শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

এক সুতোয় বাঁধা

ফরিদা আক্তার ববিতা
প্রিন্ট ভার্সন
এক সুতোয় বাঁধা

মানুষের জীবনে কখনো কখনো এমন সময় আসে যখন কবিতার সৌন্দর্য, গানের সুর, চিত্রকর্মের মাধুর্য কিংবা চলচ্চিত্রের তৈরি করা বিহ্বলতার কোনো আবেদন থাকে না। তখন সব কিছুর কেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় কেবল অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

 

চলচ্চিত্রের বিপ্লবী দায়িত্ব গ্রহণের পরিক্রমায় ইতিহাসের অতি গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে আমরা পাই একজন জহির রায়হানকে। বাংলাদেশের জন্ম প্রক্রিয়াকে যদি সেলুলয়েডের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়, তবে জহির রায়হান তার সবচেয়ে বড় পথিকৃৎ। পাশাপাশি জহির রায়হানের চলচ্চিত্রের বিবর্তন এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম অনেকটাই গা-ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। বলা যায়, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম পুরো যাত্রাটাকে কেউ চাইলে জহির রায়হানের চলচ্চিত্র দিয়েও বুঝে নিতে পারবে। বলা যায়, জহির রায়হানের চলচ্চিত্র ভাবনা ও বাংলাদেশের জন্ম এক সুতোয় বাঁধা।

‘জীবন থেকে নেয়া’ জহির রায়হানের সবচেয়ে আলোচিত ও ট্রেডমার্ক চলচ্চিত্র। এ যাবৎ ছবিটি নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। যখন আপনার মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যখন আপনার প্রতিটি পদক্ষেপে রাখা হয় নজরদারি, তখন কীভাবে আপনি নিজের কথা বলবেন, তার সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত এই ছবিটি। নিছক সাধারণ এক পারিবারিক গল্পের আবহে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ধাক্কা দিয়ে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো ছবি এটা। প্রথম ছবি কখনো আসেনি-র মতো এই ছবির পোস্টারও ছিল চমকপ্রদ। যেখানে লেখা ছিল, ‘একটি সংসার, একটি চাবির গোছা, একটি আন্দোলন’। এটুকুই সম্ভবত পুরো ছবিটি নিয়ে বড় একটি বার্তা দিয়ে দেয়। রূপককে কোনো টেক্সটের কেন্দ্রে নিয়ে এসে কীভাবে মূল গল্পটাকে প্রান্তে ঠেলে দিয়ে নিজের বক্তব্য বলে ফেলা যায়, সেটি দুর্দান্ত মুন্শিয়ানায় দেখিয়ে দিয়েছেন জহির রায়হান। এই যে কৌশলী অবস্থান, এটা আমরা এর কয়েক বছর আগে আরেকটি উপন্যাসে দেখি, সেটি ছিল শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি। আরব্য রজনীর মতো গল্প বলার ভঙ্গিতে স্বৈরশাসক ও নিপীড়নকারীদের দাঁত-ভাঙা জবাব দিয়েছিলেন শওকত ওসমান। আর চলচ্চিত্রে একই কাজটা বুদ্ধিদীপ্তভাবে করেছেন জহির রায়হান।

পাশাপাশি আগের কাজগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে ছবিটা সাধারণ দর্শকদের কাছে যেন উপভোগ্য হয় সেদিকেও দৃষ্টি ছিল তাঁর। এ ছবিতে গল্প বলার এমন অভিনব একটা উপায় জহির রায়হান খুঁজে নিয়েছিলেন, কেউ যদি রাজনৈতিক সচেতনতাকে দূরে সরিয়ে রেখে এ ছবিটি দেখে, তবু সে কোনো বিরক্তি ছাড়াই দারুণভাবে ছবিটি উপভোগ করতে পারে। আর এ কারণেই ছবিটি নিজের সময়কে ছাপিয়ে গিয়ে এখনো সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তবে সত্যি কথা হচ্ছে, আড়ালে থাকা রাজনৈতিক ভাষ্যই এ ছবিকে ধ্রুপদী মর্যাদায় উন্নীত করেছে। এই ছবি নিয়ে চিত্রনায়িকা ও স্ত্রী সুচন্দাকে জহির রায়হান বলেছিলেন, ‘আমি এমন একটা ছবি বানাতে চাই যেখানে দেশের কথা থাকবে; থাকবে ভাষা দিবসের কথা। ছবিটা দেখে মানুষ উপলব্ধি করবে আমাদের স্বাধিকার দরকার, কিন্তু আমি সেটা বলতে চাই একটা সুন্দর গল্পের মধ্য দিয়ে।’

এই কথাটুকুই স্পষ্ট করে দেয়, জহির রায়হান মূলত ছবিটা নিছক স্লোগানসর্বস্ব কিছু করে তুলতে চাননি। হ্যাঁ, রাজনৈতিক বিধিনিষেধ কিংবা সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু সেটাই সম্ভবত এ ছবিটির জন্য শাপে বর হয়ে এসেছে। আমরা যদি জহির রায়হানের রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করি, তবে এ ছবিটি জহির রায়হানের পুরো রাজনৈতিক জীবন ও দৃষ্টিভঙ্গির চক্রও পূরণ করেছে। অর্থাৎ ভাষা

আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাভাস। সবটাই যেন এ ছবিতে পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে তিনি যা বলেছিলেন, ‘সুন্দর গল্পের মধ্য দিয়ে ছবিটা বানানো’, যা সম্ভবত তিনি সব সময় করতে চেয়েছেন। প্রথম চলচ্চিত্রেই যার শুরুটা আমরা দেখতে পেয়েছিলাম। কিন্তু রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে কেবলই নান্দনিকতায় গা ভাসিয়ে দেওয়ার মতো মানুষও তিনি ছিলেন না। ফলে দুটোর মাঝামাঝি একটা অবস্থানই হয়তো তিনি খুঁজে নিতে চেয়েছিলেন। যা তিনি খুঁজে পান জীবন থেকে নেয়া-এ এসে। আর এই মিথস্ক্রিয়া আমাদের উপহার দেয় ইতিহাসের অন্যতম সেরা ছবিটি। যার নতুনত্ব ও রেশ এখনো অমলিন।

‘জীবন থেকে নেয়া’র পরই শুরু হয় কঠিন লড়াইয়ের এক বাস্তব গল্পের। মানুষের জীবনে কখনো কখনো এমন সময় আসে যখন কবিতার সৌন্দর্য, গানের সুর, চিত্রকর্মের মাধুর্য কিংবা চলচ্চিত্রের তৈরি করা বিহ্বলতার কোনো আবেদন থাকে না। তখন সব কিছুর কেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় কেবল অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন। মানবিকতা তখন ধুলোয় লুটাতে থাকে এবং মানুষের কদর্যতা সব মানবিক সীমাকে ভেঙেচুরে দিয়ে আঘাত করে তীব্রভাবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তেমনই একটি সময় ছিল ১৯৭১। যা ইতিহাসের বর্বরতম এবং নৃশংস এক সময়ের দলিলও। ২৬ মার্চ কালরাতে অপারেশন সার্চলাইট দিয়ে শুরু হয় এই নৃশংস অধ্যায়ের। শুরু হয় মানবিকতাকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে অবিশ্বাস্য এক গণহত্যার। যার জবাব দিতে অবশ্য দেরি করেনি স্বাধীনতাকামী জনগণ। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। একটি যুদ্ধ মানে কেবল অস্ত্র হাতে লড়াই করা নয়; কিংবা রূপকথাময় এককেন্দ্রিক কোনো বয়ান নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আরও অনেক লড়াই। তেমনই একটি লড়াই জহির রায়হান করেছিলেন স্টপ জেনোসাইড দিয়ে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণের অসামান্য এক উদ্যোগ ছিল এটি। একটি দেশের লড়াই এবং তারও পর হয়ে যাওয়া নিকৃষ্টতর নিপীড়নকে ধরে রাখার জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো মাধ্যম আর হতে পারত না। ক্যামেরাকে অস্ত্র বানিয়ে ঠিক সেই কাজটাই করেছেন জহির রায়হান। একটি জাতিগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে একটি প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী কতটা বর্বর হয়ে উঠতে পারে, তা সম্ভবত স্টপ জেনোসাইড না দেখলে উপলব্ধি করা যেত না। প্রথমত, এটি ইতিহাসকে লিপিবদ্ধ করে রাখার একটি প্রক্রিয়া, যার প্রভাব অনেক দূর অবধি বিস্তৃত। এর বাইরে আছে এটির তাৎক্ষণিকতা বা সময়ের প্রয়োজনীয়তাও। তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ধরনের কাজের প্রভাব হয় বিস্ফোরণের মতো। জীবন থেকে নেয়ার ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছে। মানুষের ওপর নির্মমতা কত দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে এবং মানুষ মানবিকতার সমস্ত দেয়াল ভেঙে নিজেকে কতটা বর্বর করে তুলতে পারে, এটি ছিল তার দলিল। এই চলচ্চিত্র বানাতে জহির রায়হানকে যেতে হয়েছিল ভয়ঙ্কর এক সময়ের ভিতর দিয়ে। ছবিটি বানাতে জহির রায়হানকে কতটা সংগ্রাম করতে হয়েছিল, তা উঠেছে আরেক প্রখ্যাত নির্মাতা আলমগীর কবিরের এক লেখায়, ‘ঘরে স্ত্রী সুচন্দা অজ্ঞান। বড় ছেলে অপুও অসুস্থ। জহির ঘরে নেই। স্টুডিওতে। দিন নেই, রাত নেই, ঘুম নেই, স্টপ জেনোসাইড তৈরি  করছে। তিনি জানতেন স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রচারই যথেষ্ট নয়। বিশ্বের সব পরাধীন শোষিত মানুষের সংগ্রামের সঙ্গে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের একাত্মতা বোঝাতে হবে এ ছবির মাধ্যমে।’ হ্যাঁ, জহির রায়হান তা করতে পেরেছেন। মানুষের কোনো কিছু করতে চাওয়ার অদম্য ইচ্ছা জহির রায়হানকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছে এ কাজটি।

যা আরও কয়েক শ বছর পরও এ দেশের মানুষের ওপর হয়ে যাওয়া এক নারকীয় অধ্যায়ের বিবরণ হয়ে নিজের ভাষাতেই কথা বলবে।

লেখক : চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও প্রযোজক

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

২ মিনিট আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

৫৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা
ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়
নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে
চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল
ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা
সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের
হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ
তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে হজে যাচ্ছেন ৫৭৫৬ যাত্রী
দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে হজে যাচ্ছেন ৫৭৫৬ যাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যে অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা
যে অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘরের মাঠে ম্যানইউর কাছে হারল চেলসি
ঘরের মাঠে ম্যানইউর কাছে হারল চেলসি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু
সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’
১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা