Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৬ মার্চ, ২০১৭ ২২:০১
কবে চালু হবে নর্থ ইউলুপ
জয়শ্রী ভাদুড়ী
কবে চালু হবে  নর্থ ইউলুপ

তিন বছর আগে কাজ শুরু হলেও কাজ শেষ হয়নি রামপুরার নর্থ ইউলুপের। আর ইউলুপ তৈরিতে ধীর গতির নির্মাণ কারণে প্রতিদিনই যানজট ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে।

হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইউলুপ দুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮-১০ মাসের মধ্যে। ইউলুপ দুটির একটি হলো সাউথ ইউলুপ। অপরটি নর্থ ইউলুপ। সাউথ ইউলুপের অবস্থান হাতিরঝিলের দক্ষিণ পাশে বিটিভি ভবনের সামনে। আর নর্থ ইউলুপটি নির্মাণ করা হচ্ছে মেরুল বাড্ডার কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকায়। ইউলুপ দুটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭৬ কোটি টাকা। দুই বছর পর করে সাউথ ইউলুপ চালু হলেও নর্থ ইউলুপের কেবল পিলারের কাজ চলছে। জানা যায়, সাউথ ইউলুপটির দক্ষিণ প্রান্তে স্টাফ কোয়ার্টার। সেখানে বনশ্রী থেকে আসা যানবাহনগুলো বামে মোড় নিয়ে খিলগাঁও-মৌচাকের গন্তব্যে যায়। আবার পশ্চিম রামপুরা, মীরবাগ, হাজীপাড়া, মৌচাক ও খিলগাঁও থেকে আসা যানবাহনগুলোও ব্রিজের পূর্ব প্রান্তে এসে বামে মোড় নিয়ে হাতিরঝিল, ডানে মোড় নিয়ে বনশ্রী প্রধান সড়ক এবং সোজা চলে যায় মেরুল-বাড্ডার গন্তব্যে। একইভাবে উত্তর প্রান্তেও হাতিরঝিল থেকে বের হওয়া গাড়িগুলো ডানে মোড় নিয়ে রামপুরার দিকে, বামে মোড় নিয়ে কুড়িল বিশ্বরোডের গন্তব্যে যায়। এ ছাড়া এয়ারপোর্ট, উত্তরা, কুড়িল থেকে আসা যানবাহনগুলোকেও রামপুরা ব্রিজ হয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে হয়। ফলে নানা গন্তব্যের এই সম্মিলনস্থলটিতে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। আর সে কারণেই ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭ দশমিক ৭ মিটার থেকে ১০ দশমিক ৭ মিটার প্রস্থের এই ইউলুপটির দিকেই এখন তাকিয়ে আছে মানুষ। সাউথ ইউলুপটি চালু হলেও মেরুল বাড্ডায় নির্মাণাধীন নর্থ ইউলুপের কাজ সবেমাত্র শুরু হয়েছে। এতদিন জমি অধিগ্রহণের জটিলতায় আটকে ছিল ইউলুপের কাজ। সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, ৪৩৭ মিটার দৈর্ঘ্যের ইউলুপটি নির্মাণের রাস্তার মাটি সমানকরণ এবং পাইলিংয়ের কাজ চলছে। গত বছর উদ্বোধনের টার্গেট ছিল বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বছরও উদ্বোধনের কোনো সংকেত দেখা যাচ্ছে না। মেরুল বাড্ডার বাসিন্দা ইলিয়াস আলী বলেন, এমন কোনো দিন নেই যে এই জায়গায় জ্যামে পড়তে হয় না। কবে থেকে শুনছি ইউলুপ হবে, কিন্তু কাজ শেষ করার কোনো লক্ষণ তো দেখি না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow