Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০৯:১০ অনলাইন ভার্সন
ঢাকা-১৪
কে ধরবেন হাল
মোস্তফা কাজল
কে ধরবেন হাল

কে ধরবেন জাতীয় সংসদের ঢাকা ১৪ আসনের হাল। এ নিয়ে জমে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ এই আসনের নির্বাচন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন নিয়ে এ আসন। বর্তমান এমপি আসলামুল হক আসলাম আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। পাশাপাশি এ আসন থেকে মনোনয়ন  পেতে কাজ করছেন যুব মহিলা লীগ উত্তরের সভাপতি ও সংরক্ষিত আসনের এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন। এ তালিকায় আরও আছেন দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মাজহার আনাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং ঢাকা জেলার সেরা করদাতা মো. লুৎফর রহমান, সাংবাদিক এ কে এম মতিউর রহমান,  জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আকতার ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই বৃহৎ দুই দলেই রয়েছেন একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী। এ দুই দলে আছে দলীয় কোন্দল ও টানাপড়েন। বিগত ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এস এ খালেককে পরাজিত করে নৌকা নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসলামুল হক আসলাম। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি  ভোট বর্জন করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি। গত দুই মেয়াদে আসলাম এ এলাকার উন্নয়ন করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। বিএনপির দুই মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে আছেন সাবেক এমপি এস এ খালেকের ছেলে এস এ সিদ্দিক সাজু ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক ছাত্রদল নেতা ও কমিশনার মুন্সী বজলুল বাসিদ আনজু। বিএনপির এ দুই সম্ভাব্য প্রার্থী এলাকায় নির্বাচনী তৎপরতা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ আসনে আরও তিন-চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর ব্যানার ও ফেস্টুন চোখে পড়ার মতো। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঢাকা-১৪ আসনটি এখনো আওয়ামী লীগের দখলে। বয়সে তরুণ মাজহার আনাম তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের চলমান শাসনামলে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে এমন ব্যানার ফেস্টুন টাঙিয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক আসলাম। এ ছাড়া নির্বাচনী এলাকার ছোট-বড় সব অনুষ্ঠানেই উপস্থিত থেকে  ভোটারদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং নৌকার পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। সাবিনা আক্তার তুহীন গণসংযোগ করে তার প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। মো. লুৎফর রহমান বলেন, আমি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেব। জাসদের পক্ষে সভা ও সমাবেশ চলছে। এ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেতে দুজন নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। বিএনপির এ দুজনই মামলার আসামি। কৌশলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে  যোগাযোগ রক্ষা করছেন। মনোনয়নপ্রত্যাশী এস এ সিদ্দিক সাজু বলেন, আমি এলাকার সন্তান। এলাকার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। এ ছাড়া এলাকার  লোকজন আমাকে অকৃত্রিমভাবে ভালোবাসে। এই আসনে আমি বিএনপির মনোনয়ন পাব বলে আশাবাদী। মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক কমিশনার আঞ্জু বলেন, আমার বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা হয়েছে। এত মামলা মাথায় নিয়ে দলের জন্য এবং এলাকার মানুষের সেবায় কাজ করছি। আরেক প্রার্থী সাবিনা আক্তার তুহীন এমপি বলেন, আমি এলাকার উন্নয়নে অনেক কাজ করেছি। প্রতিটি নেতা-কর্মীর সঙ্গে আমার হৃদয়ের সম্পর্ক             গড়ে উঠেছে। জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক বলেন, নিয়মিতভাবে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছি। জাতীয় পার্টিকে উজ্জীবিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

আপনার মন্তব্য

up-arrow