Bangladesh Pratidin

শিরোনাম

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৩৭
রাজধানীতে সাইকেল শেয়ারিং অ্যাপ
মিনিট হিসেবে যাত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
মিনিট হিসেবে যাত্রী
চালাবেন জোবাইক

রাজধানীবাসীর যাতায়াতকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে নগরীতে এবার শুরু হলো সাইকেল  শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন সেবা জোবাইক। এতে করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহারকারী যাত্রীরা একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সাইকেল চালিয়ে গন্তব্যে যাওয়া-আসা করতে পারবেন। আর প্রতি মিনিটের জন্য একজন যাত্রীকে গুনতে হবে ১ টাকা করে ভাড়া। সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় জোবাইকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায়ও এই সেবা শুরু হবে বলে জানিয়েছে জোবাইক কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে জোবাইক সেবা দেশের পর্যটন এলাকা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে।   

সরেজমিন দেখা যায়, ডিওএইচএস এলাকায়  জোবাইকের কয়েকটি স্ট্যান্ডে লাল রঙের সাইকেল সারি। ব্যবহারকারীরা যার যার মতো সাইকেল আনলক করে চালাচ্ছেন আবার চালানো শেষে রেখে যাচ্ছেন। জোবাইক অ্যাপ রিচার্জের সঙ্গে জড়িত এক ব্যবসায়ী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, জোবাইক সাইকেলের সিটের নিচে একটি কিউআর কোড (কুইক রেসপন্স কোড) আছে। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে সেই কোডটি স্ক্যান করে সাইকেলটি আনলক করতে হয়। ফলে যে কেউ চাইলেই এই সাইকেল চুরি করতে বা চালাতে পারবে না। ব্যবহারকারীদের জোবাইক চালাতে হলে জোবাইকে একটি অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। সেখানে যাত্রীর নিজস্ব অ্যাকাউন্টে মোবাইলে ব্যালান্স রিচার্জের মতো টাকা রিচার্জ করতে হবে। প্রতিবার সাইকেল আনলক করা হলে তা ব্যবহার শেষে যাত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হবে।

এরই মধ্যে ডিওএইচএস এলাকায় এই সাইকেল শেয়ারিং সেবা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। তরুণ-তরুণী ও শিক্ষার্থী এমনকি নারীরাও ডিওএইচএস এলাকায় স্বল্প দূরত্বে যাওয়া-আসার জন্য জোবাইক ব্যবহার করছেন। তবে কিশোর-কিশোরীদের জোবাইক নিয়ে আগ্রহ বেশি। বিকালে দলবেঁধে অনেককেই এটি ব্যবহার করতে দেখা যায়। আবার বড়দের কেউ কেউ বাজার ও দোকানে যেতেও এটি ব্যবহার করছেন। এই এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি এনজিও কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আগে বাজারে যাতায়াতের জন্য রিকশা ব্যবহার করতাম। কিন্তু নতুন এই সেবা চালু হওয়ায় বাজারে আসা-যাওয়ার খরচ আগের চেয়ে কমেছে, সাইকেল চালানোয় কিছুটা ব্যায়ামও হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow