শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৬, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

ড. বদিউল আলম মজুমদার
প্রিন্ট ভার্সন
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে সুসংহত করার ক্ষেত্রেও নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নির্দলীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলীয় ভিত্তিতে একক প্রার্থী মনোনীত করা হয় না বলে, নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

 

২০১১ সালের ১ জানুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় ছোট প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা অনেকেরই হয়তো দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়েছে। প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক খুনাখুনির ঘটনা উদ্বেগজনক : চিদাম্বরম’। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, “ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যকে সম্প্রতি লিখিত এক চিঠিতে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক খুনের ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাজ্যের অনেক স্থানে আইনশৃঙ্খলা বলে যে কিছু নেই তা এসব খুনোখুনির ঘটনায় প্রমাণিত। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন- দলীয় ক্যাডাররাই যদি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব হাতে তুলে নেয়, তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা কী?” এ প্রতিবেদনটি প্রণিধানযোগ্য এবং এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, কারণ বাংলাদেশে আমরাও সেই পথে যাচ্ছি।

বহুদিন থেকেই আমাদের দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিন্তু পশ্চিম বাংলার পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী আনিসুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে ৪ আগস্ট ২০১০ তারিখে আমাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম প্রথম দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষণা দেন। গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ ব্যবস্থা অব্যাহত ছিল। তবে গত দেড় দশকের অভিজ্ঞতার আলোকে এটি সুস্পষ্ট যে, সিদ্ধান্তটি ছিল আত্মঘাতী।

আমাদের কিছু কিছু রাজনীতিবিদ নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিপক্ষে, কারণ তাঁরা মনে করেন, দলনিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা হবে অরাজনৈতিক বা রাজনীতি বিবর্জিত। তাঁদের কাছে রাজনীতি মানেই দল- দল ছাড়া তারা রাজনীতির কথা ভাবতেই পারেন না, ফলে দলীয় পরিচয়ের বাইরের নির্বাচনকে তারা ‘বিরাজনীতিকীকরণ’ বলে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু ‘নির্দলীয়’ আর ‘অরাজনৈতিক’ শব্দ দুটি সমার্থক নয়। বস্তুত, নির্বাচনই একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যা দলভিত্তিক হতে পারে, কিংবা নির্দলীয়ও হতে পারে। এ ছাড়াও দলনিরপেক্ষ হলেও দলের নেতা-কর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা থাকে না, তাই নির্দলীয় নির্বাচনকে বিরাজনীতিকীকরণ প্রক্রিয়া বলা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়।

প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক দলের মনোনয়নের ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন না করার কারণে বিরাজনীতিকীকরণের অভিযোগ তুললেও, বস্তুতপক্ষে আমাদের দেশে বিরাজনীতিকীকরণ হয়েছে মূলত ‘মনোনয়ন বাণিজ্যে’র ফলে। অর্থ নিয়ে কিংবা অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে অতীতে আমাদের দেশে মনোনয়ন, বিশেষত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন ‘বিক্রি’ হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদরা মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে আমাদের সংসদ হয়ে পড়েছে অনেকটা কোটিপতি ব্যবসায়ীদের প্রাইভেট ক্লাবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার পক্ষে একাধিক শক্ত যুক্তি রয়েছে। প্রথমত, এর মাধ্যমে ভোটারদের ‘চয়েস’ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিধি বৃদ্ধি পায়। স্থানীয় পর্যায়ে অনেক সমাজসেবী আছেন, যারা কোনো দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন বা যুক্ত হতে চান না, যদিও এ ধরনের ব্যক্তির সংখ্যা সমাজে দিন দিন কমে যাচ্ছে। বস্তুত, সমাজে মানুষ ক্রমবর্ধমান হারে দলীয়ভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ছে এবং তাদের মধ্যে দিন দিন হানাহানি বাড়ছে। তবে আমাদের মধ্যে এখনো এমন ব্যক্তি আছেন যারা অত্যন্ত যোগ্য, সম্মানিত এবং স্থানীয় মানুষের আস্থাভাজন। দলীয়ভিত্তিতে নির্বাচন হলে এসব ব্যক্তির নির্বাচিত হয়ে আসার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে, ফলে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, যার মাধ্যমে নিঃসন্দেহে জনকল্যাণ ব্যাহত হয়।

নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে আরেকটি যুক্তি হলো, এর মাধ্যমে দলবাজির সর্বনাশা প্রভাব তৃণমূলে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা সম্ভব। রাজনৈতিক দল গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু দলবাজি সম্পূর্ণই অনাকাক্সিক্ষত। বস্তুত, রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রের চালিকাশক্তি এবং দল ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর হতে পারে না। কিন্তু দলবাজি প্রতিফলিত হয় দলের প্রতি অন্ধ আনুগত্য, দলাদলি, দলীয়করণ ও দলীয় বিবেচনায় সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা সুযোগ-সুবিধা বিতরণ, যার বিরূপ প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক। পশ্চিম বাংলার ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতি এবং সিপিএম এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যাডারদের মধ্যে অতীতের মারামারি এবং বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির কর্মীদের মধ্যে হানাহানি বহুলাংশে দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচনেরই বিষফল বলে অনেক পর্যবেক্ষকের ধারণা। আমরাও ক্রমাগতভাবেই সেদিকেই যাচ্ছি।

দুর্ভাগ্যবশত দলবাজি ইতোমধ্যে আমাদের গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। ফলে নব্বইয়ের শুরুতে একতাবদ্ধ হলেও, আমরা আজ চরমভাবে একটি বিভক্ত জাতি, যার কারণ অতিরাজনীতিকরণ। আর এই বিভক্তি এবং পারস্পরিক হানাহানি জাতি হিসেবে আমাদের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে। কারণ ইতিহাসের শিক্ষা হলো, যে জাতি যত ঐক্যবদ্ধ, তারা তত উন্নত ও সমৃদ্ধ।

দলভিত্তিক নির্বাচনের মাধ্যমে শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যেই নয়, দলের অভ্যন্তরেও কোন্দল সৃষ্টি করতে পারে, যার ভবিষ্যৎ পরিণতি অশুভ না হয়ে পারে না। এ দলাদলি অহেতুক, কারণ দল মনোনয়ন প্রদান থেকে বিরত থাকলে, দলের মধ্যকার সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচিত হয়ে আসার সুযোগ পেত। এতে দল কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। পক্ষান্তরে দলভিত্তিক নির্বাচনের এ আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের কারণে বর্তমানে দলের মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের এবং বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি দেখা যায়, যার পরিণতি সহিংসতা। এর ফলে আমাদের দলগুলোর অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান হারে সহিংসতা বাড়ছে।

দলভিত্তিক নির্বাচনের মাশুল সাধারণ নাগরিকদেরও গুনতে হয়। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, যে সব এলাকায় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ছিলেন, সে সব এলাকায়ই বেশি সরকারি বরাদ্দ ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল। কোনো কোনো এলাকা এবং জেলার প্রতি পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। নিঃসন্দেহে এ ব্যবস্থা ন্যায়পরায়ণতার পরিপন্থি এবং সাধারণ মানুষ এর শিকার। এটা অবশ্য দলবাজির সমস্যা, দলের নয়। তাই দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে যে সব এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে নেই, দলবাজির সংস্কৃতির কারণে সে সব এলাকা কেন্দ্রীয় সম্পদ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের কেন্দ্রীভূত শাসন ব্যবস্থায় অধিকাংশ সম্পদই কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে এবং সম্পদ বিতরণ করা হয় অনেকটা অনুগ্রহ প্রদানের অংশ হিসেবে।     

দলভিত্তিক নির্বাচনের অভিজ্ঞতার নেতিবাচক দিক সম্পর্কে পশ্চিম বাংলার মন্ত্রী আনিসুর রহমান নিজে সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন। তিনি বলেন, দলীয়ভাবে প্রার্থী মনোনয়নে সব কিছু দলীকরণ করার মানসিকতা জন্মায়। ফলে গ্রাম পর্যায়ে জনগণ তাদের ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয় (একটি দৈনিক পত্রিকা, ৫ আগস্ট ২০১০)। এমনিতেই সব কিছুতে আমাদের দেশে দলীয়করণ চরম, যার ফলে বিরোধী দলের নেতা-কর্মী-সমর্থক ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে। এমনকি দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে, যাদের শক্তিশালী পৃষ্ঠপোষক নেই, তারাও বিভিন্ন ফায়দা থেকে বঞ্চিত হয়। দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে এ বঞ্চনা তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছবে এবং তা আরও ব্যাপকতা লাভ করবে বলে আমাদের আশঙ্কা।

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে সুসংহত করার ক্ষেত্রেও নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নির্দলীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলীয় ভিত্তিতে একক প্রার্থী মনোনীত করা হয় না বলে, নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ভোটারদের অনেক বেশি ‘চয়েস’ থাকে- তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৃত্ত প্রসারিত হয়। ফলে তাদের পক্ষে ভালো প্রার্থী খুঁজে পাওয়ার বেশি সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গুণগতমানে পরিবর্তন সাধনে সহায়তা করে। আর সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তিরা নির্বাচিত হলেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। অপেক্ষাকৃত যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোও আরও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।

দলভিত্তিক স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে যুক্তি হলো যে, এর মাধ্যমে দলীয় নীতি-আদর্শ বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়। এটি অনেকটা খোঁড়া যুক্তি, কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়িত্ব সব নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করা, দল বিশেষের নয়। এছাড়াও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণে তেমন ভূমিকা রাখেন না, ফলে তাদের পক্ষে দলীয় নীতি-আদর্শ বাস্তবায়নের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। উপরন্তু সাম্প্রতিককালের আমাদের রাজনৈতিক দলে নীতি-আদর্শ অনেকটা সেøাগানে পর্যবসিত হয়েছে এবং প্রধান দলগুলো বহুলাংশে ফায়দাবাজি এবং ব্যক্তি ও কোটারি স্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার হয়ে গিয়েছে। 

দলভিত্তিক নির্বাচনের পক্ষে আরেকটি যুক্তি হলো, এর ফলে স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও দলীয় শৃঙ্খলার অধীনে আসে। ফলে তাদের পক্ষে অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাস্তবতা তার উল্টো। আমাদের সমাজে অধিকাংশ অন্যায় ও গর্হিত কাজই পরিচালিত হয় সরাসরি দলের ছত্রছায়ায় অথবা দলীয় সমর্থনে। বস্তুত, দলের বিশেষত সরকারি দলের সমর্থন ছাড়া কেউ অপরাধ করে পার পায় না। এ ছাড়াও আমাদের দেশে অপরাধীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক দলীয় অনুশাসনের প্রয়োগ অনুপস্থিত বললেই চলে।  

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হলে দলের সংস্কার হবে অত্যন্ত জরুরি। দল নীতি-আদর্শ দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। দলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তিদের দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রদান করতে হবে। ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’ পরিহার করতে হবে। বর্জন করতে হবে ছলে-বলে-কলে-কৌশলে - ন্যায়-অন্যায়ের বাছবিচার না করে - যারা নির্বাচনে জিততে পারবে তাদের মনোনয়ন দেওয়া থেকে।

এ ছাড়াও দলভিত্তিক নির্বাচন করতে হলে এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে হবে। যেমন- কীভাবে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে সে প্রক্রিয়া আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, জাতীয় নির্বাচন দলভিত্তিক অনুষ্ঠিত হয়, আর তা পরিচালনার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইন রয়েছে। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, অতীতে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে মনোনয়ন দিয়ে আসছে তা পরিহার না করলে দলভিত্তিক নির্বাচন আমাদের জন্য আবারও বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটি সুস্পষ্ট, আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন যৌক্তিক নয়। বস্তুত, নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে। কিন্তু আমরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছি, কারণ আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো সে ধরনের আচরণ করেনি এবং এসব নির্বাচনকে নির্দলীয় রাখেনি। আচরণবিধিতে নির্দলীয় নির্বাচনের কথা থাকলেও তারা অনেক ক্ষেত্রে অন্তত পরোক্ষভাবে দলীয় মনোনয়ন অথবা সমর্থন প্রদান করেছে। আশা করি, অতীতের দলভিত্তিক নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিষয়টি সম্পর্কে আবারও গভীরভাবে ভেবে দেখবেন। আর যদি দলীয়ভিত্তিতে নির্বাচন হতেই হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও সত্যিকারের জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক দল গড়ে তুলতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন হবে রাজনৈতিক দলের ব্যাপক সংস্কার। তা না হলে আমাদের বিদ্যমান সমস্যাগুলো, বিশেষত দলবাজি, পক্ষপাতিত্ব ও সহিংসতার সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

লেখক : প্রধান নির্বাহী, সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

এই মাত্র | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা
ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়
নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে
চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল
ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা
সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের
হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ
তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে হজে যাচ্ছেন ৫৭৫৬ যাত্রী
দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে হজে যাচ্ছেন ৫৭৫৬ যাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যে অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা
যে অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘরের মাঠে ম্যানইউর কাছে হারল চেলসি
ঘরের মাঠে ম্যানইউর কাছে হারল চেলসি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু
সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’
১৩৭ বছর পর দেশে ফিরল জিম্বাবুয়ের সেই ঐতিহাসিক ‘পাখি’

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা