জনআস্থা হলো সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। জনআস্থা হারালে গণমাধ্যম তার প্রভাব ও গুরুত্ব হারাবে। আশার কথা হলো বাংলাদেশের অনেক সংবাদপত্র অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, পরিবেশ দূষণ এবং সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলো তুলে ধরছে।
বাংলাদেশের গণমাধ্যম, বিশেষ করে সংবাদপত্র বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ এ পরিবর্তনকে বলছেন ক্রান্তিকালের ঢেউ। একসময় যেখানে সংবাদপত্র ছিল তথ্যের প্রধান উৎস, এখন সেখানে ডিজিটাল সাংবাদিকতার উত্থান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জের জন্ম দিয়েছে।
ডিজিটাল মাধ্যমের যুগে গণমাধ্যম এখন শুধু মুদ্রণে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদপত্রগুলো এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাৎক্ষণিক সংবাদ পরিবেশন করছে। কোনো বড় দুর্ঘটনা, রাজনৈতিক সহিংসতা অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে মুহূর্তের মধ্যেই ‘লাইভ আপডেট’ পাঠকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। যার কারণে সংবাদ এর প্রচলিত সংজ্ঞার পরিবর্তন হয়েছে- ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ নয়, ঘটছে এমন ঘটনার বিবরণই আজকাল সংবাদ। এতে তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়েছে নিঃসন্দেহে, কিন্তু একই সঙ্গে বেড়েছে তথ্য জোগানদানের প্রতিযোগিতা ও চাপ।
মোদ্দা কথায়, গণমাধ্যমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মাল্টিমিডিয়া আধেয় বা কনটেন্ট সংবাদ পরিবেশনের ধরনকে আমূল বদলে দিয়েছে। এই পরিবর্তন শুধু প্রযুক্তিগত নয়। এটি আধুনিক সাংবাদিকতার চিন্তা, দায়িত্ব ও নৈতিকতার ক্ষেত্রেও নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। কারণ পেশাদার সাংবাদিকদের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষও এখন হয়ে উঠছে তথ্যদাতা। তাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনে তোলা যে কোনো দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা স্থানীয় কোনো ঘটনার ছবি বা ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। ভিন্নভাবে বলা চলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং সংবাদ ছড়ানোর অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। অনেক সময় দেখা যায়, কোনো ঘটনা প্রথমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়, তারপর সংবাদপত্র তা যাচাই করে প্রকাশ করে। তবে সমস্যাটি হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব তথ্য যে যাচাইকৃত, তা নয়। ফলে অনেক সময় ভুয়া খবর বা গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এহেন পরিস্থিতিতে সংবাদ মাধ্যমগুলোকে তথ্যের সত্যতা যাচাই ও উপস্থাপনে দায়িত্ব¡ নিতে হচ্ছে। মূলধারার সাংবাদিকরা এ দায়িত্ব পালন করছে কিনা সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ হলেও সত্য তথ্য উপস্থাপনে তাঁদের পেশাগত দায়বোধের প্রশ্ন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
পাশাপাশি আধুনিক সাংবাদিকতায় মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এখন একটি সংবাদ শুধু লেখা নয়, বরং ভিডিও রিপোর্ট, ইনফোগ্রাফিক, লাইভ স্ট্রিম বা পডকাস্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। সাংবাদিককে হতে হয় মাল্টিটাস্কিং কর্মী- তথ্য জোগানের একনিষ্ঠ একজন সৈনিক। কারণ এ যুগে পাঠক শুধু পড়ছে না, দেখে এবং শুনেও তথ্য গ্রহণ করার অবারিত সুযোগ নিতে পারে। ফলে সংবাদকে আরও আকর্ষণীয় ও বোধগম্য করে তুলতে হয়। শুধু তাই নয়, পাঠকের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে দ্রুততর সময়ে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার জন্য একজন সংবাদকর্মীকে সমাজ, রাজনীতির পাশাপাশি প্রযুক্তিক দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে। বহুমুখী চাপে পড়ে অনেক সংবাদকর্মী সাদামাঠা সংবাদ পরিবেশনেই শুধু তাদের দায়িত্ব সীমিত করে ফেলছে। দ্রুততার প্রতিযোগিতায় অনেক সময় সংবাদ যাচাই না করেই প্রকাশ করা হচ্ছে। সেনসেশনাল শিরোনাম ব্যবহার করে পাঠক আকর্ষণের প্রবণতাও বাড়ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অন্যান্য প্রভাবের কারণে কিছু ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এসব কারণেই পাবলিক ট্রাস্ট বা জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকৃতপক্ষে দেশের কল্যাণ প্রচেষ্টায় ব্রতী না হয়ে এবং জনগণের আস্থা লাভ না করে কোনো গণমাধ্যমই একটি পর্যায়ে পড়ে আর টিকে থাকতে পারে না। কারণ, দেশপ্রেম, সততা ও জনগণই হলো যে কোনো গণমাধ্যমের প্রধান অবলম্বন এবং গণমাধ্যমকে এই আশ্রয়ের মধ্যে থেকেই উপাদান সংগ্রহ করতে হয়। সেই অবলম্বন পরিহার করলে একদিকে যেমন জনগণ গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা পরিহার করে, অপরদিকে উপাদান সংগ্রহের উৎস বিমুখ হয়ে পড়ে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে দীর্ঘকাল ধরে একটি শক্তিশালী ধারা হিসেবে বিদ্যমান থাকলেও বতর্মানে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, পরিবেশ দূষণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলো অনুসন্ধান করে তুলে ধরছে সংবাদপত্রগুলো। কিন্তু রাষ্ট্রের বড় বড় দুর্নীতিগুলোর দিকে নজর দিতে পারছে না। সুতরাং বোঝা যায় এই পরিস্থিতিতে আধুনিক সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রযুক্তি, অনুসন্ধান এবং পেশাগত নৈতিকতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। মনে রাখতে হবে, সংবাদপত্রকে হতে হবে দ্রুত, কিন্তু সেই সঙ্গে হতে হবে দায়িত্বশীলও। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তথ্য প্রকাশে দ্রুততর হওয়া, তার আগে যাচাই, ভুল হলে তাৎক্ষণিক স্বীকার করে নিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া- দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার খাতিরে এ সবই এখন অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাদেশের গণমাধ্যম, বিশেষ করে সংবাদপত্র, দীর্ঘদিন ধরে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক উথান-পতনে, পরিবর্তনে সমান্তরালভাবে সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন মাধ্যমের উত্থান ও বিস্তার এবং নানান প্রাসঙ্গিক কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে জনগণ কি এখনো সংবাদপত্রকে বিশ্বাস করে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেও আবার জনআস্থার বিষয়টি কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।
জনআস্থা বলতে বোঝায় জনগণের সেই বিশ্বাস, যেখানে তারা ধরে নেয় যে সংবাদপত্র সত্য, নির্ভুল ও পক্ষপাতহীন তথ্য প্রদান করবে। এই বিশ্বাস তৈরি হয় দীর্ঘদিনের সততা, পেশাগত নৈতিকতা এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে। যখন একটি সংবাদপত্র ধারাবাহিকভাবে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেয়, তখনই জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। প্রচলিত অর্থে জনআস্থার হলো সেই বিশ্বাস, যার ওপর দাঁড়িয়ে একটি সংবাদপত্র তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে। পাঠক বিশ্বাস করেন যে সংবাদপত্র সত্য, নিরপেক্ষ ও যাচাইকৃত তথ্য দেবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের নামি সংবাদপত্র কিংবা টেলিভিশনও বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নে বিতর্কের ফাঁদে আটকে আছে। এই আস্থা আজ নানা কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে।
বলতে দ্বিধা নেই ডিজিটাল যুগে গণমাধ্যমের ওপর আস্থার সংকট বেড়েছে বহুগুণে। অনলাইন সংস্করণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে। এতে একদিকে যেমন তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়েছে, অন্যদিকে ভুল বা ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, দ্রুততার প্রতিযোগিতায় যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে, যা সরাসরি আস্থার সংকট তৈরি করেছে; স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবে পুরো চিত্রটি একেবারেই হতাশাজনক নয়। বাংলাদেশের অনেক সংবাদপত্র এখনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সামাজিক সমস্যা তুলে ধরছে। পরিবেশ রক্ষা, মানবাধিকার, নারী অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব প্রচেষ্টা জনআস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক। লক্ষ্যণীয়, কোনো নির্দিষ্ট সংবাদপত্রের ওপর জনআস্থা একদিনে তৈরি হয় না, আবার একদিনে হারিয়েও যায় না। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের সমকালীন সংবাদপত্র যদি সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকে, তবে এই আস্থা পুনরায় শক্তিশালী করা সম্ভব। আর সেই আস্থাই হবে গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তি। আস্থার সংকট কাটিয়ে জনআস্থা পুনরুদ্ধার করতে হলে সংবাদপত্রগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তথ্য প্রকাশের আগে কঠোরভাবে যাচাই করা, পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখা এবং ভুল হলে তা স্বীকার করে সংশোধন করা- এসব পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নৈতিকতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।
প্রকৃতপক্ষে দেশের কল্যাণ প্রচেষ্টায় ব্রতী না হয়ে এবং জনগণের আস্থা লাভ না করে কোনো গণমাধ্যমই একটি পর্যায়ের পরে আর টিকে থাকতে পারে না। কারণ, দেশপ্রেম, সততা ও জনগণই হলো যে কোনো গণমাধ্যমের প্রধান অবলম্বন এবং গণমাধ্যমকে এই আশ্রয়ের মধ্যে থেকেই উপাদান সংগ্রহ করতে হয়। সেই অবলম্বন পরিহার করলে একদিকে যেমন জনগণ গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা পরিহার করে, অপরদিকে উপাদান সংগ্রহের উৎস বিমুখ হয়ে পড়ে। গণমাধ্যম তখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু একটি স্বার্থক গণমাধ্যম জনআস্থাহীনতার কারণে কখনো নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে চায় না। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো সেন্সেশনালিজম বা অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশনও একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। পাঠক আকর্ষণের জন্য অনেক সময় শিরোনাম এমনভাবে তৈরি করা হয়, যা বাস্তব তথ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে স্বল্পমেয়াদে পাঠক বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বাস কমে যায়।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জনআস্থা হারানোর আরেকটি কারণ বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আগের মতো সমাজে শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে শ্রদ্ধা পান না এবং ক্ষেত্র বিশেষে নিরাপত্তা পাচ্ছেন না। এতে করে বিপদের আশঙ্কা তাদের তাড়িত করে। রাজনৈতিক বিতর্কের পরেও এই বিবেচনায় জনআস্থা প্রশ্নে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উল্লেখিত বিষয়াদির বিবেচনা করা সম্ভব হলে গণমাধ্যমগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতার খানিকটা ইতোবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। সেজন্য জনআস্থা প্রসঙ্গে সম্পাদক, প্রকাশক, নিয়ন্ত্রক, মাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং সাংবাদিকতা পাঠদানের প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনঃভাবনার প্রয়োজন আছে।
পুনঃভাবনার জনআস্থা পুনর্গঠনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বোধ করি। প্রথমত, সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিংকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া। দ্বিতীয়ত, সাংবাদিকতার নৈতিকতা কঠোরভাবে অনুসরণ করা। যেখানে থাকবে সত্যনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা এবং মানবিকতা। তৃতীয়ত, পাঠকের কাছে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। ভুল হলে সেটা দ্রুত স্বীকার করে সংশোধন করে নেওয়া। চতুর্থত, কোনো ধরনের চাপ ছাড়াই সত্য তুলে ধরা। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা।
জনআস্থা হলো সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। জনআস্থা হারালে গণমাধ্যম তার প্রভাব ও গুরুত্ব হারাবে। আশার কথা হলো বাংলাদেশের অনেক সংবাদপত্র অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, পরিবেশ দূষণ এবং সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলো তুলে ধরছে। এসব প্রতিবেদন শুধু জনসচেতনতা বাড়াচ্ছে না, বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে। ফলে গণমাধ্যম এখনো সমাজে একটি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের সমকালীন সংবাদপত্র যদি নিজেদের দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে পারে, তবে তারা আবারও জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। আর এই জনআস্থাই একটি উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করবে।
♦ লেখক : অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।