শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধ

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

এম এস সেকিল চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধকালীন ও যুদ্ধ-উত্তর সময়ে বাংলাদেশকে একসঙ্গে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে এবং এতে বাংলাদেশের সক্রিয় ও সার্বিক অংশগ্রহণ অত্যাবশ্যক

 

বিদেশে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গঠনে প্রবাসী জনগোষ্ঠী পালন করছেন এক বিশাল ভূমিকা। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও সমাজজীবন প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে শক্তিশালী ভিত্তি পেয়েছে। দাঁড়িয়ে আছে আপন মহিমায়। এ ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রবাসীরা পালন করছেন পাইলটের ভূমিকা। সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ ঝুঁকিতে ফেলেছে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় ও কর্মসংস্থানকে। বাংলাদেশ বিশ্বের টপ টেন রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশ। বিশ্বের ১৬৪টি দেশ থেকে প্রায় ২ কোটি প্রবাসী কর্মী ও দ্বৈত নাগরিক মিলে গত ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৩২.৮১ বিলিয়ন ইউএস ডলার।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ৫০ বছরে (১৯৭৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত) প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩৫৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার, যার পুরোটাই ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে এবং দেশের মূল অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে যুক্ত হয়েছে। চলমান ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের অন্যতম এই আর্থিক খাতকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। অনাগত দিনগুলোতে এ ক্ষতি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে প্রবাসী কর্মীদের। তাদের কর্মসংস্থান ও আয়-রোজগার অচল হয়ে গেছে। কর্মহীনতার পাশাপাশি ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের জীবন। ইতোমধ্যে চার বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক মৃত্যুবরণ করেছেন গোলার আঘাতে। আহত হয়েছেন অনেকে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধে আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিয়ে গঠিত গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) ছয়টি দেশে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রেরিত প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা- সৌদি আরবে ৭১ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৯, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৬ লাখ ৬২ হাজার ৯৪৪, ওমানে ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৪, কাতারে ১০ লাখ ৮৪ হাজার ৪৭৩, কুয়েতে ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪৫৮, বাহরাইনে ৪ লাখ ১০ হাজার ৪৯১ এবং লেবাননে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৩০ জন। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার ২৩৯ জন। দুঃখের খবর হলো-বাংলাদেশের প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সাতটি দেশই আজ যুদ্ধবিধ্বস্ত।

প্রবাসীদের অসামান্য অবদানের ফলে বেশ কয় বছর ধরে বাংলাদেশ বিশ্বের টপ টেন রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশ হিসেবে আসন করে নিয়েছে। ২০২৫ সালে ৩২.৮১ বিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিট্যান্স আহরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী বিশ্বের পঞ্চম স্থান অর্জনকারী দেশ হিসেবে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। রেমিট্যান্স প্রেরণকারী দেশসমূহের মধ্যে জিসিসির ছয়টি দেশ থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স পেয়েছে মোট রেমিট্যান্সের ৫১ শতাংশ। দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, ইরান যুদ্ধ বড় আঘাত হেনেছে ঠিক এ অঞ্চলটিতেই। বাংলাদেশের জন্য আরও বড় দুঃসংবাদ হলো, ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শ্রমবাজার ও জ্বালানিসহ খাদ্যপণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে বাংলাদেশের নবগঠিত সরকারের ওপর এক বিশাল চাপ সৃষ্টি করেছে। অর্থনীতির এই মহাসংকট কাটিয়ে ওঠা সরকারের জন্য এক পাহাড়সমান বিপদ। সরকার বিকল্প ব্যবস্থায় জ্বালানি সংগ্রহের ব্যবস্থা নিয়েছে এবং অন্যান্য ঘাটতি মোকাবিলায় উদ্যোগী হয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে এখনই কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করা প্রয়োজন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার জন্য এটি একটি কঠিন পরীক্ষা। এ সময় গোটা দেশ ও রাজনৈতিক দলগুলো এক হয়ে উদ্যোগী হতে হবে। নাগরিক সমাজের অভিজ্ঞ লোক, বিশেষ করে যাদের বিভিন্নভাবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক রয়েছে, তাদের সরকার কাজে লাগাতে পারে। বিশ্বে এ রেওয়াজ আছে। তারা বিপদের সময় সবাইকে কাজে লাগায়। বলে রাখা ভালো, আমলাতন্ত্র এ সম্পৃক্তির বিষয়ে বাগড়া দেবে, এটি অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি। অত্যন্ত সাধারণ জীবনাচার ও সাধারণ পোশাক পরিচ্ছদে রাষ্ট্রীয় আচার পালনকারী বর্তমান সরকারপ্রধানকে বলিষ্ঠভাবে দীর্ঘদিনের এ অচলায়তন ভাঙতে হবে। যা দেশবিদেশে নাগরিক সমাজ ও জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হবে এবং ভবিষ্যতেও এ-জাতীয় সংকট মোকাবিলায় দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে উৎসাহিত করবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার রক্ষায় দেশগুলোর বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জনবল বৃদ্ধি ও দক্ষ প্রবাসীবান্ধব কর্মী নিয়োগ অত্যাবশ্যক। মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতি ও রীতিনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল দূতাবাস কর্মকর্তা, বিশেষ করে প্রধান ব্যক্তিদের আপৎকালীন সময়ে জরুরি ভিত্তিতে নিয়োজিত করা প্রয়োজন। এমনিতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মিশনগুলোতে কর্মীদের মধ্যে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করছে। ‘আছি কী নেই’ এ অনিশ্চয়তার কারণে কর্মীরা তাদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগের মনোবল পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারে অতি দ্রুত অত্যন্ত সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। যুদ্ধমগ্ন দেশগুলোর প্রবাসীরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দিনযাপন করছেন। একদিকে কাজের বিপত্তি, মজুরি নিয়ে অনিশ্চয়তা ও কাজ হারানোর ভয়, অন্যদিকে বোমার আঘাতে প্রাণ হারানোর আশঙ্কা তাদের তাড়া করছে। বর্তমান সরকার ও প্রবাসী মন্ত্রী সবাই আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছেন, কিন্তু সমস্যা এত ব্যাপক যে, জাতীয়ভাবে দীর্ঘমেয়াদি একটি নিবিড় পরিকল্পনা ছাড়া এ ব্যাপারে সফলতা পাওয়া কঠিন। ইরান যুদ্ধের কারণে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইতোমধ্যে চার বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১৪ জন। যুদ্ধ চলতে থাকলে এ সংখ্যা দিনদিন বাড়তে পারে। যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের প্রবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর কাজ মাথায় রেখে এগোতে হবে মিশনগুলোকে। ২৪ ঘণ্টা হটলাইনে যোগাযোগের সুযোগ রাখতে হবে। তা ছাড়া খাদ্যসংকট আসতে পারে সামনের দিনগুলোতে। জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে পারে হরমুজ প্রণালি বন্ধ অথবা আক্রমণের কেন্দ্র বানানোর ফলে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানিসহ সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের পরিবহনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এতে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর বিমান পরিবহনে চরম অচলাবস্থা বিরাজ করছে। যুদ্ধকালীন ও যুদ্ধ-উত্তর সময়ে বাংলাদেশকে একসঙ্গে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে এবং এতে বাংলাদেশের সক্রিয় ও সার্বিক অংশগ্রহণ অত্যাবশ্যক। এ প্রসঙ্গে বিশেষভাবে মাথায় রাখতে হবে, যুদ্ধ-উত্তর পুনর্গঠন, নির্মাণ ও বিনিয়োগের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ যেন যুক্ত থাকতে পারে। সবাইকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে, গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের ছয়টি দেশ ও লেবাননে ১ কোটি ৪২ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসীর কর্মসংস্থান হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে এই প্রবাসী কর্মীরাই তাদের শ্রম ও ঘাম দিয়ে দেশগুলোকে গড়েছেন। এত ব্যাপক সংখ্যক মানুষের কর্ম ও জীবনের সঙ্গে ওই দেশগুলো এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। জাতি লক্ষ্য করছে, বর্তমান সরকারপ্রধান অত্যন্ত সাবলীলভাবে দ্রুতগতিতে কাজ করছেন। আশা করি সরকারের পুরো কাঠামোই প্রধানমন্ত্রীর গতিতে এগিয়ে যাবে। ১৮ কোটি মানুষের অর্থনীতি ও জীবনজীবিকার প্রয়োজনে প্রবাসীরা অপরিহার্য। এরা বাংলাদেশের প্রাণ। সুতরাং দেশের স্বার্থে প্রবাসীদের চোখের মণির মতো রক্ষা করে এগোতে হবে বাংলাদেশকে।

এই বিভাগের আরও খবর
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়
ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড়

২৬ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

১ মিনিট আগে | জাতীয়

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে সচিব বিলকিস জাহান রিমির যোগদান

১ মিনিট আগে | জাতীয়

জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ
জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ

৫ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি
খাগড়াছড়িতে ২০ এপ্রিল শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি

৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই
এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রিফাতসহ অনেকেই

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
হজযাত্রীদের শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল

২৩ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত
সিডনিতে গ্লেনকোয়ারি মসজিদ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠিত

২৫ মিনিট আগে | পরবাস

লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস
লক্ষ্মীপুরে ৫ হত্যা : তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ল ২ মাস

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসীদের জ্ঞান ও বিনিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী

৩৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী
কানাডার ক্যালগারিতে বৈশাখী মেলায় আলবার্টার প্রধানমন্ত্রী

৩৫ মিনিট আগে | পরবাস

উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন
উল্লাপাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণে বদলে যাচ্ছে ১৫ পরিবারের জীবন

৪৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু
ঝিনাইদহে ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রংমিস্ত্রির মৃত্যু

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু
গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু

৪৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত
বসুন্ধরা সিমেন্টের ‘আনন্দ ভ্রমণ’ অনুষ্ঠিত

৫০ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার
মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা
মনিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পাঠচক্র ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আড্ডা

৫৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা
শিশুদের জন্য দুটি বই লিখলেন জামাল মুসিয়ালা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নতুন ডিজি, বিসিসিতে নির্বাহী পরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা
ফের বাবা-মা হচ্ছেন রণবীর-দীপিকা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির
হরমুজে দুই ভারতীয় জাহাজে গুলি, তীব্র প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান
ইরানি আলোচকদের যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা দিয়ে দেশে পৌঁছে দেয় পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান
মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি
বিএনপির মনোনয়ন ফরম ইস্যুতে যা বললেন ফারজানা সিঁথি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন একঝাঁক তারকা, জেনে নিন কারা তারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান
ইউরোপের হাতে আছে আর মাত্র চার বছর: বেলজিয়ামের সেনাপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’
‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প
ইরান একটু ‘চালাকি’ করছে, বললেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ
এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
একের পর এক হুমকি, ট্রাম্পের সমালোচনায় যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা
পেজেশকিয়ানের নতুন বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকে গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে গুলি ইরানি বাহিনীর, ঝুঁকিতে যুদ্ধবিরতি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের জাহাজে অভিযান চালাতে প্রস্তুত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি তেহরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ
তিন দেশ থেকে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও কঠোর ইরান
আরও কঠোর ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

প্রথম পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তেলেসমাতি
তেল নিয়ে তেলেসমাতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে
পরিবর্তন আসছে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠে

মাঠে ময়দানে

স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব
স্বাস্থ্য ও রেলে গুরুত্ব

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে
বাণিজ্য চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের
রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে আত্মহত্যা পুলিশ সদস্যের

নগর জীবন

যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট
যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট

নগর জীবন

ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা
ইসলামের দৃষ্টিতে আকিকা

সম্পাদকীয়

বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর
বসুন্ধরায় কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন ভোর

মাঠে ময়দানে

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে
কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে

শোবিজ

ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ইউটিউব দেখে অকটেন তৈরির চেষ্টা, বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে
এক ছেলেকে পানিতে নিল আরেকজনকে হামে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন
হাসিনা অনেক লোভ দেখিয়েছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে
লোকসভা বিজেপির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান

পেছনের পৃষ্ঠা

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি
ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট
সৌদি আরবে বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট

পেছনের পৃষ্ঠা

খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে
বাটপাররা কোটি টাকা নিয়ে গেছে

নগর জীবন

ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ
ঋণের কিস্তি স্থগিতের খবর নাকচ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা
এবারও হরমুজ পার হতে পারল না বাংলার জয়যাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

নাপাইচণ্ডী মেলা
নাপাইচণ্ডী মেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
রাজধানীতে ১১-দলীয় ঐক্যের গণমিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে

পেছনের পৃষ্ঠা

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা
সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি

পেছনের পৃষ্ঠা