Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২১:৪০
চট্টগ্রামে প্রথম দৃষ্টিনন্দন পার্ক
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে প্রথম দৃষ্টিনন্দন পার্ক

সাড়ে আট একরের বিস্তৃত পরিসর। চারপাশে নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী।

থরে থরে সবুজায়ন। রোপণ করা হবে দেশীয় ফল-ফুল ও নানা ঔষধি গাছ। পরতে পরতে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা। থাকবে সর্বাধুনিক নানা সুবিধা। প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের ছোঁয়া সর্বত্র। রূপ পাবে ঢাকার রমনা পার্কের আদল। দৃষ্টিনন্দন এই আধুনিক প্রথম পার্ক হচ্ছে চট্টগ্রামে। নগরের আগ্রাবাদ এলাকার জাম্বুরি মাঠে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার স্বপ্নের এ পার্ক। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের আগ্রহে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।                  

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ‘চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত জাম্বুরি মাঠে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিশিষ্ট উদ্যান স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে পার্কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ১৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন স্থাপনাটির কাজ ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার কথা। বর্তমানে ক্যাফেটেরিয়া, সীমানা দেয়াল, ফুটপাথ, ড্রেন, শৌচাগার, ম্যান্টেন্যান্স অফিস নির্মাণের কাজ চলছে। প্রতিদিন কাজ করছেন প্রায় শতাধিক শ্রমিক। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, চট্টগ্রামে একটি অত্যাধুনিক দৃষ্টিনন্দন পার্ক নির্মিত হচ্ছে। এটি হবে দেশের অন্যতম একটি নান্দনিক পার্ক। নিজস্ব অর্থায়নে অনেকটা রমনা পার্কের আদলে। এখানে হাঁটার জন্য থাকবে উন্মুক্ত স্থান, থাকবে দেশি নানা রকমের ফল-ফুলের গাছ। সর্বোপরি একটি আদর্শ বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দর্শকরা পাবে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মানসিক প্রশান্তি। আশা করছি, এর মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা ‘একটি অত্যাধুনিক পার্ক’ এর স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।

নির্মাণাধীন এ পার্কে প্রায় এক দশমিক ১৫ একর এলাকা জুড়ে থাকবে পানির লেক। থাকবে ড্যান্সিং লাইট, দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারা ও একাধিক ঝরনা। নির্মিত হবে ক্যাফেটেরিয়া, আকর্ষণীয় গ্লাস ব্রিজসহ ১৩৮টি সিটিং বেঞ্চ। পার্কের চারপাশে রোপণ করা হবে কয়েক হাজার দেশীয় নানা রকম ফল ও ফুল গাছ। চারপাশে থাকবে ঔষধি গাছের সমাহার। মাঝখানে থাকবে হাঁটার উন্মুক্ত স্থান। থাকবে গণশৌচাগার ও গভীর নলকূল। চারদিকে দেওয়া হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর ও ৬টি প্রশস্ত গেট। থাকছে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থাও। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow