শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

সাক্ষাৎকার - আশরাফুল হুদা

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রিন্ট ভার্সন
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। এখানে দুই পক্ষেরই আলাদা দায়িত্ব আছে। যদি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা রাজনৈতিক প্রভাব খোঁজেন, সেটি যেমন ভুল; তেমনি রাজনৈতিক নেতাদেরও উচিত সেই সুযোগ না দেওয়া।

 

চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনকালে দেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে চর্চিত শব্দ ‘পুলিশ’ এবং ‘আইনশৃঙ্খলা’। এসব বিষয়ে খোলামেলা নিজের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও সাবেক ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আশরাফুল হুদা। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি সাখাওয়াত কাওসার।

 

প্রশ্ন : ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। সেই সময় অনেকেই লক্ষ করেছেন, পুলিশ বাহিনীও এক ধরনের ট্রমার মধ্যে ছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লেগেছে, মব সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। আপনার মতে, সেই ট্রমা কাটিয়ে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে ফিরতে পুলিশের এত সময় লাগল কেন?

আশরাফুল হুদা : এ প্রশ্নটি বোঝার জন্য আমাদের একটু পেছনের প্রেক্ষাপটে যেতে হবে। প্রায় দেড় দশক ধরে রাষ্ট্রের অনেক প্রতিষ্ঠানই বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের মধ্যে কাজ করেছে। পুলিশও তার ব্যতিক্রম নয়। এর ফলে বাহিনীর ভিতরে কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। যখন হঠাৎ করে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে, তখন সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সময় লাগে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সেটি ছিল অত্যন্ত অস্থির। বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ হয়েছে, থানায় হামলা হয়েছে, পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। অনেক পুলিশ সদস্যও তখন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এ ধরনের পরিস্থিতি যে কোনো বাহিনীর মধ্যেই মানসিক চাপ তৈরি করে। ফলে বাহিনীকে আবার সংগঠিত করে স্বাভাবিক দায়িত্বে ফিরতে সময় লাগাটা অস্বাভাবিক নয়। তবে ইতিবাচক বিষয় হলো, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ আবার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছে। আমার মতে, এখন পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল।

প্রশ্ন : ৫ আগস্টের পর প্রথমদিকে ইন-সার্ভিস কর্মকর্তাদের দিয়েই দায়িত্ব পরিচালনা করা হচ্ছিল। পরে দেখা গেল অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে কমিশনার থেকে শুরু করে আইজিপি পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হলো। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বাহিনীর ভিতরে কিছু অসন্তোষের কথাও শোনা গেছে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এভাবে দায়িত্ব দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত?

আশরাফুল হুদা : আমার দৃষ্টিতে বিষয়টি পুরোপুরি অযৌক্তিক ছিল না। কারণ তখন পুলিশের উচ্চপর্যায়ে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেক কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন, কেউ আত্মগোপনে ছিলেন, কেউ আবার আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছিলেন। ফলে নেতৃত্বের জায়গায় একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। এ অবস্থায় অভিজ্ঞ ও সিনিয়র অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যাতে বাহিনীর ভিতরে দ্রুত একটি স্থিতিশীল কমান্ড কাঠামো তৈরি করা যায়। অভিজ্ঞতার বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় সংকটের মুহূর্তে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব প্রয়োজন হয়, যারা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন। তারা তো দেশের ইতিহাসে সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। যা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য খুব দরকার ছিল।

প্রশ্ন : ইন-সার্ভিস কর্মকর্তাদের ওপরই আস্থা রাখা যেত না? তাতে কি সমস্যা তৈরি হতো?

আশরাফুল হুদা : বাহিনীর কমান্ড ধরে রাখা খুব জরুরি ছিল ওই সময়। ওই মুহূর্তে নিচের থেকে হঠাৎ করে কাউকে ওপরে বসিয়ে দিলে আরও ডিফিকাল্ট হতো। বাস্তবতার দিক থেকে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকত। নেতৃত্বের একটি স্বাভাবিক ধাপ থাকে। একজন কর্মকর্তা ধীরে ধীরে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সেই অভিজ্ঞতা ছাড়া হঠাৎ করে খুব উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে অনেক সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই সে সময় অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আনা হয়েছিল যারা পুরো বাহিনীকে দ্রুত সংগঠিত করতে পারবেন।

প্রশ্ন : মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় ১৮ মাসে মব সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনায় তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আপনি বিষয়টি কীভাবে দেখেন?

আশরাফুল হুদা : মব সহিংসতার বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগজনক। তবে এটিকে শুধু পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবে দেখলে পুরো বাস্তবতা বোঝা যাবে না। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর একটি অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই সুযোগে অনেক জায়গায় ব্যক্তিগত প্রতিশোধ বা স্বার্থ হাসিলের জন্য মবের নামে সহিংসতা ঘটেছে। অবশ্যই পুলিশের দায়িত্ব ছিল দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সেই সক্ষমতা আবার অর্জন করেছে বলেই আমি মনে করি।

প্রশ্ন : পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম নিয়েও সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন থেকেও আপত্তি জানানো হয়েছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখেন?

আশরাফুল হুদা : ইউনিফর্ম একটি বাহিনীর পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কিছু বিষয় বিবেচনা করা জরুরি। প্রথমত, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মতামত নেওয়া উচিত। দ্বিতীয়ত, দেশের আবহাওয়া ও কাজের পরিবেশ বিবেচনা করতে হবে। যদি এসব বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো, তাহলে এ ধরনের বিতর্ক হয়তো উঠত না। ইউনিফর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি খুব তাড়াহুড়ো করে করা হয়েছে। যা ঠিক হয়নি।

প্রশ্ন : পুলিশে দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বাস্তবতা বিবেচনায় এটি নিয়ন্ত্রণে কী করা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?

আশরাফুল হুদা : দুর্নীতি শুধু পুলিশের সমস্যা নয়; এটি পুরো সমাজের একটি বড় সমস্যা। তবে পুলিশের ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও শাস্তির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অপরাধ করলে দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, আবার ভালো কাজের স্বীকৃতিও দিতে হবে। পুরস্কার ও শাস্তি এই দুই ব্যবস্থাকে সমানভাবে কার্যকর করতে পারলে অনেক সমস্যা কমে যাবে। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার জন্য রাজনীতিবিদদের এগিয়ে আসতে হবে। সিনিয়র অফিসারদের সুপারভিশন আরও বাড়াতে হবে। অপরাধ করলে সাজা দিতে হবে। ভালো কাজের জন্য পুরস্কারও দিতে হবে। একজন মানুষের ঢাকা শহরে পরিবার নিয়ে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগসুবিধা না দিয়ে তার কাছ থেকে শুধু ভালো রেজাল্ট প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না। জনগণেরও কিন্তু এখানে একটা বিরাট ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। কারণ ২৪ আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে।

প্রশ্ন : পুলিশের ভিতরে আরও শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নজরদারি বা কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স ব্যবস্থা দরকার বলে অনেকে মনে করেন। আপনি কি একমত?

আশরাফুল হুদা : হ্যাঁ, আমি মনে করি অভ্যন্তরীণ নজরদারি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো বড় প্রতিষ্ঠানে একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ তদারকি ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। পুলিশের মধ্যেও এমন একটি কাঠামো থাকতে পারে, যারা নিয়মিতভাবে বাহিনীর ভিতরের অনিয়ম পর্যবেক্ষণ করবে।

প্রশ্ন : পুলিশের ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা সম্ভব কীভাবে?

আশরাফুল হুদা : রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। এখানে দুই পক্ষেরই আলাদা দায়িত্ব আছে। যদি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা রাজনৈতিক প্রভাব খোঁজেন, সেটি যেমন ভুল; তেমনি রাজনৈতিক নেতাদেরও উচিত সেই সুযোগ না দেওয়া। কোনো মন্ত্রী মহোদয়কে তার নিজ জেলার পুলিশ সুপার যদি বলেন, ‘স্যার আমি আপনার লোক। তখন ওই মন্ত্রীর উচিত হবে, ওই দিনই ওই পুলিশ অফিসারকে ওখান থেকে তাড়ানো। তার ইউনিফর্মটা খোলার ব্যবস্থা করা। তাকে বলতে হবে, ‘তুমি যখন আমার লোক, তখন তোমার ইউনিফর্ম পরার দরকার নাই। তুমি আসো। আমার ব্যক্তিগত কাজগুলো কর।’ তবে অনেক রাজনীতিবিদ তাদের প্রশ্রয় দেন। তবে যেসব পুলিশ অফিসার এসব রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য চেষ্টা করেন তাদের বিষয়ে যদি বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাহলে আমি নিশ্চিত, এটা বহুলাংশে কমে আসবে। জনগণও প্রকৃত সেবাটা পুলিশের কাছ থেকে পাবে।

প্রশ্ন : অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে আপনার মতামত কী?

আশরাফুল হুদা : সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। অনেক সময় আমরা ভালো সুপারিশ করি, কিন্তু বাস্তবায়ন করি না। বাস্তবায়নই আসল বিষয়। আমি একটি দলের পুলিশ সংস্কার কমিটির সদস্য ছিলাম। সংস্কার কমিশনের রিপোর্টের সঙ্গে আমাদের রিপোর্ট ৯০ শতাংশ মিলে গেছে। একটা সাজেশন ছিল যে, পুলিশ কমিশন তৈরি করা হবে। তবে কমিশনে কে চেয়ারম্যান হবেন? কে মেম্বার হবেন? এটা বড় কথা নয়। কাজটাই হবে সবচেয়ে বড় বিষয়।

প্রশ্ন : পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সংস্কার কমিশনের কাছে দেওয়া প্রস্তাবনায় দুই পুলিশ বিভাগে দুই স্তরে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যমান তিন স্তরের চেয়ে আরও এক স্তরে অর্থাৎ এএসআই পদে নিয়োগ দিয়েছে। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখেন?

আশরাফুল হুদা : নিয়োগে তিনটা টায়ার থেকে দুই টায়ার নিয়ে আসা সম্ভব ছিল। এটা ভালো হতো। পদোন্নতিসহ অনেক জটিলতার নিরসন হতো।

প্রশ্ন : ভবিষ্যতে আপনি বাংলাদেশ পুলিশকে কেমন দেখতে চান?

আশরাফুল হুদা : আমি চাই পুলিশ সত্যিকার অর্থে জনগণের বন্ধু হয়ে উঠুক। থানার সামনে লেখা থাকে ‘সেবাই পুলিশের ধর্ম’ এ কথাটি যেন বাস্তবেও প্রতিফলিত হয়। পুলিশ যদি মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে, তাহলে জনগণও পুলিশকে সহযোগিতা করবে। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অনেক সহজ হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একের পর এক যেভাবে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও তাদের জীবনাচরণ পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। ঠিক এ বিষয়টিই যদি আইজিপি তাঁর অধস্তনদের ওপর প্রয়োগ করতে পারেন, থানার ওসি যদি তাঁর আচরণের মাধ্যমে কনস্টেবলের ওপর ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করতে পারেন, তাহলে পুলিশ দ্রুতই জনগণের সত্যিকারের বন্ধু হয়ে উঠবে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন

এই মাত্র | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু
ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

১১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু

১৯ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা
ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়
নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে
চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল
ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা
সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের
হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ
তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’
১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা