শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ করা সম্ভব নয়। সেটা করতে হলে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হবে

 

যেকোনো ক্রাইসিস যখন হয়, তখন একটা ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম থাকা দরকার। আমাদের দুর্বলতা হলো আমরা এখনো ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল’ বলে কিছু করতে পারিনি। একটা ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল যদি থাকে, যেখানে সব ধরনের স্টেকহোল্ডাররা থাকবে। সেখানে সিভিলিয়ান পলিসি মেকারস, সামরিক পলিসি মেকারস, ব্যবসায়ী, একাডেমিশিয়ান, গবেষক, মিডিয়া, ইন্টেলিজেন্সসহ সব শ্রেণির অংশগ্রহণ থাকবে। এমন একটা কাঠামো থাকা দরকার, যারা আগে থেকেই সিনারিও (কাঠামো) তৈরি করে রাখবে। মধ্যপ্রাচের এ সংঘাত শুরুর আগে থেকেই যুদ্ধের বিষয়টি বোঝা যাচ্ছিল। এ কাঠামো থাকলে তারা যুদ্ধের স্থায়িত্ব বিবেচনায় স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারত। সার্বক্ষণিক গবেষণার মধ্যে থাকার কারণে তারা নতুন সরকারকেও বিভিন্ন বিকল্প সিনারিও দিতে পারেন। এসব বিকল্প থেকে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারত। আমাদের এ ধরনের কাঠামো থাকা জরুরি।

বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির একটি ইতিহাস আছে। জিয়াউর রহমানের আমলের সেই গান ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ থেকে এটি এসেছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি করতে গেলে কাঠামোগত পরিবর্তন দরকার। আমাদের বড় দুর্বলতা হলো, দেশের এলিট শ্রেণি কিংবা পলিসি মেকারদের অনেকেরই এক পা দেশের বাইরে। দুই দেশের নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট রেখে বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয়। যারা দেশ পরিচালনা করবেন, তাদের দুই পা-ই বাংলাদেশেই থাকতে হবে। ভারত, চীন বা সিঙ্গাপুরের মতো দেশে একক নাগরিকত্বের নিয়ম আছে। আমাদের নিয়ম থাকলেও অনেকে তা মানেন না। সংকটের সময় এলিটরা যদি বিদেশে চলে যান, তবে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে না।

এ ছাড়া অর্থনীতিকে ডাইভার্সিফাই (বহুমুখী) করতে হবে। একসময় আমরা সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। বর্তমানে বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমাদের অর্থনীতি রপ্তানিকারী দু-একটি দেশের ওপর অধিক নির্ভরশীল। কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ করা সম্ভব নয়। সেটা করতে হলে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হবে। আসন্ন বহুমাত্রিক কাঠামোতে টিকে থাকতে হলে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

বর্তমান সরকারের সামনে ইমিডিয়েট চ্যালেঞ্জ হলো-মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হওয়া এবং জ্বালানিসংকটের কারণে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া আমাদের প্রবাসী আয়ের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রবাসী কর্মীরা সেখানে থাকতে চাইবে না এবং সুযোগ পেলেই দেশে ফেরত আসবেন। এর জন্য সরকারের প্রস্তুতি দরকার।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেতিবাচক ছিল। দেশে সমালোচনা আছে যে, ভারত কেবল একটি দলের সঙ্গে সম্পর্ক করেছিল, জনগণের সঙ্গে নয়। সেই জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে। দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে পেশাদারত্বের প্রয়োজন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামল বিবেচনায় বাংলাদেশের জনগণ মনে করে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল একতরফা। সেখানে ভারত যতটা লাভ করতে পেরেছে, বাংলাদেশ তত লাভ করতে পারেনি। এটাই ভারত সম্পর্কে মানুষের ধারণা। এটা ভুলও হতে পারে। তবে এ ধারণা মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে। ফলে এ ধারণায় পরিবর্তন আনতে হবে। ভারতেরও উপলব্ধি হয়েছে, তারা কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছিল, যা তাদের উচিত হয়নি। তাদের সম্পর্ক করা উচিত জনগণের সঙ্গে। এর জন্য বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ভারতের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ ছাড়া সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তায় পেশাদারত্ব আনা প্রয়োজন। অনেক সময় সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তির অযাচিত কথার কারণে সম্পর্কের অবনতি হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে তেমন প্রভাব পড়ার কথা নয়। শেখ হাসিনা তার জীবনে তৃতীয়বারের মতো ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। ভারত দালাই লামাকে আশ্রয় দিয়েছে। এর ফলে কিন্তু চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়নি। লন্ডনেও বিভিন্ন দেশের নেতারা রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকেন। এর কারণে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খারাপ হয় না। ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান নিয়ে অতিরিক্ত রাজনীতি না করে অর্থনৈতিক ও কূটনীতির মাধ্যমে পরিস্থিতি হ্যান্ডেল করতে হবে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যু এই সরকারের জন্যও বিশাল এক চ্যালেঞ্জ। দাতা সংস্থাগুলো অনেকটা বলতে শুরু করেছে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশেই থাকুক। তারা মিয়ানমারের ওপর বড় ধরনের কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারছে না। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে হলে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি উভয়ের সঙ্গে বসতে হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীনের সহায়তার প্রয়োজন আছে। এ চারটি পক্ষকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে হবে। এ চার পক্ষকে ছাড়া বাইরের কেউ এসে এ সংকটের সমাধান করতে পারবে না।

পশ্চিমা রাষ্ট্র সম্পর্কে আমরা যতটা জানি পূর্বের দেশগুলো সম্পর্কে খুব ভালোভাবে চিনি না। মিয়ানমারের কাঠামো সম্পর্কে জানার বিরাট ঘাটতি রয়েছে আমাদের মধ্যে। মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত নয়, তাদের আলাদা আলাদা স্বায়ত্তশাসন রয়েছে। এখানে কয়েকটা জিনিস খেয়াল রাখা দরকার, আরাকান আর্মি সম্ভবত স্বাধীন রাষ্ট্র চাইছে না, বরং তারা মিয়ানমারের ভিতরই উচ্চতম স্বায়ত্তশাসন (হাইপার অটোনমি) চাইছে। ফলে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীকে বাদ দিয়ে শুধু আরাকান আর্মির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা উচিত হবে না।

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ‘চাপের’ বদলে ‘সুযোগ’ তৈরি করতে হবে। এটাকে আমরা বলছি ‘রাখাইন রিকনস্ট্রাকশন প্ল্যান’, যা অনেকটা মার্শাল প্ল্যানের মতো। যেখানে আমরা একটা আর্থিক প্রণোদনা দিতে পারি। যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারী সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করবে। এতে সব পক্ষই লাভবান হবে। এর মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মিকে সঙ্গে নিয়েই রোহিঙ্গাসংকট সমাধান করা সম্ভব হবে বলে মনে করি।

তবে কিছু স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওর স্বার্থের কারণে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কারণ এতে তাদের আর্থিক সুবিধা হয়। এ বিষয়ে সরকারকে সতর্ক হতে হবে।

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সামরিক সম্পর্কের চেয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশ একটি ‘নেট সিকিউরিটি রিসিভার’ হিসেবে কাজ করতে পারে, যেখানে বন্দর সুবিধা কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশকে নয় বরং একাধিক দেশকে সমানভাবে দেওয়া হবে। জিবুতি ও সিঙ্গাপুর এ কাজটি করে। বাংলাদেশকে ঘিরে চীন ও আমেরিকার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এ দুই পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্কে ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।

জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রেও আমাদের পরিবর্তন আনতে হবে। আধাদক্ষ কর্মীর পরিবর্তে দক্ষ কর্মী পাঠানোর সক্ষমতা বাড়ানো দরকার। তবে এখানে কাঠামোগত কিছু সমস্যা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আধাদক্ষ যেসব কর্মী, যায় তারা সেখানে পরিবার নিয়ে যাওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় একটা সময় পর তারা দেশে ফিরে আসে। তবে তারা নিয়মিত দেশে রেমিট্যান্স পাঠান। অন্যদিকে একজন দক্ষ কর্মী যখন ইউরোপে যান তখন সেই কর্মী সেখানে স্থায়ী হওয়ার চিন্তা করেন। দেশেও ঠিকঠাক রেমিট্যান্স পাঠান না। ফলে দক্ষ কর্মী রপ্তানিতে একটা রিস্ক থেকেই যাচ্ছে। এজন্য এমন একটি কাঠামো প্রয়োজন যেখানে কর্মীর পেছনে বিনিয়োগের অংশ রাষ্ট্র আদায় করতে পারে। থাইল্যান্ডে এ ধরনের একটি সিস্টেম রয়েছে। জলবায়ুসংকট নিরসনে কপ সম্মেলন কিংবা আন্তর্জাতিক লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের আশায় বসে থাকা বৃথা। কারণ ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের চাহিদার বিপরীতে ১০০ বিলিয়নও জমা হয়নি। জলবায়ু সমস্যার সমাধানে নিজেদেরই এগিয়ে আসতে হবে। মানুষের প্রচণ্ড উদ্ভাবন শক্তি আছে, সেখানে মনোযোগ দিতে হবে। ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করা উচিত। উদাহরণস্বরূপ- ঝড় ও বন্যা পরিস্থিতি নিরসনে স্থাপত্যের ধরনে পরিবর্তন আনতে হবে। এসব জলবায়ু ঝুঁকি মাথায় রেখেই আমাদের স্কুল, বাড়িঘর ও নৌপথ পরিকল্পনা করা দরকার।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সেমিনার
মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সেমিনার

২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়
ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি
খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি

২২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই
এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই

৩২ মিনিট আগে | রাজনীতি

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল

৩৭ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত
সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস
লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী

৪৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী
কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু
ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা