Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৩০
সড়ক-ফুটপাথে ডাস্টবিন যন্ত্রণা
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
সড়ক-ফুটপাথে ডাস্টবিন যন্ত্রণা

চট্টগ্রাম মহানগরের ডিটি রোডের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস কার্যালয়ের সামনের সড়ক। এ সড়কের ওপরই আছে আঁকাবাঁকা করে রাখা আবর্জনার একটি কনটেইনার। প্রতিনিয়তই এই কনটেইনার পূর্ণ থাকে আবর্জনায়। অনেক সময় কনটেইনার পূর্ণ হয়ে আশপাশেই পড়ে থাকে আবর্জনা। ভোগান্তিতে পড়ে যানবাহন ও পথচারীরা। এভাবে শুধু ডিটি রোড নয়, নগরীর বিভিন্ন সড়কে আঁকাবাঁকা করে রাখা হয়েছে আবর্জনার কনটেইনার। এগুলো যদি একটু সোজা করে রাখা হতো তাহলে প্রতিটিতে অন্তত তিন ফুট করে জায়গা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যেত। এসব কনটেইনারের কারণে সড়কে সৃষ্টি হয় যানজট। দুর্গন্ধে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে চলাচলকারীদের। তাদের অভিযোগ, আবর্জনার আঁকাবাঁকা কনটেইনারগুলো যদি সোজা করে  রাখা হতো, তাহলে ওই জায়গা দিয়ে পথচারী চলাচল করতে পারত। এখন পথচারীদের ভোগান্তি হচ্ছে। 

হালিশহর রামপুর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মীর মুহাম্মদ শরফুদ্দিন শাফায়েত বলেন, সড়কের ওপর রাখা কনটেইনারগুলো যদি একটু সোজা করে রাখা হয়, তাহলে প্রতিটিতে কিছু জায়গা পাওয়া যেত। সিটি করপোরেশন যদি একটু আন্তরিক হয়ে এসব সোজা করে রাখে তাহলে যানবাহন ও পথচারীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। চসিকের সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, অনেক আগেই এসব কনটেইনার রাখা হয়েছিল। তবে বর্তমানে আবর্জনা অপসারণের নতুন পদ্ধতি ‘ডোর টু ডোর’ বাস্তবায়ন কাজ চলছে। ইতিমধ্যে বেশকিছু ওয়ার্ডে এটি বাস্তবায়ন হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে এটি নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন শেষ হবে। তখন এসব কনটেইনার আর থাকবে না। নগরের ফিরিঙ্গি বাজার কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, দেওয়ানহাট ডিটি রোড, পোস্তারপাড় মোড়, রাহাত্তারপুল সড়ক, সিরাজউদ্দৌলা রোডের দিদার মার্কেটের সামনে, স্টেশন রোডে সড়কের ওপরই দুটি, চট্টগ্রাম আদালত ভবন ও ডিসি অফিসের প্রবেশপথ, চকবাজার কাঁচাবাজারের মোড়, কাপাশগোলা আবাসিকের গেটের সামনে, হালিশহর নয়াবাজার বিশ্বরোড মোড়-বউবাজার ও পানির কল সড়ক, স্টিল মিল বাজার, কাঠগড় মোড়, লালদীঘি মোড়ের মহল মার্কেটের সামনে সড়কেই আবর্জনার আঁকাবাঁকা কনটেইনার রাখা হয়েছে। নগরীতে বর্তমানে ১৩৫০টি ডাস্টবিন আছে। এসব ডাস্টবিন থেকে প্রতি রাতে ছোট-বড় ১৭০টি যানবাহন আবর্জনা সংগ্রহ করে। পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত আছেন চসিকের প্রায় দুই হাজার সেবক। দৈনিক সংগ্রহ করা হয় প্রায় ১২০০ টন আবর্জনা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow