শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০১:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

জিল্লুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটেছে। ২০২৪ সালের রাজপথের স্লোগান এখন রাষ্ট্রীয় শপথের ভাষায় রূপ নিয়েছে। আন্দোলনের আবেগ এখন প্রশাসনিক ফাইলে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে, বাজেট প্রস্তাবে। এখানেই প্রকৃত পরীক্ষা।

 

চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন- এই দেড় বছরের যাত্রাপথকে কেবল রাজনৈতিক ক্যালেন্ডারের ধারাবাহিকতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। এটি ছিল রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের পুনর্বিবেচনা, ক্ষমতার ধারণার পুনর্নির্মাণ এবং রাজনৈতিক বৈধতার নতুন পরীক্ষা। যে বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মাঝামাঝি উত্তাল রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল, সেই বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্যালট বাক্সের সামনে দাঁড়িয়ে এক নতুন সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে। এই দুই দৃশ্যের মধ্যে যে পথ, সেটি সরল ছিল না; ছিল অস্থির, দ্বিধাগ্রস্ত- কখনো আশাবাদী, কখনো আশঙ্কায় ভরা।

অভ্যুত্থান শব্দটি আমরা সহজে উচ্চারণ করি, কিন্তু তার ভিতরে থাকে বহু স্তরে জমে থাকা ক্ষোভ। ২০২৪ সালে মানুষ রাস্তায় নেমেছিল হঠাৎ করে নয়। তার আগে ছিল দীর্ঘ রাজনৈতিক মেরুকরণ, নির্বাচনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক, প্রশাসনিক পক্ষপাতের অভিযোগ, মানবাধিকার প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, অর্থনৈতিক চাপ এবং মধ্যবিত্তের অনিশ্চয়তা। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষত ছাত্রসমাজ, আন্দোলনের দৃশ্যমান মুখ হয়ে ওঠে। কিন্তু তাদের পেছনে ছিল বৃহত্তর এক সামাজিক স্রোত, যারা হয়তো রাস্তায় নামেনি, কিন্তু পরিবর্তনের পক্ষে মনস্তাত্ত্বিকভাবে অবস্থান নিয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ আন্দোলনের গতি বাড়িয়েছে, রাষ্ট্রীয় বয়ানের বিকল্প তৈরি করেছে এবং আন্তর্জাতিক নজর আকর্ষণ করেছে।

রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া প্রথমে ছিল নিয়ন্ত্রণমূলক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, এটি কেবল আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়; এটি রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্ন। যখন রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নাগরিক আস্থা ক্ষয়ে যায়, তখন বল প্রয়োগ সাময়িক নিয়ন্ত্রণ দিতে পারে, স্থায়ী সমাধান নয়। ২০২৪ সালের সেই অস্থির মাসগুলোতে বাংলাদেশ এক অদ্ভুত সীমানায় দাঁড়িয়ে ছিল। একদিকে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা, অন্যদিকে বৈধতার সংকট। অবশেষে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে এবং একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন দায়িত্ব নেয়।

অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে যায়। একটি দল ক্ষমতাচ্যুত, আরেকটি দল পুনরুজ্জীবিত, নতুন কিছু রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করে। ছাত্র নেতৃত্বাধীন প্ল্যাটফর্মগুলো রাজনৈতিক দল গঠনের কথা ভাবে। পুরোনো দলগুলো নিজেদের সংস্কারের কথা বলে।

কিন্তু বাংলাদেশে দলীয় রাজনীতির বড় সমস্যা হলো অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাব। নেতৃত্বের কেন্দ্রীকরণ, অর্থের প্রভাব, পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক কাঠামো-এসব যদি না বদলায়, তাহলে কেবল মুখ বদলালেও কাঠামো বদলাবে না।

জিল্লুর রহমানঅন্তর্বর্তী সময়টি ছিল প্রত্যাশা ও সংশয়ের মিশ্রণ। মানুষ দ্রুত বিচার চাইছিল, আবার একই সঙ্গে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের রূপরেখা দেখতে চাইছিল। সংস্কারের আলোচনা শুরু হয়। সংস্কার কমিশন, ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়, প্রস্তাব আসে, কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি। সংবিধানের বিতর্কিত ধারাগুলো সামনে আসে। নির্বাচন কমিশনের গঠন ও ভূমিকা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-সবই আলোচনার কেন্দ্রে। কিন্তু আন্দোলনের ঐক্যকে শাসনের ঐক্যে রূপান্তর করা সহজ নয়। যারা একসঙ্গে রাস্তায় ছিল, তারা ক্ষমতার কাঠামো নিয়ে একমত ছিল না। কেউ আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন চেয়েছে। কেউ বলেছে- দ্রুত নির্বাচনই স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ।

এই সময়টায় একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে-অন্তর্বর্তী প্রশাসন কি কেবল সেতুবন্ধ, নাকি নিজেই একটি রাজনৈতিক সত্তা হয়ে উঠছে? ইতিহাসে আমরা দেখেছি, অনেক অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতার স্থায়িত্বের দিকে ঝুঁকেছে। বাংলাদেশে সেই আশঙ্কা নিয়ে বিতর্ক ছিল। তবে একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, প্রশাসনিক কাঠামোর গভীরে যে দীর্ঘদিনের অভ্যাস ও আনুগত্য তৈরি হয়েছিল, তা দেড় বছরে পাল্টানো যায় না। ফলে সংস্কার প্রক্রিয়া কখনো দ্রুত, কখনো থমকে গেছে।

বিচারের প্রশ্নটি ছিল সবচেয়ে সংবেদনশীল। অভ্যুত্থানের আগে ও চলাকালে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তার বিচার দাবি করেছিল মানুষ। সাবেক শাসকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু এখানেই সূক্ষ্ম সীমারেখা, ন্যায়বিচার ও প্রতিশোধের মধ্যে পার্থক্য। অভিযোগ গঠন ছাড়া দীর্ঘ আটক, ঢালাও আসামি করা-এসব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটি নতুন বাংলাদেশ কি আইনের শাসনের ভিত্তিতে দাঁড়াবে, নাকি রাজনৈতিক আবেগের ভিত্তিতে? এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়, তবে এটি নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

বিশ্বের বহু দেশে গণ অভ্যুত্থানের পর ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ কমিশনের মডেল অনুসৃত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা- তারা শান্তি ও পুনর্মিলনের একটি ভারসাম্য খুঁজেছে। বাংলাদেশও কি সেই পথে হাঁটবে, নাকি দ্বন্দ্বকে দীর্ঘস্থায়ী করবে-এ প্রশ্ন এখনো খোলা।

এ প্রেক্ষাপটে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচন আসে। দীর্ঘ বিতর্ক, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক দরকষাকষির পর ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান দলগুলো অংশ নেয়। যদিও আওয়ামী লীগ এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। ভোটার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। অনিয়মের অভিযোগও ছিল। তবে সামগ্রিকভাবে নির্বাচন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক রায় দিয়েছে। সেই রায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি ও তার মিত্রদের ক্ষমতায় এনেছে। বহু বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম, নির্বাসন, আইনি জটিলতা পেরিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।

নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া গণতন্ত্রের শেষ নয়; এটি শুরু। প্রকৃত পরীক্ষা হবে-বিরোধী দলের জন্য রাজনৈতিক পরিসর খোলা রাখা, মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখায়।

বাংলাদেশ বহুবার দেখেছে, ক্ষমতার পালাবদল হলেও রাজনৈতিক সংস্কৃতি অপরিবর্তিত থাকে। যদি নতুন সরকার একই কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার পথে হাঁটে, তাহলে ইতিহাসের চাকা ঘুরে আবার সংকট ফিরে আসবে।

এ মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটেছে। ২০২৪ সালের রাজপথের স্লোগান এখন রাষ্ট্রীয় শপথের ভাষায় রূপ নিয়েছে। আন্দোলনের আবেগ এখন প্রশাসনিক ফাইলে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে, বাজেট প্রস্তাবে। এখানেই প্রকৃত পরীক্ষা। আন্দোলন প্রশ্ন তোলে; শাসন উত্তর দেয়। আন্দোলন ভাঙে; শাসন গড়ে। তারেক রহমানের সরকার যদি আন্দোলনের শক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে, তাহলে ২০২৪ কেবল একটি ক্ষণস্থায়ী বিস্ফোরণ নয়, একটি রূপান্তরের সূচনা হিসেবে স্মরণীয় হবে।

নতুন সরকারের সামনে তিনটি অবিচ্ছিন্ন চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী- এসব প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি। বিরোধী দল ও ভিন্নমতকে রাজনৈতিক পরিসরে জায়গা দেওয়া। তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা। মুদ্রাস্ফীতি, রিজার্ভসংকট, বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা-এসব মোকাবিলা ছাড়া রাজনৈতিক স্থিতি টেকসই হবে না।

অর্থনীতি এখানে কেন্দ্রীয়। অভ্যুত্থানের সময় অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ধাক্কা লেগেছিল। আন্তর্জাতিক বাজার বাংলাদেশের দিকে সতর্ক নজর রেখেছিল। এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা, বাণিজ্য সুবিধা, রপ্তানি বাজার-এসব প্রশ্ন নতুন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ১৮০ দিনে অর্থনৈতিক বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদি স্বচ্ছতা, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতি দৃশ্যমান হয়, তাহলে আস্থা ফিরবে। অন্যথায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও প্রশ্নের মুখে পড়বে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি দ্রুত বদলাচ্ছে। ভারত স্থিতিশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ প্রতিবেশী চায়। চীন তার কৌশলগত প্রকল্পগুলোর ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে আগ্রহী। পশ্চিমা দেশগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মানদণ্ড ও মানবাধিকারের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারেক রহমানের সরকারকে একাধিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। পররাষ্ট্রনীতির এই সূক্ষ্ম ভারসাম্যই অনেক সময় অভ্যন্তরীণ স্থিতির ওপর প্রভাব ফেলে। এখানে আরেকটি গভীর প্রশ্ন সামনে আসে- বাংলাদেশের গণতন্ত্র কি ব্যক্তিনির্ভর, নাকি প্রাতিষ্ঠানিক? আমরা বহুবার দেখেছি, একজন নেতা গেলে পুরো কাঠামো নড়বড়ে হয়ে যায়। যদি প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী না হয়, তাহলে রাজনৈতিক চক্র ঘুরে আবার সংকট ফিরে আসে। ২০২৪-২৫ অধ্যায়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো এখাইেন- গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব ব্যক্তির ওপর নয়, প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল। গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। অভ্যুত্থানের সময় তারা সক্রিয় ছিল। এখন তাদের দায়িত্ব আরও কঠিন-ক্ষমতার সমালোচনা, স্বচ্ছতার দাবি এবং মানবাধিকারের প্রশ্নে আপসহীন থাকা। নতুন সরকার যদি সমালোচনাকে সহনশীলতার সঙ্গে গ্রহণ করে, তাহলে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাবে। যদি না করে, তাহলে পুরোনো অভ্যাস ফিরে আসবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা দেখেছি, ক্ষমতার পালাবদল হলেও রাজনৈতিক সংস্কৃতি একই থাকে। কেন্দ্রীয়করণ, পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক রাজনীতি, প্রশাসনিক আনুগত্য-এসব যদি না বদলায়, তাহলে অভ্যুত্থান কেবল নেতৃত্বের পরিবর্তন হিসেবে থেকে যাবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু সুযোগ নিজে থেকে পরিবর্তন আনে না; আনে সিদ্ধান্ত, নীতি ও আচরণ।

এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে সম্ভাবনা ও আশঙ্কা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে একটি নতুন সামাজিক চুক্তির সম্ভাবনা, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা নিয়মের ভিতরে থাকবে, বিরোধিতা শত্রুতা হবে না এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে বারবার বিতর্ক উঠবে না। অন্যদিকে আছে ক্ষমতার পুনঃকেন্দ্রীকরণের ঝুঁকি, যেখানে নতুন নেতৃত্ব পুরোনো কৌশল অনুসরণ করে। ২০২৪-এর গণ অভ্যুত্থান মানুষের সাহস দেখিয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সেই সাহসকে সাংবিধানিক কাঠামোর ভিতরে নিয়ে এসেছে। এখন প্রশ্ন-এ কাঠামো কি দৃঢ় হবে? তারেক রহমানের সরকার কি প্রজ্ঞা ও সংযম দেখাবে? বিরোধীরা কি দায়িত্বশীল ভূমিকা নেবে? নাগরিক সমাজ কি সতর্ক থাকবে? ইতিহাসের এমন সময় খুব বেশি আসে না, যখন একটি দেশ একসঙ্গে অতীতকে পেছনে ফেলে ভবিষ্যৎ নির্মাণের সুযোগ পায়। বাংলাদেশ সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। ২০২৪-এর রাস্তায় যে কণ্ঠস্বর উঠেছিল, সেটি এখন সংসদের ভিতরে প্রতিধ্বনিত হওয়ার কথা। যদি সেই প্রতিধ্বনি নীতিতে রূপ নেয়, তাহলে এই অধ্যায় হবে পুনর্জন্মের। যদি না নেয়, তাহলে ইতিহাস আবার নিজেকে পুনরাবৃত্তি করবে। অভ্যুত্থান ছিল আবেগের বিস্ফোরণ। নির্বাচন ছিল সেই আবেগের সাংবিধানিক অনুবাদ। এখন শাসন, সেই অনুবাদের অর্থ নির্ধারণ করবে। বাংলাদেশ দেখছে, অপেক্ষা করছে এবং মনে মনে প্রশ্ন করছে-এ পরিবর্তন কি স্থায়ী হবে? নাকি এটি আরেকটি চক্রের সূচনা?

উত্তর নির্ভর করছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দূরদর্শিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সাহস এবং নাগরিকদের সতর্কতার ওপর। ২০২৪ থেকে ২০২৬-এই সংক্ষিপ্ত সময় আমাদের শিখিয়েছে, গণতন্ত্র কখনো স্থির নয়; এটি এক চলমান প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়াকে টেকসই করা এখন আমাদের সবার দায়িত্ব।

ইতিহাস অপেক্ষা করছে। জনগণও। অভ্যুত্থান সাহস দেখিয়েছে। এখন প্রয়োজন স্থিতি, প্রজ্ঞা এবং ন্যায়ভিত্তিক শাসন। বাংলাদেশের ২০২৪-২৫ অধ্যায় শেষ হয়নি-এটি কেবল শুরু।

লেখক : প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই
এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই

৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল

৮ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত
সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | পরবাস

লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস
লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী
কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | পরবাস

উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন

৩১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু
ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু

৩১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

৩৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

৪০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা
ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়
নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা