Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৪২
জেলা পরিষদের জমিতে শিল্পকলার ভবন
রাহাত খান, বরিশাল
জেলা পরিষদের জমিতে শিল্পকলার ভবন
জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান

বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে জেলা পরিষদের জমিতে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শিল্পকলা একাডেমির চারতলা ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ ও প্রকল্পটি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। গত ৪ অক্টোবর এই নির্দেশের পর মাঝপথে নির্মাণ কাজ বন্ধ ও প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বরিশালের সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

অপরদিকে গত শুক্রবার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেছেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আকতারী মমতাজ। বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান সংলগ্ন জেলা পরিষদের অধিগ্রহণকৃত জমিতে সাংস্কৃতিক চর্চা ও আর্ট কাউন্সিলের জন্য একটি ভবন নির্মাণ করে তৎকালীন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল। যা পরবর্তীতে শিল্পকলা একাডেমি নামে পরিচিতি পায়। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত জেলা পরিষদ বিনা লিজে এবং বিনা ভাড়ায় ওই ভবনটি সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য শিল্পকলা একাডেমিকে ব্যবহার করতে দেয়। ২০০১ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ওই ভবনের ভাড়া আদায়সহ ভবনটি উদ্ধারে তত্পরতা শুরু করে। ২০০৯ সালে ০.৪৮ একর জমি জেলা পরিষদের মালিকানা অক্ষুণ্ন রেখে বছরে ৫০ হাজার টাকা ভাড়া প্রদানে সম্মত হন জেলা প্রশাসক। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ওই স্থানে জেলা শিল্পকলা একাডেমির জন্য ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি চারতলা ভবন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে বরিশাল গণপূর্ত অধিদফতর। কিন্তু শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর পর গত ১৪ ও ১৭ আগস্ট গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীকে দুই দফা চিঠি দিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে অনুরোধ করে জেলা পরিষদ। এতেও কাজ বন্ধ না হওয়ায় ৬ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ জমি ভাড়ার চুক্তি বাতিল করে। ৪ অক্টোবর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিকে ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ ও প্রকল্প বাতিলের নির্দেশ দেয়।

বরিশালের ২৭টি সাংস্কৃতিক সংগঠনের জোট সমন্বয় পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম ইকবাল বলেন, শিল্প চর্চা কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ বন্ধ হওয়ায় এখানকার সংস্কৃতি কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক খান আলতাফ হোসেন ভুলু বলেন, এই কাজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বাতিল করেছে। এখন কিছু করতে হলে মন্ত্রণালয় থেকেই করতে হবে। জেলা পরিষদের জমিতে কোনো অনুমতি না নিয়েই অবৈধভাবে শিল্পকলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছিল।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow