শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:০১, সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬

পাখিশুমারির তথ্য

হাকালুকি হাওরে জলচর পাখির সংখ্যা বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
হাকালুকি হাওরে জলচর পাখির সংখ্যা বেড়েছে

এশিয়ার বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমিগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত হাকালুকি হাওরে চলতি মৌসুমে জলচর পাখির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। একই সঙ্গে আগের বছরগুলোর মতো বিষটোপ বা নিষিদ্ধ জালে আটকে মারা যাওয়া পাখির ঘটনাও এবার তেমন দেখা যায়নি।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও খ্যাতনামা পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক গত শনিবার কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি দল গত ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি হাকালুকি হাওরের ৪৩টি বিলে পাখিশুমারি পরিচালনা করে।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব ও আইইউসিএন যৌথভাবে এই শুমারির আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, সিলেট।

শুমারিতে অংশ নেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম, বার্ড ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার আলম দীপু, সহসভাপতি জেনিফার আজমেরি, সদস্য অণু তারেকসহ অন্যরা।

বার্ড ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার আলম দীপু বলেন, এবারের শুমারিতে হাকালুকি হাওরে ৫৩ প্রজাতির মোট ৫৪ হাজার ৪৮৬টি জলচর পাখি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৮টি স্থানীয় এবং ৩৫টি পরিযায়ী প্রজাতির। গত বছর শুমারিতে সেখানে ৬০ প্রজাতির ৩৫ হাজার ২৬৮টি পাখি পাওয়া গিয়েছিল। সেই হিসাবে এবার পাখির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তিনি জানান, হাওরের চিনাউরা, হাওরখালসহ কয়েকটি বিলের পরিবেশ এবার তুলনামূলক ভালো ছিল এবং সেখানে পানি বেশি ছিল। অন্য হাওরে পানি কমে যাওয়ায় অনেক পাখি এসব বিলে চলে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছর শুমারির সময় হাওরের নাগুয়া-লরিবাই বিলে পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পাওয়া গিয়েছিল। ওই জালে আটকে দুটি টিমেঙ্কের চাপাখির মৃতদেহও মিলেছিল। একই সময় পিংলা বিলের পাশে ‘কার্বোটাফ’ নামের এক ধরনের রাসায়নিক কীটনাশকের প্যাকেটও পাওয়া যায়। ধানের সঙ্গে ওই কীটনাশক মিশিয়ে বিলের আশপাশে ছিটিয়ে রাখা হতো। পাখিরা খাবার ভেবে তা খেয়ে মারা যেত। 

তবে এবার হাওরে এমন কোনো চিত্র দেখা যায়নি বলে জানান সরওয়ার আলম দীপু। তিনি বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট বিল ব্যবস্থাপনায় থাকা প্রতিষ্ঠানের নজরদারির কারণে শিকারিদের তৎপরতা কমে থাকতে পারে।

বার্ড ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, এবার হাকালুকি হাওরে অত্যন্ত বিরল প্রজাতির একটি সাদা কপাল রাজহাঁস দেখা গেছে। বাংলাদেশে এ প্রজাতির পাখি সাধারণত ১০ থেকে ১২ বছরে একবার দেখা যায়। এ ছাড়া এবার প্রথমবারের মতো হাওরে ১৯৪টি রাজহাঁসের দেখা মিলেছে, যা বাংলাদেশের জন্যও বিরল ঘটনা।

শুমারিতে উপকূলীয় অঞ্চলের সৈকতপ্রিয় কিছু পাখির সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। লালপা, গুলিন্দা, জৌরালিসহ বিভিন্ন প্রজাতির সৈকতপাখি মিলিয়ে সাত হাজারের বেশি পাখি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে জৌরালি পাখির সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় হাকালুকি হাওর বিস্তৃত। প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর আয়তনের এই হাওরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। সরকার ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে।

বার্ড ক্লাব ও আইইউসিএনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত ২০ বছরে সারা দেশে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা প্রায় ৩৫ শতাংশ কমেছে। হাকালুকি হাওরে এই হার প্রায় ৪৫ শতাংশ। ২০০০ সালের আগে এই হাওরে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার পাখির বিচরণ ছিল, যার বড় অংশই হাকালুকিতে দেখা যেত।

গত কয়েক বছরের পাখিশুমারির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে হাকালুকি হাওরে ৫২ প্রজাতির ৩৭ হাজার ৭৭৮টি, ২০২২ সালে ৫১ প্রজাতির ৩৬ হাজার ৫০১টি, ২০২১ সালে ৪৫ প্রজাতির ২৪ হাজার ৫৫১টি, ২০২০ সালে ৫৩ প্রজাতির ৪০ হাজার ১২৬টি, ২০১৯ সালে ৫১ প্রজাতির ৩৭ হাজার ৯৩১টি, ২০১৮ সালে ৪৪ প্রজাতির ৪৫ হাজার ১০০টি এবং ২০১৭ সালে ৫০ প্রজাতির ৫৮ হাজার ২৮১টি জলচর পাখির দেখা মিলেছিল। ২০২৪ সালে সেখানে কোনো পাখিশুমারি হয়নি।

পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়ে ইনাম আল হক বলেন, শুধু হাকালুকি হাওর নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশেই কয়েক বছর ধরে পাখির সংখ্যা কমছে। এর প্রধান দুটি কারণ হলো পাখির আবাসস্থল কমে যাওয়া এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি। অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে অনেক জায়গায় পাখির আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণতা পাখির জীবনচক্রেও প্রভাব ফেলছে।

হাওরের মাছের উৎপাদন ও জীববৈচিত্র্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই পাখি বিশেষজ্ঞ বলেন, হাওরে কৃষিকাজে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের প্রভাব পড়ছে জলজ পরিবেশে।

কীটনাশকের কারণে ফড়িংসহ বিভিন্ন পোকামাকড় ধ্বংস হচ্ছে, যা মাছের প্রধান খাদ্য। এতে মাছের উৎপাদনও কমে যাচ্ছে। এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিউদ্দিন বলেন, হাকালুকি হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। হাওরের পরিবেশ যাতে বিনষ্ট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

বিডি-প্রতিদিন/আশফাক

এই বিভাগের আরও খবর
অসময়ে তিস্তার ভাঙন, হুমকির মুখে ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
অসময়ে তিস্তার ভাঙন, হুমকির মুখে ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
মূলধন হারিয়েছেন তরমুজ চাষিরা
মূলধন হারিয়েছেন তরমুজ চাষিরা
রংপুরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আলু, ভুট্টা উৎপাদন
রংপুরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আলু, ভুট্টা উৎপাদন
সাগরে মাছ নেই, লবণের দাম নেই দিশেহারা কুতুবদিয়ার মানুষ
সাগরে মাছ নেই, লবণের দাম নেই দিশেহারা কুতুবদিয়ার মানুষ
সূর্যমুখীতে বদলাচ্ছে ভাগ্য, সিংড়ার কৃষক জাকিরের স্বপ্ন
সূর্যমুখীতে বদলাচ্ছে ভাগ্য, সিংড়ার কৃষক জাকিরের স্বপ্ন
কারমাইকেল কলেজে কাইজেলিয়ার নতুন বংশে ফুটেছে ফুল
কারমাইকেল কলেজে কাইজেলিয়ার নতুন বংশে ফুটেছে ফুল
স্বাদে-মানে অনন্য পাহাড়ের তরমুজ
স্বাদে-মানে অনন্য পাহাড়ের তরমুজ
গাকৃবিতে স্বল্পমেয়াদী ও উচ্চ ফলনশীল চিকন ধানের জাত ‘জিএইউ ধান ৪’ উদ্ভাবন
গাকৃবিতে স্বল্পমেয়াদী ও উচ্চ ফলনশীল চিকন ধানের জাত ‘জিএইউ ধান ৪’ উদ্ভাবন
তাহেরপুরী পিঁয়াজ বীজ চাষে লাভের স্বপ্ন বুনছেন কৃষক
তাহেরপুরী পিঁয়াজ বীজ চাষে লাভের স্বপ্ন বুনছেন কৃষক
গাংনীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ১০০ বিঘা গম
গাংনীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ১০০ বিঘা গম
লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড একাধিক গ্রাম
লালমনিরহাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড একাধিক গ্রাম
এবার জিরা চাষের সাফল্যে কৃষকের মুখে হাসি, অনেকেই চাষে আগ্রহী
এবার জিরা চাষের সাফল্যে কৃষকের মুখে হাসি, অনেকেই চাষে আগ্রহী
সর্বশেষ খবর
উত্তেজনার মধ্যেই বিশেষ সফরে ইরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
উত্তেজনার মধ্যেই বিশেষ সফরে ইরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধের পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে কতটি জাহাজ পার হলো?
মার্কিন অবরোধের পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে কতটি জাহাজ পার হলো?

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ টেবিল টেনিসে জাপানি কোচ নিয়োগ
বাংলাদেশ টেবিল টেনিসে জাপানি কোচ নিয়োগ

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁওয়ে বারি পেঁয়াজ-৫ বীজ উৎপাদনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
ঠাকুরগাঁওয়ে বারি পেঁয়াজ-৫ বীজ উৎপাদনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ার যানজট নিরসনে বুয়েট বিশেষজ্ঞদের মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন
বগুড়ার যানজট নিরসনে বুয়েট বিশেষজ্ঞদের মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা
কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন দিগন্তের সূচনা

১৭ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

উড়ন্ত বিমানে নারীকে যৌন হেনস্তা, অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার
উড়ন্ত বিমানে নারীকে যৌন হেনস্তা, অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ
বগুড়ায় কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ১ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হচ্ছে আজ রাত থেকে, দাবি ইরানের
লেবাননে ১ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হচ্ছে আজ রাত থেকে, দাবি ইরানের

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন
বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে হতাহত অন্তত ৩২
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে হতাহত অন্তত ৩২

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধান ক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ধান ক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে ৩ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে সৌদি
পাকিস্তানকে ৩ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে সৌদি

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০ এপ্রিল রাসিকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু
২০ এপ্রিল রাসিকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া : জাতিসংঘ
পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া : জাতিসংঘ

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান
‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্ববাজারে সাশ্রয়ী দামে মানবসদৃশ রোবট বিক্রি শুরু করেছে চীন
বিশ্ববাজারে সাশ্রয়ী দামে মানবসদৃশ রোবট বিক্রি শুরু করেছে চীন

৪৭ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৪০ কেজি ওজনের মৃত কচ্ছপ
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৪০ কেজি ওজনের মৃত কচ্ছপ

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার তিন সমুদ্রপথ অবরোধের হুমকি ইরানের, বিপাকে আমেরিকা
এবার তিন সমুদ্রপথ অবরোধের হুমকি ইরানের, বিপাকে আমেরিকা

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে জড়াতে চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধে জড়াতে চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সোমবার কুমিল্লায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু
সোমবার কুমিল্লায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানিকছড়িতে অবৈধ পাহাড় কাটার তদন্তে মাঠে কমিটি
মানিকছড়িতে অবৈধ পাহাড় কাটার তদন্তে মাঠে কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন
বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বেচ্ছায় মালয়েশিয়া ছেড়েছে ২ লাখ ৪ হাজার প্রবাসী, দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ
স্বেচ্ছায় মালয়েশিয়া ছেড়েছে ২ লাখ ৪ হাজার প্রবাসী, দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডের ৫৪ ক্রিকেটারই খেলছে বিদেশি লিগে, শক্ত হচ্ছে পাইপলাইন
নিউজিল্যান্ডের ৫৪ ক্রিকেটারই খেলছে বিদেশি লিগে, শক্ত হচ্ছে পাইপলাইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আবেদন গৌতম গম্ভীরের
চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আবেদন গৌতম গম্ভীরের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৭ জুন
হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ১৭ জুন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাহুবলী-পুষ্পাকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’
বাহুবলী-পুষ্পাকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনসিপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচন করার বিষয়ে যা বললেন মনজুর আলম
এনসিপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচন করার বিষয়ে যা বললেন মনজুর আলম

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘চীনা জাহাজের’ হরমুজ অতিক্রম নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
‘চীনা জাহাজের’ হরমুজ অতিক্রম নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৮ মাস বন্ধ থাকবে বুর্জ আল আরব
১৮ মাস বন্ধ থাকবে বুর্জ আল আরব

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নিয়ম
এসএসসি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নিয়ম

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগাম ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
আগাম ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি
রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাব
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম গ্রহণে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পেল ফিলিপাইন, উত্তেজনা তুঙ্গে
চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পেল ফিলিপাইন, উত্তেজনা তুঙ্গে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার কয়েক হাজার অমুক্তিযোদ্ধা বাদ
লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকার কয়েক হাজার অমুক্তিযোদ্ধা বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?
পৃথিবীকে বিপদমুক্ত করতে জোট বাঁধছে রাশিয়া-চীন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপেছে ইউক্রেন
যে কারণে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপেছে ইউক্রেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের
শুটিং সেটে যে খাবার না দিলে ‘মাথা গরম’ হয়ে যায় জয়া আহসানের

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ ম্যাচে জয়হীন কলকাতা, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক
পাঁচ ম্যাচে জয়হীন কলকাতা, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত
মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ অতিক্রম করলো দুটি ইরানি জাহাজ
হরমুজ অতিক্রম করলো দুটি ইরানি জাহাজ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ
নোয়াখালীতে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসীকে বড় সুখবর দিলো স্পেন
৫ লাখ নথিবিহীন অভিবাসীকে বড় সুখবর দিলো স্পেন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার ‘চুরি করা শস্য’বাহী জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন
রাশিয়ার ‘চুরি করা শস্য’বাহী জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানের সম্মতি ছাড়া হরমুজে কোনও করিডর নয়, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেহরানের সম্মতি ছাড়া হরমুজে কোনও করিডর নয়, হুঁশিয়ারি ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ অবরোধ ‘কার্যকর’ করতে না পেরে যে যুক্তি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
হরমুজ অবরোধ ‘কার্যকর’ করতে না পেরে যে যুক্তি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক