শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৩, বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

সমকালীন গণমাধ্যম ও আস্থার সংকট

ড. সহিদ উল্যাহ লিপন
প্রিন্ট ভার্সন
সমকালীন গণমাধ্যম ও আস্থার সংকট

জনআস্থা হলো সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। জনআস্থা হারালে গণমাধ্যম তার প্রভাব ও গুরুত্ব হারাবে। আশার কথা হলো বাংলাদেশের অনেক সংবাদপত্র অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, পরিবেশ দূষণ এবং সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলো তুলে ধরছে।

বাংলাদেশের গণমাধ্যম, বিশেষ করে সংবাদপত্র বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ এ পরিবর্তনকে বলছেন ক্রান্তিকালের ঢেউ। একসময় যেখানে সংবাদপত্র ছিল তথ্যের প্রধান উৎস, এখন সেখানে ডিজিটাল সাংবাদিকতার উত্থান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জের জন্ম দিয়েছে।

ডিজিটাল মাধ্যমের যুগে গণমাধ্যম এখন শুধু মুদ্রণে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদপত্রগুলো এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাৎক্ষণিক সংবাদ পরিবেশন করছে। কোনো বড় দুর্ঘটনা, রাজনৈতিক সহিংসতা অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে মুহূর্তের মধ্যেই ‘লাইভ আপডেট’ পাঠকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। যার কারণে সংবাদ এর প্রচলিত সংজ্ঞার পরিবর্তন হয়েছে- ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ নয়, ঘটছে এমন ঘটনার বিবরণই আজকাল সংবাদ। এতে তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়েছে নিঃসন্দেহে, কিন্তু একই সঙ্গে বেড়েছে তথ্য জোগানদানের প্রতিযোগিতা ও চাপ।

মোদ্দা কথায়, গণমাধ্যমের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মাল্টিমিডিয়া আধেয় বা কনটেন্ট সংবাদ পরিবেশনের ধরনকে আমূল বদলে দিয়েছে। এই পরিবর্তন শুধু প্রযুক্তিগত নয়। এটি আধুনিক সাংবাদিকতার চিন্তা, দায়িত্ব ও নৈতিকতার ক্ষেত্রেও নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। কারণ পেশাদার সাংবাদিকদের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষও এখন হয়ে উঠছে তথ্যদাতা। তাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনে তোলা যে কোনো দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা স্থানীয় কোনো ঘটনার ছবি বা ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। ভিন্নভাবে বলা চলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং সংবাদ ছড়ানোর অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। অনেক সময় দেখা যায়, কোনো ঘটনা প্রথমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়, তারপর সংবাদপত্র তা যাচাই করে প্রকাশ করে। তবে সমস্যাটি হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব তথ্য যে যাচাইকৃত, তা নয়। ফলে অনেক সময় ভুয়া খবর বা গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এহেন পরিস্থিতিতে সংবাদ মাধ্যমগুলোকে তথ্যের সত্যতা যাচাই ও উপস্থাপনে দায়িত্ব¡ নিতে হচ্ছে। মূলধারার সাংবাদিকরা এ দায়িত্ব পালন করছে কিনা সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ হলেও সত্য তথ্য উপস্থাপনে তাঁদের পেশাগত দায়বোধের প্রশ্ন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

পাশাপাশি আধুনিক সাংবাদিকতায় মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এখন একটি সংবাদ শুধু লেখা নয়, বরং ভিডিও রিপোর্ট, ইনফোগ্রাফিক, লাইভ স্ট্রিম বা পডকাস্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। সাংবাদিককে হতে হয় মাল্টিটাস্কিং কর্মী- তথ্য জোগানের একনিষ্ঠ একজন সৈনিক। কারণ এ যুগে পাঠক শুধু পড়ছে না, দেখে এবং শুনেও তথ্য গ্রহণ করার অবারিত সুযোগ নিতে পারে। ফলে সংবাদকে আরও আকর্ষণীয় ও বোধগম্য করে তুলতে হয়। শুধু তাই নয়, পাঠকের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে দ্রুততর সময়ে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার জন্য একজন সংবাদকর্মীকে সমাজ, রাজনীতির পাশাপাশি প্রযুক্তিক দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে। বহুমুখী চাপে পড়ে অনেক সংবাদকর্মী সাদামাঠা সংবাদ পরিবেশনেই শুধু তাদের দায়িত্ব সীমিত করে ফেলছে। দ্রুততার প্রতিযোগিতায় অনেক সময় সংবাদ যাচাই না করেই প্রকাশ করা হচ্ছে। সেনসেশনাল শিরোনাম ব্যবহার করে পাঠক আকর্ষণের প্রবণতাও বাড়ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অন্যান্য প্রভাবের কারণে কিছু ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এসব কারণেই পাবলিক ট্রাস্ট বা জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রকৃতপক্ষে দেশের কল্যাণ প্রচেষ্টায় ব্রতী না হয়ে এবং জনগণের আস্থা লাভ না করে কোনো গণমাধ্যমই একটি পর্যায়ে পড়ে আর টিকে থাকতে পারে না। কারণ, দেশপ্রেম, সততা ও জনগণই হলো যে কোনো গণমাধ্যমের প্রধান অবলম্বন এবং গণমাধ্যমকে এই আশ্রয়ের মধ্যে থেকেই উপাদান সংগ্রহ করতে হয়। সেই অবলম্বন পরিহার করলে একদিকে যেমন জনগণ গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা পরিহার করে, অপরদিকে উপাদান সংগ্রহের উৎস বিমুখ হয়ে পড়ে।

 সংগ্রহের উৎস বিমুখ হয়ে পড়ে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে দীর্ঘকাল ধরে একটি শক্তিশালী ধারা হিসেবে বিদ্যমান থাকলেও বতর্মানে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, পরিবেশ দূষণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলো অনুসন্ধান করে তুলে ধরছে সংবাদপত্রগুলো। কিন্তু রাষ্ট্রের বড় বড় দুর্নীতিগুলোর দিকে নজর দিতে পারছে না। সুতরাং বোঝা যায় এই পরিস্থিতিতে আধুনিক সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রযুক্তি, অনুসন্ধান এবং পেশাগত নৈতিকতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। মনে রাখতে হবে, সংবাদপত্রকে হতে হবে দ্রুত, কিন্তু সেই সঙ্গে হতে হবে দায়িত্বশীলও। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে তথ্য প্রকাশে দ্রুততর হওয়া, তার আগে যাচাই, ভুল হলে তাৎক্ষণিক স্বীকার করে নিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া- দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার খাতিরে এ সবই এখন অত্যন্ত জরুরি।

বাংলাদেশের গণমাধ্যম, বিশেষ করে সংবাদপত্র, দীর্ঘদিন ধরে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক উথান-পতনে, পরিবর্তনে সমান্তরালভাবে সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন মাধ্যমের উত্থান ও বিস্তার এবং নানান প্রাসঙ্গিক কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে জনগণ কি এখনো সংবাদপত্রকে বিশ্বাস করে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেও আবার জনআস্থার বিষয়টি কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

জনআস্থা বলতে বোঝায় জনগণের সেই বিশ্বাস, যেখানে তারা ধরে নেয় যে সংবাদপত্র সত্য, নির্ভুল ও পক্ষপাতহীন তথ্য প্রদান করবে। এই বিশ্বাস তৈরি হয় দীর্ঘদিনের সততা, পেশাগত নৈতিকতা এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে। যখন একটি সংবাদপত্র ধারাবাহিকভাবে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেয়, তখনই জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। প্রচলিত অর্থে জনআস্থার হলো সেই বিশ্বাস, যার ওপর দাঁড়িয়ে একটি সংবাদপত্র তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করে। পাঠক বিশ্বাস করেন যে সংবাদপত্র সত্য, নিরপেক্ষ ও যাচাইকৃত তথ্য দেবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের নামি সংবাদপত্র কিংবা টেলিভিশনও বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নে বিতর্কের ফাঁদে আটকে আছে। এই আস্থা আজ নানা কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে।

বলতে দ্বিধা নেই ডিজিটাল যুগে গণমাধ্যমের ওপর আস্থার সংকট বেড়েছে বহুগুণে। অনলাইন সংস্করণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে। এতে একদিকে যেমন তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়েছে, অন্যদিকে ভুল বা ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, দ্রুততার প্রতিযোগিতায় যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে, যা সরাসরি আস্থার সংকট তৈরি করেছে; স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবে পুরো চিত্রটি একেবারেই হতাশাজনক নয়। বাংলাদেশের অনেক সংবাদপত্র এখনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সামাজিক সমস্যা তুলে ধরছে। পরিবেশ রক্ষা, মানবাধিকার, নারী অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব প্রচেষ্টা জনআস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক। লক্ষ্যণীয়, কোনো নির্দিষ্ট সংবাদপত্রের ওপর জনআস্থা একদিনে তৈরি হয় না, আবার একদিনে হারিয়েও যায় না। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের সমকালীন সংবাদপত্র যদি সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকে, তবে এই আস্থা পুনরায় শক্তিশালী করা সম্ভব। আর সেই আস্থাই হবে গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় শক্তি। আস্থার সংকট কাটিয়ে জনআস্থা পুনরুদ্ধার করতে হলে সংবাদপত্রগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তথ্য প্রকাশের আগে কঠোরভাবে যাচাই করা, পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখা এবং ভুল হলে তা স্বীকার করে সংশোধন করা- এসব পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নৈতিকতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।

প্রকৃতপক্ষে দেশের কল্যাণ প্রচেষ্টায় ব্রতী না হয়ে এবং জনগণের আস্থা লাভ না করে কোনো গণমাধ্যমই একটি পর্যায়ের পরে আর টিকে থাকতে পারে না। কারণ, দেশপ্রেম, সততা ও জনগণই হলো যে কোনো গণমাধ্যমের প্রধান অবলম্বন এবং গণমাধ্যমকে এই আশ্রয়ের মধ্যে থেকেই উপাদান সংগ্রহ করতে হয়। সেই অবলম্বন পরিহার করলে একদিকে যেমন জনগণ গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা পরিহার করে, অপরদিকে উপাদান সংগ্রহের উৎস বিমুখ হয়ে পড়ে। গণমাধ্যম তখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু একটি স্বার্থক গণমাধ্যম জনআস্থাহীনতার কারণে কখনো নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে চায় না। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো সেন্সেশনালিজম বা অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশনও একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। পাঠক আকর্ষণের জন্য অনেক সময় শিরোনাম এমনভাবে তৈরি করা হয়, যা বাস্তব তথ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে স্বল্পমেয়াদে পাঠক বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বাস কমে যায়।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জনআস্থা হারানোর আরেকটি কারণ বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আগের মতো সমাজে শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে শ্রদ্ধা পান না এবং ক্ষেত্র বিশেষে নিরাপত্তা পাচ্ছেন না। এতে করে বিপদের আশঙ্কা তাদের তাড়িত করে। রাজনৈতিক বিতর্কের পরেও এই বিবেচনায় জনআস্থা প্রশ্নে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উল্লেখিত বিষয়াদির বিবেচনা করা সম্ভব হলে গণমাধ্যমগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতার খানিকটা ইতোবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। সেজন্য জনআস্থা প্রসঙ্গে সম্পাদক, প্রকাশক, নিয়ন্ত্রক, মাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং সাংবাদিকতা পাঠদানের প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনঃভাবনার প্রয়োজন আছে।

পুনঃভাবনার জনআস্থা পুনর্গঠনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বোধ করি। প্রথমত, সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিংকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া। দ্বিতীয়ত, সাংবাদিকতার নৈতিকতা কঠোরভাবে অনুসরণ করা। যেখানে থাকবে সত্যনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা এবং মানবিকতা। তৃতীয়ত, পাঠকের কাছে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। ভুল হলে সেটা দ্রুত স্বীকার করে সংশোধন করে নেওয়া। চতুর্থত, কোনো ধরনের চাপ ছাড়াই সত্য তুলে ধরা। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা।

জনআস্থা হলো সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ। জনআস্থা হারালে গণমাধ্যম তার প্রভাব ও গুরুত্ব হারাবে। আশার কথা হলো বাংলাদেশের অনেক সংবাদপত্র অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, পরিবেশ দূষণ এবং সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলো তুলে ধরছে। এসব প্রতিবেদন শুধু জনসচেতনতা বাড়াচ্ছে না, বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে। ফলে গণমাধ্যম এখনো সমাজে একটি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের সমকালীন সংবাদপত্র যদি নিজেদের দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে পারে, তবে তারা আবারও জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। আর এই জনআস্থাই একটি উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তিকে আরও দৃঢ় করবে।

♦ লেখক : অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
ঢাকার চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে ভাবনা
ঢাকার চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে ভাবনা
বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সঙ্গী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সঙ্গী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
জীবিকার সন্ধানে আর নয় রণযাত্রা
জীবিকার সন্ধানে আর নয় রণযাত্রা
সব শ্রেণি-পেশার খবর থাকায় জনপ্রিয়
সব শ্রেণি-পেশার খবর থাকায় জনপ্রিয়
সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যরা যেন অলংকার না হন
সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যরা যেন অলংকার না হন
বাংলাদেশ প্রতিদিন সংবাদপত্র শিল্পকে ভিত্তি দিয়েছে
বাংলাদেশ প্রতিদিন সংবাদপত্র শিল্পকে ভিত্তি দিয়েছে
যত দিন পৃথিবী থাকবে ছাপা পত্রিকা টিকে থাকবে
যত দিন পৃথিবী থাকবে ছাপা পত্রিকা টিকে থাকবে
১৬ বছর ধরে সমান জনপ্রিয় থাকা সহজ নয়
১৬ বছর ধরে সমান জনপ্রিয় থাকা সহজ নয়
বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতায় পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে
বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতায় পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে
রাজনীতিতে এক দেশপ্রেমের গল্প
রাজনীতিতে এক দেশপ্রেমের গল্প
জাতীয়তাবাদের ঐতিহাসিক অস্তিত্বের পথযাত্রা
জাতীয়তাবাদের ঐতিহাসিক অস্তিত্বের পথযাত্রা
কাঠামোগত সংকটে শেয়ারবাজার
কাঠামোগত সংকটে শেয়ারবাজার
সর্বশেষ খবর
কসবায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা
কসবায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ম্যাচ থামিয়ে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ মানতে পারছেন না ভ্যান ডাইক
ম্যাচ থামিয়ে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ মানতে পারছেন না ভ্যান ডাইক

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্যাতনের শিকার ৪১ হাজার ৫৫৫ নারী-শিশুর ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন: সংসদে মন্ত্রী
নির্যাতনের শিকার ৪১ হাজার ৫৫৫ নারী-শিশুর ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন: সংসদে মন্ত্রী

২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সিরাজগঞ্জে দুস্থ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ
সিরাজগঞ্জে দুস্থ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ অসুস্থ মাগুরার ডিসি, হেলিকপ্টারে পাঠানো হলো ঢাকায়
হঠাৎ অসুস্থ মাগুরার ডিসি, হেলিকপ্টারে পাঠানো হলো ঢাকায়

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভালুকায় তুলার গোডাউনে আগুন
ভালুকায় তুলার গোডাউনে আগুন

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়া চেম্বারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ
বগুড়া চেম্বারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আগামী মাসে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু: শিক্ষামন্ত্রী
আগামী মাসে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নারী কর্মীদের উন্নয়নে ‘হার এশিয়াটিক সার্কেল’ চালু করল এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটি
নারী কর্মীদের উন্নয়নে ‘হার এশিয়াটিক সার্কেল’ চালু করল এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটি

২৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

পাচারের সময় জব্দ চিংড়ি রেনু কীর্তনখোলায় অবমুক্ত
পাচারের সময় জব্দ চিংড়ি রেনু কীর্তনখোলায় অবমুক্ত

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন
সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ধর্ষণ মামলায় দোষী নরওয়ে যুবরাজের সৎছেলে, চার বছরের কারাদণ্ড
ধর্ষণ মামলায় দোষী নরওয়ে যুবরাজের সৎছেলে, চার বছরের কারাদণ্ড

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এভারেস্টজয়ী কর্মকর্তা নুরুননাহার নিম্নিকে পূবালী ব্যাংকের সংবর্ধনা
এভারেস্টজয়ী কর্মকর্তা নুরুননাহার নিম্নিকে পূবালী ব্যাংকের সংবর্ধনা

৩৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

স্ট্যাম্প চুরি করতে গিয়েই মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাত
স্ট্যাম্প চুরি করতে গিয়েই মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাত

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার নিষিদ্ধ
যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার নিষিদ্ধ

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করলে ফেরত পাঠাবে ইতালি
লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করলে ফেরত পাঠাবে ইতালি

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রংপুরে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালি
রংপুরে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হেন্ডারসনের চোখে সর্বকালের সেরা লুকা মদ্রিচ
হেন্ডারসনের চোখে সর্বকালের সেরা লুকা মদ্রিচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নিচের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের নিচের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে সাপ উদ্ধার
ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে সাপ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠে নামার আগেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াই, আলজেরিয়াকে ভড়কে দিতে স্কালোনির নতুন চাল
মাঠে নামার আগেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াই, আলজেরিয়াকে ভড়কে দিতে স্কালোনির নতুন চাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিচার বিভাগে ৮২টি স্থায়ী লিগ্যাল এইড পদ সৃজন
বিচার বিভাগে ৮২টি স্থায়ী লিগ্যাল এইড পদ সৃজন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যাকাণ্ডে ৬ জন শনাক্ত, গ্রেপ্তার ১
রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যাকাণ্ডে ৬ জন শনাক্ত, গ্রেপ্তার ১

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
সূচকের উত্থানে বেড়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কিশোরীকে ঘুরতে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ
কিশোরীকে ঘুরতে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবি
গাইবান্ধায় দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সবার অংশগ্রহণে আগামীর বাংলাদেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ: রেল প্রতিমন্ত্রী
সবার অংশগ্রহণে আগামীর বাংলাদেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ: রেল প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা
ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে
হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার
জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য
সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পারস্য উপসাগরে ‘শুধু ভারতীয়’ নাবিক থাকা জাহাজেই হামলা হচ্ছে, দাবি রিপোর্টে
পারস্য উপসাগরে ‘শুধু ভারতীয়’ নাবিক থাকা জাহাজেই হামলা হচ্ছে, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি
কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি
ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে
আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক
যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভের মুখে হাসনাত-সাদিক

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা
ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম
সর্বশেষ শিকার ক্রিকেটার নাঈম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

খুনের উপত্যকা রাউজান
খুনের উপত্যকা রাউজান

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি মরক্কো রূপকথা
এবারও কি মরক্কো রূপকথা

মাঠে ময়দানে

মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু
মাদক চোরাচালানে ব্যবহার হচ্ছে শিশু

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়
যুদ্ধবিরতি চুক্তি যেকোনো সময়

প্রথম পৃষ্ঠা

দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না

প্রথম পৃষ্ঠা

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীর

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়
শিক্ষাক্রম প্রণয়নে দোলাচল : উত্তরণের উপায়

সম্পাদকীয়

ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল
বাংলাদেশে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

প্রথম পৃষ্ঠা

গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল
গোলকধাঁধায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য মোকাবিলায় তিন কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল

প্রথম পৃষ্ঠা

বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে
বাজেটে গরিব আরও গরিব হবে

নগর জীবন

অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন
অবহেলায় ২৫ প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি
বাড়ছে অধিকাংশ নদনদীর পানি

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমারেখার রাজনীতি
সীমারেখার রাজনীতি

সম্পাদকীয়

পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে
পনোগ্রাফি মামলায় কারাগারে

দেশগ্রাম

শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার
শরিফুলের ৬ উইকেটের পরও টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর হার

মাঠে ময়দানে

কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না
কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না

প্রথম পৃষ্ঠা

কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না
কারখানা বন্ধ থাকলে ভোটাধিকার থাকবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ
প্রবীণ সুরক্ষার নতুন চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে ফেরানো হবে দেশে
যেভাবে ফেরানো হবে দেশে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ পয়লা আষাঢ়
আজ পয়লা আষাঢ়

পেছনের পৃষ্ঠা

অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা
অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছলে বিকশিত হবে সুপ্ত প্রতিভা

পেছনের পৃষ্ঠা

পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ
পুকুরে ভাসছিল নারীর লাশ

দেশগ্রাম

শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে
শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে

প্রথম পৃষ্ঠা