Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:০৬
থাই রাজা ভুমিবলের কথা
সত্তর বছরের সোনালি রাজত্ব
তানভীর আহমেদ
থাই রাজা ভুমিবলের কথা

থাইল্যান্ডের রাজা ভুমিবল আদুলিয়াদেজ। তিনি বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রাজত্ব পরিচালনা করেছেন।

তার শাসনামলে বহুবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে। কিন্তু তার ভূমিকায় থাইল্যান্ডের জনগণ পেয়েছে স্বস্তি। এ ছাড়া মানবিক গুণসম্পন্ন ভুমিবলকে থাই জনগণ দেখেছেন দেশটির জন্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে। তিনি রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকলেও দেশের চরম উত্তেজনাকর রাজনৈতিক পরিস্থিতির সময় উত্তেজনা প্রশমন করতে তিনি হস্তক্ষেপ করেছেন। বেশির ভাগ থাই নাগরিক তাকে শ্রদ্ধা করেছেন, ভালোবাসায় সিক্ত করেছেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তার মৃত্যু ঘটে ১৩ অক্টোবর। সেই শোকে এখনো আচ্ছন্ন গোটা থাইল্যান্ড।

 

থাইল্যান্ডের প্রয়াত রাজা ভুমিবল আদুলিয়াদেজ

[জন্ম : ৫ ডিসেম্বর ১৯২৭

মৃত্যু : ১৩ অক্টোবর ২০১৬]

 

 

সাত দশকের রাজা

টানা ৭০ বছর থাইল্যান্ডের রাজা ছিলেন ভুমিবল আদুলিয়াদেজ। তিনি বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘদিন সিংহাসনে থাকা রাজা। তার জন্ম আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যর ক্যামব্রিজ শহরে। ভুমিবল যখন দুই বছরের শিশু তখন তার বাবা মারা যান। তার মা চলে আসেন সুইজারল্যান্ডে। এখানেই যুবরাজ পড়াশোনা করেন। তরুণ বয়সেই তার অনন্য প্রতিভার বিকাশ ঘটে। ছবি তোলা, খেলাধুলা, স্যাক্সোফোনে সংগীত সৃষ্টি, ছবি আঁকা ও লেখার গুণাবলি সবাই প্রশংসার চোখে দেখত। ১৯৩২ সালে থাইল্যান্ডে রাজার শাসনের অবসান ঘটলে থাই রাজতন্ত্রের শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তির পর থেকে দেশটির রাজনীতিতে রাজপরিবারের প্রভাব কমতে শুরু করে। ১৯৩৫ সালে তৎকালীন রাজা প্রজাধিপক পদত্যাগ করলে মাত্র ৯ বছর বয়সে রাজা হন ভুমিবলের বড় ভাই আনন্দ আদুলিয়াদেজ। ১৯৪৬ সালে রাজপ্রাসাদে রহস্যজনক এক গুলির ঘটনায় রাজা আনন্দ মারা যান। তখন ভুমিবলের বয়স মাত্র আঠার। সে বয়সেই তিনি থাইল্যান্ডের সিংহাসনে বসেন। ১৯৪৬ সালের ৯ জুন তার রাজ্যাভিষেক ঘটে। তার শাসনামলের প্রথম সাত বছর থাইল্যান্ডে ক্ষমতায় ছিল সামরিক শাসক। সে সময় রাজা ছিলেন নামমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান। রাজা ভুমিবল ১৯৭৩ সালে থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেনাবাহিনী গণতন্ত্রবাদী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়। এরপর বিক্ষোভকারীদের রাজপ্রাসাদে আশ্রয় দেওয়া হয়। ফলে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী জেনারেল থাঙ্কম কিট্টিকাচোর্ন প্রশাসন ভেঙে পড়ে। এরপর ১৯৮১, ১৯৯২, ২০০৬ সালে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমকা রাখেন এই রাজা। তার প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা ছিল অতুলনীয়। তাকে শান্ত, মানবতাবাদী ও গরিবের উপকারী শাসক বলেই মেনেছেন থাইল্যান্ডবাসী। পথে-ঘাটে, দোকানে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তার ছবি ঝুলিয়ে রেখে সম্মান জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিয়ে করেছেন সিরিকিত কিতিয়াকারাকে। ১৯৫০ সালে বিয়ের আগে তার পরিচয় ঘটে সুন্দরী সিরিকিতের সঙ্গে। সিরিকিত ছিলেন সে সময় ফ্রান্সে থাই রাষ্ট্রদূতের মেয়ে। তাদের চার সন্তান। পরবর্তী থাই উত্তরসূরি যুবরাজ ভাজিরালংকর্ণ। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন রাজা ভুমিবল। তারপর থেকে রাজার শরীর ক্রমশ ভেঙে পড়তে থাকে। গত কয়েক বছর বেশি ভাগ সময় হাসপাতালেই কেটেছে রাজা ভুমিবলের। এ অসুস্থতার মাঝেই ২০১৪ সালে আরেকটি সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে থাইল্যান্ডের ক্ষমতা দখল করেন সেনাপ্রধান জেনারেল প্রায়ুথ চান ওচা। এর তিন মাস পর ওচাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দেন ভুমিবল। দীর্ঘদিন রোগভোগের পর ১৩ অক্টোবর তার প্রয়াণ ঘটে।

 

থাইল্যান্ডবাসীর মন জয় করেছিলেন ভুমিবল

থাইল্যান্ডবাসীর চোখের মণি হয়ে উঠেছিলেন রাজা ভুমিবল। সত্তর বছর তার রাজত্বেই আস্থা রেখেছিলেন থাইল্যান্ডের মানুষ। থাইল্যান্ডের মানুষ তাকে ভালোবেসেছেন, শ্রদ্ধা করেছেন। রাজার প্রতি তাদের ভক্তি ছিল ঈর্ষণীয়। এই ভালোবাসার জোরেই টানা সত্তর বছর রাজ সিংহাসনে ছিলেন তিনি। বিশ্বে ভুমিবলই সবচেয়ে বেশি সময় ধরে সিংহাসনে থাকা রাজা। ৮৮ বছর বয়সে থাই রাজা ভুমিবল মারা যাওয়ার পর এক বছর শোক ঘোষণা করে থাইল্যান্ড। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। তাদের অশ্রুসজল চোখই সাক্ষী দেয় তাদের কাছে কতটা প্রিয় ছিলেন এই রাজা। ভুমিবলের আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার কারণেই এই অনবদ্য ভালোবাসা। প্রশ্ন ছিল, থাই নাগরিকদের মধ্যে প্রয়াত রাজার জনপ্রিয়তাকে কি ইউরোপের রাজপরিবারের প্রতি সেসব দেশের নাগরিকদের অনুভূতির সঙ্গে তুলনা করা যায়? একদমই না। কারণ রাজার সঙ্গে থাইল্যান্ডবাসীর গভীর আধ্যাত্মিক যোগাযোগ রয়েছে যা ইউরোপে দেখা যায় কম। থাইল্যান্ডের রাজাকে তারা দেখে আসছে জাতির প্রতি যত্নশীল এক প্রশান্ত পিতা হিসেবে। মানবিক সুশান্ত আবেগ ও বোধের যে সমন্বয় রয়েছে সেগুলো ভুমিবলকে তাদের সামনে উপস্থিত করেছে একজন বিনয়ী, মানবতাবাদী ও গরিব লোকজনকে সহায়তায় জীবনভর অঙ্গীকার রক্ষক হিসেবে। রাজার প্রতি থাই জনগণের এই ভালোবাসা শুধু মনেই গোপন নয়, এই ভালোবাসা ধর্মীয় পরিবেশেও প্রভাব ফেলেছে। থাইল্যান্ডের যানবাহন, অফিস-আদালত এবং দোকানপাটে রাজার ছবি টাঙিয়ে রাখা হয়। চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সময় পর্দায় তার ছবি ভেসে উঠলে সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান দেখায়। অনেক থাই নাগরিক বিশ্বাস করেন, রাজা দরিদ্রদের সহায়তা করার জন্য জীবনভর নিয়োজিত ছিলেন। দারিদ্র্য নির্মূলে তিনি অক্লান্ত শ্রম দিয়েছেন, দান করেছেন দুই হাত খুলে। যৌবনে রাজা ভুমিবল প্রশংসিত ছিলেন কিছু অসাধারণ গুণাবলি ও দক্ষতার জন্য। তিনি সফল জ্যাজ শিল্পী ছিলেন। স্যাক্সোফোন বাজাতেন। সুরকার ও আলোকচিত্রী ছিলেন। কিংবদন্তি জ্যাজ শিল্পী বেনি গুডম্যানের সঙ্গে স্যাক্সোফোন বাজিয়ে ভুমিবল ১৯৬৭ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় উপদ্বীপ প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। পরবর্তী সময়ে নিজের প্রিয় কুকুরকে নিয়ে বই লিখেও তিনি সফল হন।

 

বারবার সেনা অভ্যুত্থানের মুখোমুখি

 

সেনা অভ্যুত্থানে বারবার থাইল্যান্ডে কেঁপে উঠলেও ভালোই সামলেছেন ভুমিবল। তিনি সিংহাসনে থাকার সময় এক ডজনেরও বেশি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে বা ঘটানোর চেষ্টা চালানো হয়েছে...

 

রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ভুমিবল থাইল্যান্ডবাসীর কাছে শ্রদ্ধেয় পাত্র ছিলেন। তার প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা দেখিয়েছে সে দেশের মানুষ। সেনা অভ্যুত্থানে বারবার থাইল্যান্ড কেঁপে উঠলেও ভালোই সামলেছেন ভুমিবল। সত্তর বছর ভুমিবলের শাসনে দেশটিতে বারবার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ঘটনা ঘটেছে। ভুমিবল সিংহাসনে থাকার সময় এক ডজনেরও বেশি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে বা ঘটানোর চেষ্টা চালানো হয়েছে। রাজা ছিলেন সুদক্ষ কূটনীতিক, থাইল্যান্ডের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর অসামান্য ক্ষমতা ছিল তার। ১৯৭৩ সালে ভুমিবল থাই রাজনীতিতে নাটকীয়ভাবে হস্তক্ষেপ করেন। এ সময় গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের ওপর সেনারা গুলি চালায়। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের রাজপ্রাসাদে আশ্রয় নেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় সবার মাঝে বিস্ময় দেখা দেয়। এ পদক্ষেপের ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। অবশ্য ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর কমিউনিস্ট সমর্থন বাড়ার পটভূমিতে রাজা আধা-সামরিক বাহিনীর হাতে বামপন্থিদের নির্যাতন ঠেকাতে ব্যর্থ হন। সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা এরপর আরও হয়েছে। ১৯৮১ সালে একদল সেনা অফিসার প্রধানমন্ত্রী তিনসুলানন্দের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটালে রাজা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। বিদ্রোহীরা ব্যাংককের নিয়ন্ত্রণ নেয়। কিন্তু রাজার অনুগত সেনা ইউনিট আবার তা পুনর্দখল করে। ১৯৯২ সালেও এক সেনানায়কের অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত মানুষজনের ওপর গুলি চালানোর ব্যাপারেও রাজা হস্তক্ষেপ করেন। প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার শাসনামলে ২০০৬ সালে রাজনৈতিক সংকটের সময় রাজাকে বেশ কয়েকবার হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেটা যথাযথ হবে না বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

 

কে হচ্ছেন পরবর্তী রাজা

ভুমিবলের মৃত্যুর পর কে হতে যাচ্ছেন থাইল্যান্ডের পরবর্তী রাজা তা নিয়ে আলোচনা ছড়িয়েছে সারা বিশ্বে। উত্তরসূরি হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে আছেন তার ছেলে যুবরাজ মাহা ভাজিরালংকর্ন। বর্তমানে থাইল্যান্ডে এক বছরের শোক চলছে। থাইল্যান্ডের রাজপরিবারের রীতি অনুযায়ী, মৃতের সৎকারের আনুষ্ঠানিকতা বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। জনগণের মধ্যে শোকের পাশাপাশি এক ধরনের শূন্যতা ও অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে থাইল্যান্ডে। যুবরাজ মাহা ভাজিরালংকর্নের ব্যাপারে সমালোচনা থাকায় অনেকেই তার ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। জনগণের কাছে ভুমিবল যতটা জনপ্রিয় ছিলেন মাহা ভাজিরালংকর্ন ততটা জনপ্রিয় নন। উল্টো তাকে নিয়ে সমালোচনা রয়েছে থাইল্যান্ডবাসীর কাছে। যে কারণে বিশেষজ্ঞরাও রয়েছেন সংশয়ে।

থাইল্যান্ডের জনগণের কাছে যুবরাজ মাহা ভাজিরালংকর্ন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা আছে। তার তিনবার বিবাহবিচ্ছেদ এবং নিজের পোষা কুকুরকে বিমানবাহিনীর প্রধান (এয়ার চিফ মার্শাল) পদবি দেওয়ার ঘটনাগুলো নিয়ে বিতর্ক অনেক। এ রকম একজন ব্যক্তিকে রাজা হিসেবে দেশটির রাজতন্ত্রপন্থি জনগণ এবং ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তা কীভাবে মেনে নেবে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে সবার মনে। তবে এখন পর্যন্ত ভাজিরালংকর্নই সবচেয়ে সম্ভাব্য উত্তরসূরি। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ডান্টরুন সামরিক কলেজে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সেনাবাহিনীর কিছু খেতাব জুটিয়েছেন। পাইলটের লাইসেন্স আছে তার। তার বিরুদ্ধে অতি নারীপ্রীতি, বেহিসাবি আচরণ এবং কখনো কখনো নিষ্ঠুরতার অভিযোগ রয়েছে। রাজপরিবারের সদস্যদের সমালোচনা নিষিদ্ধকারী বিশেষ আইনের সুবিধা পান তিনি।

 

এক নজরে

১৯২৭-যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ক্যামব্রিজে জন্মগ্রহণ করেন

১৯৪৬-বড় ভাই রাজা আনন্দের মৃত্যুর পর সিংহাসন গ্রহণ করেন

১৯৫০ -দুঃসম্পর্কের আত্মীয় ও রাষ্ট্রদূতের কন্যা সিরিকিত কিতিয়াকারাকে বিয়ে করেন

১৯৫০-সুইজারল্যান্ডের উচ্চশিক্ষা শেষ করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে মনোনিবেশ করেন। তাকে রাজমুকুট পরানো হয়

১৯৯২ -জান্তা নেতাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সংকট মোকাবিলা করেন

১৯৭৩-রাজনীতিতে নাটকীয়ভাবে হস্তক্ষেপ করে আলোচনায় আসেন রাজা

২০০৬ -সিংহাসনে রাজ দায়িত্ব পালনের হীরকজয়ন্তী উদযাপন করেন।

২০০৯ -ফুসফুস সংক্রমণের দরুন হাসপাতালে ভর্তি হন।

২০১৩ -কিছুটা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়েন। চলে যান উপকূলবর্তী শহর হুয়া হিনে।

২০১৪ -আবারও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেনাপ্রধান জেনারেল প্রায়ুথ চান ওচাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দেন ভুমিবল

২০১৬-হৃদযন্ত্রে অপারেশন হয় তার। ফিরে আসেন প্রাসাদে।

সিংহাসনে ৭০ বছর রাজত্বের জয়ন্তী পালন করেন।

১৩ অক্টোবর ২০১৬-দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মৃত্যুবরণ করেন

 

ছবিতে অন্য রকম এক রাজা

 

শৈশবে হাস্যোজ্জ্বল ভুমিবল

 

মাঠে-ঘাটে ছুটেছেন, মন জয় করে নিয়েছিলেন সবার

 

সংগীতপ্রেমী রাজা সুযোগ পেলেই তুলেছেন সুর

 

রাজার ক্যামেরায় রানীর হাসিমুখ

এই পাতার আরো খবর
up-arrow