শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৮, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

রাশেদা কে. চৌধূরী
প্রিন্ট ভার্সন
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

শিক্ষা এমন সেক্টর যেখানে তড়িঘড়ি করে কিছু করা ঠিক নয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী আমলে আমরা দেখলাম, কোনো গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের চাপে পড়ে তড়িঘড়ি করে শিক্ষা আইন করার  চেষ্টা করা হয়েছে।

 

একটি দেশের জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে শিক্ষা। প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে একজন আদর্শ নাগরিকের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত হন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত। তাদের এজেন্ডা থেকে শিক্ষায় অগ্রাধিকারের বিষয়টি ছুটে গিয়েছিল মনে হয়। তাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে ছিল বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। মানবসম্পদ তৈরির শিক্ষা খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে আমরা দেখেছি শিক্ষায় তেমন কাজ তো হয়নি, বরং নেতিবাচক কিছু সংস্কৃতি আমরা দেখেছি। শিক্ষাটা অগ্রাধিকার থেকে বিচ্যুত হওয়ায় গত ১৮ মাসে সরকার এদিকে দৃষ্টি দিতে পারেনি বলে মনে করি। শিক্ষা নিয়ে একটি কমিশনও করতে পারেনি তারা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপরও অনেক অভিভাবকের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

শিক্ষায় যে নেতিবাচক বিভিন্ন সংস্কৃতি অন্তর্বর্তী আমলে তৈরি হলো, তা আমরা অতীতে দেখিনি। এসব ঘটনা দেখে আমরা হতচকিত হয়েছি। আমরা দেখলাম শিক্ষকদের হেনস্তা করা হলো, নানান অজুহাতে তাদের শারীরিক হেনস্তা করে পদ থেকে টেনে নামানো হলো। স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত এমন চিত্র আমরা লক্ষ করেছি। ঢালাওভাবে অনেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। সেই রেশ ধরে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের মধ্যে বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এ সম্পর্ক উন্নয়নে শক্ত হাতে কিছুই করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। গুটিকয় শিক্ষার্থীর কাছে সরকার হার মেনেছে বিভিন্ন সময়। অস্থিরতার সেই শুরু। সমাজে কিশোর অপরাধ এখন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বড় উদ্বেগের কারণ। অনেক ছাত্র এখন শিক্ষকদের অমান্য করেন। অভিভাবকদেরও মানতে চান না। আমরা উদ্বেগের মধ্যে লক্ষ করেছি অন্তর্বর্তী আমলে অনেক শিক্ষকের চাকরি চলে গেছে। একটি গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অভিযুক্তদের চাকরিচ্যুত করেছে। তড়িঘড়ি করে এ বিষয়গুলো করা হলো। চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা বেতনভাতা নিয়ে রাজপথে আন্দোলন শুরু করলেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলন করলেও শিক্ষকদের কথা না শুনে জলকামান দিয়ে হেনস্তা করা হলো। এগুলো তো কাম্য ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার অনির্বাচিত হলেও তারা এসেছিল সময়ের প্রয়োজনে। কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ডে আমরা খুবই হতাশ হয়েছি। একটি অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল অন্তর্বর্তী আমলে।

প্রথম দিকে একটা অনিশ্চয়তা শুরু হয়েছিল মব সংস্কৃতি বা অস্থিরতার মাধ্যমে। অন্তর্বর্তী আমলের শুরুতে গুটিকয় এইচএসসি পরীক্ষার্থী সচিবালয়ে গিয়ে মব তৈরি করল। যারা সচিবালয়ে মব তৈরি করল, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অটোপাস দিয়ে দিল! তখন পরীক্ষার অপেক্ষায় থাকা প্রায় ১৪ লাখ ছাত্রছাত্রীর কথা বিবেচনা করেনি সরকার। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মব সংস্কৃতি শুরু হলো। সে জায়গা থেকে হতাশা বিরাজ করেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। একদিকে মব সংস্কৃতি, অন্যদিকে পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের। সংগত কারণেই শিক্ষার্থীরা তখন লেখাপড়ামুখী ছিল না।

মহামারি করোনার পর থেকে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় যে ধস নেমেছে, তা সামাল দেওয়ার আগেই অন্তর্বর্তী আমলে মব সংস্কৃতির মাধ্যমে আরেকটি ধস নেমে এসেছে। এ রেশ কাটতে কত দিন লাগবে তা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্তর্বর্তী আমলে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদেরও সরিয়ে দেওয়া হলো, কিন্তু তাদের নিয়োগ তো দেওয়া হয় একটি নিয়মনীতি অনুসরণ করে। উপাচার্যদের পরিবর্তন করতে হলে তো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু সে প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে তড়িঘড়ি করে সরানো হলো। কেউ কেউ অবশ্য আত্মসম্মানের দায়ে নিজ থেকে সরে গেছেন। উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে এই নেতিবাচক সংস্কৃতি যে তৈরি হলো, এটার ধাক্কা সামাল দিতে আমাদের দীর্ঘ সময় লাগবে। এ ধরনের পদে পরিবর্তনের জন্য সিলেকশন ক্রাইটেরিয়া মেনটেইন করা উচিত, তা অনেকটা ধামাচাপাই পড়ে গেছে বলা যায়। এটি আমাদের জন্য অশনিসংকেত। দলগতভাবে শিক্ষকদের আনুগত্যকে পুরস্কৃত করার সংস্কৃতি শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। আনুগত্য দেখে কখনো উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া উচিত নয়।

শিক্ষা এমন সেক্টর যেখানে তড়িঘড়ি করে কিছু করা ঠিক নয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী আমলে আমরা দেখলাম, কোনো গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের চাপে পড়ে তড়িঘড়ি করে শিক্ষা আইন করার চেষ্টা হয়েছে। এ আইন নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য মাত্র চার দিন সময় দেওয়া হয়েছিল, এর মধ্যে দুই দিনই ছিল ছুটি। অর্থাৎ মাত্র দুই কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছিল। আমরা এটি প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই শিক্ষা আইন করা হচ্ছিল। এ আইন তো দেশের পুরো মানুষকেই প্রভাবিত করবে। কীভাবে তড়িঘড়ি এ আইন করার চেষ্টা হয়েছিল তা আমার বোধগম্য হয়নি। বর্তমান সরকার পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এ পরীক্ষা চালুর ফলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হবে। শিক্ষাব্যবস্থায় এটি এক ধরনের বৈষম্য তৈরি করবে। ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীরা কোটা নিরসনের জন্য প্রাণ দিল, অথচ এখানে আবার কোটার ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তা ছাড়া বৃত্তি পদ্ধতির কারণে কোচিং বাণিজ্য ও গাইড বই বাণিজ্য উৎসাহিত হবে। অতীত অভিজ্ঞতায় এমন দেখেছি আমরা। বৃত্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণায় ইতোমধ্যে বৃত্তি পরীক্ষার জন্য কমপক্ষে পাঁচটি গাইড বাজারে এসেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বাড়তি খরচের চাপ বেড়েছে। তাদের মানসিকতায় এটি গেঁথে গেছে, পরীক্ষায় বৃত্তি পেতেই হবে। এটি বৈষম্য তৈরি করছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। কর্তৃত্ববাদী সরকারের সময় শিক্ষা বাণিজ্য ভীষণভাবে শুরু হয়েছিল। নিয়োগ বাণিজ্য, কোচিং বাণিজ্য, ভর্তি বাণিজ্য ইত্যাদি চলে এসেছে শিক্ষা সেক্টরে। বাণিজ্যের মধ্যে শিক্ষা পড়ে গেলে তো শিক্ষার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। ইউনেস্কোর ২০২৩ সালের গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে শিক্ষার ব্যয়ের ৭১ শতাংশ অভিভাবককে বহন করতে হয়। এটি দরিদ্র মানুষের জন্য বড় বোঝা। বাজেটকে কেবল বরাদ্দ হিসেবে না দেখে মানবসক্ষমতা বিনির্মাণের হাতিয়ার হিসেবে দেখা উচিত।

সরকার কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতি রিভিউ করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষভিত্তিক ধারাবাহিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। এর ভিত্তিতে দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা করা এবং সেসব ক্লাসের শিক্ষকদের অতিরিক্ত প্রণোদনা/ভাতা প্রদান করা যেতে পারে। কারিকুলাম রিভিউ করার ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, নাগরিক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করার সুপারিশ করছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন কোনোভাবেই অসংখ্য পরীক্ষার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে কোচিং ও গাইডনির্ভর হয়ে না ওঠে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি।

আমাদের ছাত্রছাত্রীরা শিখন দক্ষতা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। করোনা-পরবর্তী অনেক গবেষণা বলছে, ইংরেজি বা গণিত নয়, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা বাংলাতেও কাম্য দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রেও এমন দেখেছি আমরা। প্রাথমিকে ঘাটতি থাকলে পরবর্তী শ্রেণিতে এ ঘাটতি বাড়তেই থাকে। এমনকি সিঙ্গাপুরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বলেছে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অত্যন্ত নিম্নমানের। দেশে-বিদেশে সবখানেই যদি শিক্ষার মানে এমন নেতিবাচক চিত্র দেখা যায়, দক্ষতার সংকট দেখা যায় তবে বাইরের পৃথিবী আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রসারিত না হয়ে বরং সংকুচিত হয়ে যাবে।

এ দেশে জলবায়ু পরিবর্তন শিক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উপকূলীয় এলাকায় মার্চ মাসেই নানান দুর্যোগ শুরু হয়। সতর্ক সংকেতের কারণে তারা কাজে যেতে পারছে না, তাদের রুটিরুজির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। খাদ্যের সংস্থানের সংকুলান না থাকলে তো শিক্ষায় বড় প্রভাব পড়বেই। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা বা ঝড়ের কারণে স্কুল বন্ধ থাকে, পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় মার্চ থেকে জুলাইয়ের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হার অনেক বেড়ে গেছে। জেলে পরিবারগুলোর আয় কমে যাওয়ায় শিশুদের শিক্ষার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাজেটে জিডিপির ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হওয়া উচিত, কিন্তু আমরা ২ শতাংশের ওপরে উঠতে পারিনি। অতীতে কর্তৃত্ববাদী সরকার এটা নিয়ে কোনো পাত্তাই দেয়নি। শিক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি করে ঝরে পড়া, বাল্যবিয়ের শিকার, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী (প্রতিবন্ধী, ভিন্ন জাতিসত্তা, চা বাগানের অধিবাসী) ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ চর, হাওড়, পাহাড়ি এলাকার শিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বাজেট যথাযথভাবে ব্যয় করার সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারি নিশ্চিতকরণের জন্য যথাযথ মেন্টরিং ও মনিটরিং জোরদার করতে হবে। উচ্চশিক্ষা খাতে দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও এ খাতকে সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন কেবল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। শিক্ষায় নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং উচ্চশিক্ষার প্রকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

 

লেখক : সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা নির্বাহী পরিচালক গণসাক্ষরতা অভিযান

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
চুয়াডাঙ্গায় এক লাখ শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলার টিকা
চুয়াডাঙ্গায় এক লাখ শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলার টিকা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে সেচ সুবিধা সহজে কৃষকদের ‘ফুয়েল কার্ড’ প্রদান
মুন্সীগঞ্জে সেচ সুবিধা সহজে কৃষকদের ‘ফুয়েল কার্ড’ প্রদান

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সেমিনার
মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সেমিনার

১২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়
ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

৩০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি
খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি

৩২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই
এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই

৪২ মিনিট আগে | রাজনীতি

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

৪৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল

৪৭ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত
সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত

৫০ মিনিট আগে | পরবাস

লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস
লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী
কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু
ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা