Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৭ জুলাই, ২০১৭ ২৩:৩৬
মশা উৎপাদনের কারখানা !
মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা
মশা উৎপাদনের কারখানা !
কচুরিপানা ও আবর্জনায় ভরপুর কুমিল্লা নগরীর টিএন্ডটি পুকুর

কুমিল্লা নগরীর পুকুর-দীঘিগুলো মশা উৎপাদনের কারখানায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পুকুরগুলো পরিষ্কার না করায় সেখানে কচুরিপানা ও কচু গাছ জন্মেছে। সেখানে আবার অনেকে ময়লা ফেলছে। এতে মশার বংশবৃদ্ধি পাচ্ছে। নগরী ঘুরে দেখা যায়, নগরীতে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানার অর্ধশতাধিক পুকুর-দীঘি দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হচ্ছে না। বিশেষ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পাশের পুকুর, আদালতের উত্তর পাশের পুকুর, টিএন্ডটি অফিসের পাশের পুকুর ও ফয়জুন্নেসা স্কুলের পাশের পুকুর দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার করা হয়নি। অনেকে আবার ভরাট করার পরিকল্পনায়ও পুকুরগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিয়েছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি চিকুনগুনিয়া রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরবাসী মশা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। সবাই মশা রোধে পুকুর-দীঘিগুলো পরিষ্কার রাখার দাবি জানিয়েছেন। কুমিল্লা নগরীর বাসিন্দা লেখক আবদুল আউয়াল হেনা ও নগরীর নতুন চৌধুরীপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেন বলেন, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানার অর্ধশতাধিক পুকুর-দীঘি দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার করা হচ্ছে না। এগুলো এখন মশা উৎপাদনের কারখানা হয়ে গেছে। নগরীতে এখন জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে। নগরবাসীর স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় এগুলো দ্রুত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান বলেন, স্বচ্ছ বদ্ধ পানিতে এডিস মশার জন্ম হয়। এডিস মশা চিকুনগুনিয়া রোগীর শরীর থেকে দ্রুত রোগ ছড়িয়ে দেয়। কুমিল্লার কচুরিপানা ও কচু গাছে ভরপুর পুকুরগুলোতে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি পাচ্ছে। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে পুকুরগুলো পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, সরকারি-ব্যক্তিমালিকানাধীন পুকুর-দীঘিগুলো পরিষ্কার করার জন্য আমরা চিঠি দেব। কেউ সহযোগিতা চাইলে আমরা নিজেদের লোকবল দিয়ে পরিষ্কার করে দেব। এদিকে মশা নিধনে আমরা বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটিয়ে দিচ্ছি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow