Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৩১
শূন্য খাঁচা কুমিল্লা চিড়িয়াখানায়
মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা
শূন্য খাঁচা কুমিল্লা চিড়িয়াখানায়

নামেই চিড়িয়াখানা। নেই উল্লেখযোগ্য পশু-পাখি।

যে কয়েকটি পশু-পাখি আছে তাও মুমূর্ষু অবস্থায়। অধিকাংশ খাঁচা শূন্য পড়ে আছে। কয়েকটি খাঁচা ভেঙে আছে। একটু বৃষ্টি হলেই চিড়িয়াখানা ডুবে যায়, ডুবে যায় এর প্রবেশপথ। এতে দিন দিন দর্শনার্থী কমছে। গত ৪-৫ বছর ধরে এমন দুরবস্থা কুমিল্লা চিড়িয়াখানার।

১৯৮৬ সালে কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি মৌজায় জেলা প্রশাসকের বাংলোর পাশে ১০.১৫ একর জমিতে গড়ে উঠে কুমিল্লা চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন। জমির মালিক জেলা প্রশাসন। ব্যবস্থাপনায় রয়েছে জেলা পরিষদ। এই দোটানায় চিড়িয়াখানার উন্নয়ন হচ্ছে না।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, খাঁচাগুলো শূন্য পড়ে আছে। সব মিলিয়ে ৮টি বানর, ৩টি বন মোরগ, ৩টি হরিণ রয়েছে। একটি সিংহ মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। সিংহের পিঠে গর্ত হয়ে গেছে। যে কোনো সময় মারা যেতে পারে। চিড়িয়াখানায় তেমন দর্শনার্থী নেই। এটি এখন অনেকটা পরিত্যক্ত বাড়ির মতো। সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সভাপতি আলী আকবর মাসুম বলেন, কুমিল্লার মতো বড় শহরের চিড়িয়াখানার এই বেহাল অবস্থা দুঃখজনক। চিড়িয়াখানার সংস্কার ও পশু-পাখি দিয়ে নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি।

লিজ নেওয়া অংশীদারদের একজন রায়হান হাসানাত বলেন, লিজ ও পশু-পাখির খাবার মিলিয়ে বছরে ১৯ লাখ টাকা খরচ। কিন্তু পশু-পাখি না থাকায় দর্শনার্থী তেমন আসছেন না। এতে আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ ওমর ফারুক বলেন, চিড়িয়াখানার জমি আমাদের নয়, জমি আমাদের হলে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প হাতে নিয়ে চিড়িয়াখানার উন্নয়ন করা যেত। নতুন জেলা প্রশাসক এসেছেন, তার সঙ্গে আলোচনা করে এর উন্নয়নে পদক্ষেপ নেব।

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চিড়িয়াখানার জরাজীর্ণ অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে। সিংহটি মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহীসহ আমরা চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করব। আশা করি দ্রুত চিড়িয়াখানার উন্নয়নে পদক্ষেপ নিতে পারব।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow