Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২২:১০
দুই ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় ভোগান্তি
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম
দুই ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় ভোগান্তি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) রুবি সিমেন্ট সংলগ্ন ১৪ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি ব্রিজ এবং ৯ নম্বর গুপ্ত খালের ওপর ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের মেয়াদকাল ছিল ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর। কিন্তু কাজের মেয়াদ শেষে সাড়ে তিন মাস পার হলেও প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি।

ব্রিজ দুটি নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়রা অন্তহীন ভোগান্তিতে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ দুটির জন্য প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ ও যানবাহনকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চলাচলের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা বেইলি ব্রিজের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট।

চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জাইকার অর্থায়নে সিটি গভর্ননেন্স প্রজেক্টের আওতায় ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর রুবি সিমেন্ট সংলগ্ন ব্রিজের জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং গুপ্ত খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণে ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয়। গত ১৩ অক্টোবর কাজ শেষ করার কথা থাকলেও গত ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত রুবি সিমেন্ট ব্রিজের কাজের অগ্রগতি ২ শতাংশ এবং গুপ্ত খাল ব্রিজের কাজ হয় ৫ শতাংশ। তবে ব্রিজ দুটি নির্মাণের মেয়াদকাল বাড়িয়ে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে।      

চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ  প্রকল্পে ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ব্রিজগুলো ভেঙে তা সরিয়ে নেওয়া, একটি ব্রিজের নিচ দিয়ে যাওয়া পিডিবির এক হাজার কেভি লাইন থাকা, রোয়ানুর আঘাত, বর্ষা মৌসুম, ব্রিজের ডিজাইন পরিবর্তন, পরিবর্তিত নকশা পেতে বিলম্বসহ নানাভাবে চলে যায় প্রায় ছয় মাস। ফলে কাজে গতি আসেনি। এখন দ্রুতগতিতে কাজ চলছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, গুপ্ত খালের ওপর নির্মিত পুরনো ব্রিজ ভাঙা হচ্ছে। পুরনো ব্রিজের পাশেই রয়েছে আরেকটি বেইলি ব্রিজ। ব্রিজটি দিয়ে কেবল একটি গাড়িই যাতায়াত করতে পারে। এয়ারপোর্টমুখী গাড়িগুলো পার হওয়ার সময় ওই পাশ থেকে আসা গাড়িগুলো আটকে থাকে। একপাশে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। একই চিত্র রুবি সিমেন্ট সংলগ্ন ব্রিজেও।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow