শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০১:০৩, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

সাক্ষাৎকার - সৈয়দ রেজাউল করীম

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রিন্ট ভার্সন
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশের স্বার্থে জুলাই সনদকে জনগণের কল্যাণে বাস্তবায়ন করা হোক। আমরা চাই এ পরিবর্তনের অঙ্গীকারগুলো যেন কেবল কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে।

 

২০২৬ সালের বহুল আলোচিত জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচন নিয়ে জনমনে যেমন ব্যাপক কৌতূহল ছিল, ফলাফল-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে নানান বিতর্ক। নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে অংশগ্রহণ করে একটি মাত্র আসন লাভ করলেও দলটির দাবি তাদের জনসমর্থন ছিল ব্যাপক। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জোটের রাজনীতি এবং জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কার নিয়ে কথা বলেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর চরমোনাই)। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক হাসান ইমন

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন সদ্য শেষ হলো। একজন শীর্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে এ নির্বাচনকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

রেজাউল করীম : এ নির্বাচন নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। বিশেষ করে একটি গণ অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে যখন নির্বাচন হলো, তখন আমরা ভেবেছিলাম নির্বাচনের আগে একটি প্রকৃত ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি হবে। কিন্তু নির্বাচনের মাঠ এবং ফলাফল-পরবর্তী বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যা দেখছি, তাতে স্পষ্ট যে এ নির্বাচনে একটি ‘সূক্ষ্ম এবং কঠিন পরিকল্পিত মেকানিজম’ কাজ করেছে। আমাদের দেশের ছাত্র-জনতা, মা-বোন এমনকি শিশুরাও রাজপথে রক্ত দিয়েছিল একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায়। তারা চেয়েছিল জুলুম, চাঁদাবাজি, অর্থ পাচার এবং মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি থেকে মুক্তি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই শুভবুদ্ধির উদয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে এখনো পুরোপুরি ঘটেনি। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে বারবার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা নস্যাৎ করার জন্য এখনো নেপথ্য কারিগররা সক্রিয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আপনাদের দল এককভাবে নির্বাচন করে মাত্র একটি আসন (বরগুনা-১) পেয়েছে। এটাকে আপনারা কীভাবে দেখছেন? আপনাদের প্রত্যাশা কেমন ছিল?

রেজাউল করীম : আসনসংখ্যা দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের জনপ্রিয়তা বিচার করা ভুল হবে। আমরা নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে যে জরিপ চালিয়েছি এবং আমাদের পরামর্শক কমিটির যে তথ্য ছিল, তাতে আমরা অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আসনে জয়ের ব্যাপারে সুনিশ্চিত ছিলাম। বিশেষ করে বরগুনা-১ আসনে আমাদের বিজয় ঠেকানো সম্ভব হয়নি কারণ সেখানে আমাদের জনসমর্থন এতই বেশি ছিল যে কোনো মেকানিজমই টেকেনি। কিন্তু লক্ষ্মীপুর (২টি আসন), কুড়িগ্রাম (প্রায় ২টি আসন), বাঞ্ছারামপুর, নবীনগর, বি-বাড়িয়া-৫, বরিশাল (৫-৬ আসন), পটুয়াখালী-১, ৩ ও ৪ এবং যশোর ও খুলনার বেশ কিছু আসনে আমাদের প্রার্থীরা অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে ছিলেন। সেখানে কালোটাকার দৌরাত্ম্য, মেকানিজম এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করে জনমত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে নৈতিক মূল্যবোধের যে উত্থান ঘটেছে, তাকে রাজনৈতিকভাবে অস্বীকার করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে ইসলামী আন্দোলনকে কোণঠাসা করার চেষ্টা হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আপনাদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর একটি জোট বা সমঝোতার কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু পরে আপনারা কেন সেই সমঝোতা থেকে সরে এলেন?

রেজাউল করীম : এ বিষয়টি নিয়ে জনমনে কিছুটা বিভ্রান্তি আছে। আমরা সরাসরি জামায়াতের সঙ্গে জোট করিনি। প্রথমে আমরা পাঁচটি সমমনা ইসলামী রাজনৈতিক দল মিলে একটি সমঝোতা এবং লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করেছিলাম। পরবর্তীতে ফ্যাসিজমবিরোধী আন্দোলনে শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে জামায়াত, জাগপা এবং ডেভেলপমেন্ট পার্টি আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। কিন্তু এ ঐক্যের ভবিষ্যৎ কেন অন্ধকারে গেল? কারণ হলো নেতৃত্বের অহমিকা। আমাদের মূল শর্ত ছিল প্রতিটি সিদ্ধান্ত পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে হবে। কিন্তু জামায়াত হঠাৎ করেই সব সিদ্ধান্ত এককভাবে নিতে শুরু করে এবং আমাদের ওপর তাদের নেতৃত্ব চাপিয়ে দিতে চায়। যেখানে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা, মানবতা এবং দেশরক্ষার গ্যারান্টি আলোচনা বা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আসে না, সেখানে ইসলামী আন্দোলন থাকার প্রয়োজন মনে করেনি। আমরা নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি বলেই তখনই সেই সমঝোতা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিই।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার আগে আপনাদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই বৈঠকে আপনাদের দাবি বা প্রত্যাশা কী ছিল?

রেজাউল করীম : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে আমাদের অবস্থান জানিয়েছি। আমরা বলেছি, যদি আপনারা জনগণের চাওয়াপাওয়া এবং দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশ পরিচালনা করেন, তবে ইসলামী আন্দোলন আপনাদের পাশে থাকবে। কিন্তু যদি আপনারা গত সাড়ে ১৫-১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের চরিত্রের পুনরাবৃত্তি করেন, তবে আমরা রাজপথে আপনাদের কঠোর প্রতিবাদ জানাব। বর্তমান সরকারের উদ্দেশে আমাদের পরামর্শ হলো, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। দেশে বর্তমানে খুন, ধর্ষণ এবং আইনশৃঙ্খলার যে অবনতি লক্ষ করা যাচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সরকারের পরিণতিও আগের মতো ভয়াবহ হতে পারে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সামনে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে আপনাদের পরিকল্পনা কী?

রেজাউল করীম : স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। আমরা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সরকার কি স্থানীয় নির্বাচনেও জাতীয় নির্বাচনের মতো মেকানিজম বজায় রাখবে নাকি একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরি করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। যদি আমরা দেখি যে সরকার কেবল নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী করার নীলনকশা হাতে নিয়েছে, তবে আমরা সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ভিন্নভাবে চিন্তা করব।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ‘জুলাই সনদ’ এবং সংসদের ‘উচ্চকক্ষ’ গঠনের মতো রাজনৈতিক সংস্কারগুলো নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী?

রেজাউল করীম : জুলাই সনদ নিয়ে আমাদের মধ্যে শুরু থেকেই সন্দেহ ছিল, যা এখনো বিদ্যমান। কারণ সংস্কার কমিশনগুলোতে বিএনপি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত পোষণ করেছে। এখন তারা যেহেতু ক্ষমতায় এবং তাদের হাতে আইন পাসের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে, তাই তারা এ সংস্কারগুলো কতটুকু করবে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। আমাদের দাবি হলো, দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে দেশের স্বার্থে জুলাই সনদকে জনগণের কল্যাণে বাস্তবায়ন করা হোক। আমরা চাই এ পরিবর্তনের অঙ্গীকারগুলো যেন কেবল কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী পাঁচ বছরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান?

রেজাউল করীম : ইনশাল্লাহ, আল্লাহ যদি কবুল করেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমরা ইসলামী আন্দোলনকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চাই। বর্তমান বাংলাদেশে ৯২ শতাংশ মুসলমান বসবাস করে এবং তারা ইসলামকে মনেপ্রাণে ভালোবাসে। হয়তো অনেকে এখনো রাজনৈতিক মারপ্যাঁচ বা বিভ্রান্তির কারণে বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে পারছে না, কিন্তু পাঁচ বছরের মধ্যে তারা ইনশাল্লাহ সঠিক পথ খুঁজে পাবে। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে যে দুর্নীতির মুক্তি এবং প্রকৃত ইনসাফ কায়েমের জন্য ‘হাতপাখা’ প্রতীকের বিকল্প নেই। আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে একটি বৈষম্যহীন এবং ইসলামের আদর্শে উদ্ভাসিত বাংলাদেশ উপহার দিতে চাই।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

৩৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা
ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা

৩৫ মিনিট আগে | শোবিজ

আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করে জনগণকে জিম্মি করে গেছে আওয়ামী লীগ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

৩৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়
নুসুক কার্ড নিয়ে হজযাত্রীদের যে নির্দেশনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

৫১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
বিশ্বনাথে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৫২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে
চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, জেনে নিন যত্ন নেবেন যেভাবে

৫৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল
ইলেকট্রিক যান, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে নতুন শক্তি ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা
সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের
হরমুজে উত্তেজনা, মার্কিন মাইন অপসারণ ব্যর্থ দাবি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ
তামিমের প্রশংসায় মাহমুদুল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে হজে যাচ্ছেন ৫৭৫৬ যাত্রী
দ্বিতীয় দিনে ১৪টি ফ্লাইটে হজে যাচ্ছেন ৫৭৫৬ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যে অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা
যে অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘরের মাঠে ম্যানইউর কাছে হারল চেলসি
ঘরের মাঠে ম্যানইউর কাছে হারল চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়-পলকের বিরুদ্ধে বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্য আজ
জয়-পলকের বিরুদ্ধে বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্য আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এখনও অনেক দূরে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এখনও অনেক দূরে: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একাধিক হত্যা মামলার আসামি চানমিয়া সিকদার গ্রেফতার
মাদারীপুরে একাধিক হত্যা মামলার আসামি চানমিয়া সিকদার গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুপুরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
দুপুরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর
রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী
‘মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন’, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু
সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবারও মধ্যপ্রাচ্যে ফিরলো বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড
আবারও মধ্যপ্রাচ্যে ফিরলো বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান
সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরানের বাইরে কোথাও যাবে না: তেহরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা