Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৩০
গাজীপুরে পাল্টে যাচ্ছে চিকিৎসাসেবা
আফজাল, টঙ্গী
গাজীপুরে পাল্টে যাচ্ছে চিকিৎসাসেবা
টঙ্গীতে নির্মিত হয়েছে ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, গাজীপুরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ কাজ অনেকটাই এগিয়ে চলছে। জনবল পেলেই চালু হবে।

গাজীপুরে পরিবর্তন আসছে চিকিৎসাসেবায়। টঙ্গীর মাছিমপুর এলাকার ৫০ শয্যা হাসপাতাল ঘেঁষে নির্মিত হয়েছে ৮ তলা ভবন। জনবল নিয়োগ, ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতি এলেই শুরু হবে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কার্যক্রম। হাসপাতালটি প্রয়াত এমপি শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের নামে নামকরণের দাবি জানিয়েছে টঙ্গী ও গাজীপুরবাসী। অন্যদিকে গাজীপুর সদর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ৫০০ শয্যার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল। টঙ্গী ও গাজীপুর এ দুটি হাসপাতাল চালু হলেই বদলে যাবে গাজীপুরের চিকিৎসাসেবার মান। টঙ্গী ও গাজীপুরের মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে আর ঢাকা মেডিকেলে যেতে হবে না। রাজধানীর কাছে টঙ্গীর মাছিমপুর এলাকায় নতুন করে নির্মিত হয়েছে ৮ তলা ভবনের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল। গাজীপুর সদর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ৫০০ শয্যার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল। টঙ্গীর ৮ তলা ভবনের কাজ সম্পন্ন আর গাজীপুরে ৫০০ শয্যার ৮ তলা ভবনের কাজ চলছে।

এ দুটি হাসপাতাল উদ্বোধন হলেই টঙ্গী ও গাজীপুরবাসীর চিকিৎসাসেবা বদলে যাবে। টঙ্গী ও গাজীপুরে স্বল্প আয়ের লাখ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার একমাত্র অবলম্বন হবে এ দুটি হাসপাতাল। হাসপাতাল দুটি চালু হলে এখানেই নাক, কান, গলা,  চক্ষু বিভাগ, কার্ডিওলজি বিভাগ, এনেসথেসিয়া বিভাগ, হেপাটোলজি বিভাগ, ফরেনসিক বিভাগ, আইসিইউ (ইউনিট), অর্থপেডিক্স, বক্ষব্যাধি, নিউরোলজি, সার্জারি, ক্যান্সার বিভাগ, রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগ,  রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগ, শিশু কিডনি বিভাগ, প্রসূতি ও গাইনি বিভাগ, ইউরোলজি বিভাগ, প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগসহ প্রস্তুত থাকবে বিশেষজ্ঞ টিম।

স্থানীয় বাসিন্দা গার্মেন্ট ব্যবসায়ী মো. বিল্লাল হোসেন ও মামুন মোল্লা বলেন, ‘টঙ্গীতে ২৫০ শয্যা, গাজীপুরে ৫০০ শয্যা হাসপাতাল হওয়ার পেছনে আমাদের এমপি স্যারের অনেক অবদান রয়েছে। তাই এ হাসপাতালটি গাজীপুরের প্রিয় মানুষ শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের নামে করার দাবি জানাই।’ টঙ্গী হাসপাতালের (আরএমও) ডা. পারভেজ হোসেন বলেন, দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন আউটডোরে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী দেখতে হয়। তাই ২৫০ শয্যা চালু হলে হাসপাতালে আসা রোগীরা আরও সেবা পাবে।

এ বিষয়ে গাজীপুর সিভিল সার্জন আলী হায়দার খান বলেন, টঙ্গীর ৮ তলা ভবনের কাজ শেষ হয়েছে, গাজীপুরের ৮ তলা ভবনের কাজ এগিয়ে চলছে। স্থানীয় এমপি জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, টঙ্গী ও গাজীপুরের মানুষের চিকিৎসাসেবার মান পাল্টে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টঙ্গীতে ২৫০ শয্যা এবং গাজীপুরে ৫০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। দুটি হাসপাতাল চালু হলে সাধারণ মানুষকে আর ঢামেক হাসপাতাল কিংবা প্রাইভেট হাসপাতালে যেতে হবে না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow