড়াই ২০তলা নগর ভবন নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করে চসিক। এর পর ওই বছরের ১১ মার্চ তৎকালীন মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী নগর ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। চসিক নিজস্ব অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪৮ কোটি ৮৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। প্রাথমিকভাবে নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ২০১০ সালের ১৭ জুন অনুষ্ঠিত চসিক নির্বাচনে মহিউদ্দিন চৌধুরী পরাজিত হলে বন্ধ হয়ে যায় নগর ভবন নির্মাণকাজ। নির্বাচনে জয়ী হয়ে মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম দায়িত্ব পালনের শেষদিকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। অর্থাভাবে এক বছর পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চসিক নির্বাচনে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন জয়ী হয়ে ফের নগর ভবন নির্মাণে উদ্যোগ নেন। তবে ভবনের আগের নকশা ও স্থান পরিবর্তন করা হয়। পরিবর্তীত নকশা অনুযায়ী ২৩ তলার পরিবর্তে তিনতলা বেইজমেন্টসহ ২৫তলা নগর ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow