Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:৫৭

শোষিতের পক্ষে বঙ্গবন্ধু

আতিউর রহমান

শোষিতের পক্ষে বঙ্গবন্ধু

শোকের এই মাসে আমরা বঙ্গবন্ধুকে নানা আঙ্গিকেই বিচার করি, অনুমান করি। তাঁর বলা ও লেখার পর্যালোচনা করি। বহুমাত্রিক বঙ্গবন্ধু বর্ণিল ব্যক্তিত্বের এক বড় অংশজুড়েই রয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের মঙ্গলের জন্য তাঁর প্রচেষ্টার যেন শেষ নেই। এ দেশের কৃষক-শ্রমিক সাধারণ মানুষের কল্যাণে তিনি তাঁর সারাটা জীবনই সঁপে দিয়েছেন। তাঁর আত্মজীবনীমূলক লেখায় অসংখ্য সাধারণ মানুষের খোঁজ পাই। তাদের দুঃখে সমব্যথী এক বিশাল হৃদয়ের সন্ধান পাই। এই বঙ্গবন্ধুই জাতিসংঘে বলেছিলেন, ‘পৃথিবী দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে শোষক, অন্যদিকে শোষিত মানুষ। আমি শোষিতের পক্ষে।’ বিশেষ করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এই দুঃখী মানুষের দুঃখ মোচনে যেসব নীতি-উদ্যোগ নিয়েছিলেন তা সত্যিই অবিস্মরণীয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শোষণহীন সমাজ গঠনের স্বপ্নের জমিনের বড় অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশের কৃষক। সারা বাংলাদেশের হৃদয়কে এক করার নিরলস প্রচেষ্টায় তিনি কৃষকের চাওয়া- পাওয়াকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। গরিবহিতৈষী বঙ্গবন্ধু সেজন্যই স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কৃষকের দিকে নজর দেন। তিনি সব সময় বলতেন, ‘আমার দেশের কৃষক সবচাইতে নির্যাতিত।’ কৃষিতে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের জন্য তিনি কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেন। আবার কৃষি উৎপাদনে উৎসাহ জোগাতে ১৯৭৩ সালে তিনি ‘বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার’ তহবিল গঠন করেন। কৃষিতে উন্নত বীজ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেন।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কৃষক-শ্রমিকসহ মেহনতি মানুষের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টিই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। পঞ্চাশের দশকে তাঁকে দেখেছি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে কৃষকের পক্ষে কথা বলতে, ষাটের দশকে দেখেছি ছয় দফার আন্দোলনে তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে সোচ্চার হতে। আর স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দেখেছি সর্বক্ষণ কৃষক-অন্তপ্রাণ বঙ্গবন্ধুকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ২৮ অক্টোবর, ১৯৭০-এর ভাষণেও এ দেশের কৃষক-সমাজের অধিকার সংরক্ষণের কথা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন দ্ব্যর্থহীনভাবে। ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক সমাবেশে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর পর বঙ্গবন্ধু যে ভাষণ দেন তাতে কৃষকের জন্য অনেক প্রতিশ্রুতি ছিল। সেদিন বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমার দল ক্ষমতায় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করে দেবে। আর ১০ বছর পর বাংলাদেশের কাউকেই জমির খাজনা দিতে হবে না।’

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলোÑ ধ্বংসপ্রাপ্ত কৃষি-অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, কৃষি-যন্ত্রপাতি সরবরাহম জরুরি ভিত্তিতে বিনামূল্যে এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে নামমাত্র মূল্যে অধিক কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য ধানবীজ, পাটবীজ ও গমবীজ সরবরাহ করা হয়। দখলদার পাকিস্তানি শাসনকালে রুজু করা ১০ লাখ সার্টিফিকেট মামলা থেকে কৃষককে মুক্তি দেওয়া হয় ও তাদের সব বকেয়া ঋণ সুদসহ মাফ করে দেওয়া হয়। ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা চিরতরে রহিত করা হয়। ধান, পাট, তামাক, আখসহ গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্যপ্রাপ্তির লক্ষ্যে ন্যূনতম ন্যায্যমূল্য বেঁধে দেওয়া হয়। গরিব কৃষককে বাঁচানোর স্বার্থে সুবিধাজনক নিম্নমূল্যের রেশন-সুবিধা তাদের আয়ত্তে নিয়ে আসা হয়। বঙ্গবন্ধু-প্রণীত প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সামাজিক ন্যায়বিচার ও দারিদ্র্য নিবারণের তাগিদে কৃষি-উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের পর্যায়ে আনা হয়। ওই সময় দেশে ভূমিহীন কৃষকের সংখ্যা ছিল শতকরা ৩৫ ভাগ। বিরাজমান খাসজমির সঙ্গে ভূমিহীন কৃষকের মধ্যে বিতরণযোগ্য জমির সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য বঙ্গবন্ধু পরিবারপিছু জমির সিলিং ১০০ বিঘায় নির্ধারণ করে দেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্যস্বাধীন দেশের খাদ্য ঘাটতি ছিল প্রাথমিক হিসাবে ৩০ লাখ টন। তাৎক্ষণিক আমদানির মাধ্যমে এবং স্বল্পমেয়াদে উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ, উন্নত বীজ, সেচ ও অন্যান্য কৃষি-উপকরণ সরবরাহ করে এবং কৃষিঋণ মওকুফ, সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার ও খাসজমি বিতরণ করে কৃষি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের চেষ্টা করা হয়।

বঙ্গবন্ধু ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টনের ফরমুলা নির্ধারণে অত্যন্ত জোরদার উদ্যোগ নেন। এর ফলে ভাটির দেশ হিসেবে গঙ্গার পানির ৪৪ হাজার কিউসেক হিস্যা পাওয়ার সম্মতি তিনি আদায় করেন। ১৯৬৮-৬৯ সালের ১১ হাজার শক্তিচালিত পাম্পের স্থলে ১৯৭৪-৭৫ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৬ হাজার। এর ফলে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ এক তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৬ লাখ একরে উন্নীত হয়। বাংলার কৃষককে সারে ভর্তুকি দিয়ে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধু। গঙ্গা নদীর প্রবাহ থেকে অধিক পানিপ্রাপ্তি, সেচব্যবস্থার প্রসার, উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, অতিরিক্ত খাসজমিপ্রাপ্তি এবং মূল্যসমর্থনমূলক সচেতন ও কৃষকদরদি নীতির ফলে কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রগতির যে ধারা সূচিত হয়েছিল তারই ফলে আজ কৃষি ক্ষেত্রে শক্তিশালী ধারা বজায় রয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা সে ধারাকে আরও বেগবান করেছেন।

কৃষি ও কৃষকের উন্নতি, বিশেষ করে অধিক ফসল উৎপাদন, সেই সঙ্গে উৎপাদিত কৃষিপণ্য কৃষক যাতে সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করতে পারে সেদিকে বঙ্গবন্ধুর সুদৃষ্টি ছিল। সদ্যস্বাধীন দেশে কৃষি উৎপাদনের প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির সরবরাহ খুব বেশি না থাকলেও এগুলোর প্রয়োজনীয়তা তিনি অনুভব করতেন। কৃষিকাজের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সেচ, সার, বীজ ইত্যাদি ব্যবহারে কৃষককে তাদের নিজেদের বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগাতে বলতেন। জেলা-গভর্নরদের নির্দেশ দিয়েছিলেন কৃষি ও কৃষকের প্রতি নজর দেওয়ার জন্য। তিনি বিশ্বাস করতেন, কৃষিই যেহেতু এ দেশের জাতীয় আয়ের প্রধান উৎস, সেহেতু কৃষির উন্নতিই হবে দেশের উন্নতি।

১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ প্রথম স্বাধীনতা দিবসে বেতার-টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমার সরকার অভ্যন্তরীণ সমাজবিপ্লবে বিশ্বাসী। পুরনো সমাজব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। অবাস্তব তাত্ত্বিকতা নয়, আমার সরকার ও পার্টি বৈজ্ঞানিক সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি প্রবর্তনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। দেশের বাস্তব প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে পুরনো সামাজিক কাঠামো ভেঙে দিয়ে নতুন সমাজ গড়তে হবে। শোষণ ও অবিচারমুক্ত নতুন সমাজ আমরা গড়ে তুলব। এবং জাতির এই মহাক্রান্তিলগ্নে সম্পদের সামাজিকীকরণের পর্যায়ক্রমিক কর্মসূচির শুভ সূচনা হিসেবে আমার সরকার উল্লিখিত বিষয়গুলো জাতীয়করণ করেছে-

১. ব্যাংকসমুহ (বিদেশি ব্যাংকের শাখাগুলো বাদে), ২. সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানিসহ (বিদেশি বীমা কোম্পানির শাখাগুলো বাদে), ৩. সকল পাটকল, ৪. সকল বস্ত্র সুতাকল, ৪. সকল চিনিকল, ৫. অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌযানের বৃহদাংশ, ৬. ১৫ লাখ টাকা মূল্যের তদূর্ধ্ব সকল পরিত্যক্ত ও অনুপস্থিত মালিকানাভুক্ত সম্পত্তি, ৭. বাংলাদেশ বিমান ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনকে সরকারি সংস্থা হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে এবং ৮. সমগ্র বহির্বাণিজ্য রাষ্ট্রীয়করণের লক্ষ্য নিয়ে সাময়িকভাবে বহির্বাণিজ্যের বৃহদাংশকে এই মুহূর্তে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’

ওইদিন তিনি আরও বলেন, ‘সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থায় সমতা আনতে হবে। এবং উচ্চতর আয় ও নিম্নতম উপার্জনের ক্ষেত্রে যে আকাশচুম্বী বৈষম্য এত দিন ধরে বিরাজ করছিল তা দূর করার ব্যবস্থাদি উদ্ভাবনের জন্য আমি একটি বিশেষ কমিটি গঠন করার কথা বিবেচনা করছি। আজ আমরা বিশ্বসভ্যতার এক ক্রান্তিলগ্নে উপস্থিত। একটি নতুন বিশ্ব গড়ে তোলার স্বপ্নে আমরা বিভোর, একটি সামাজিক বিপ্লব সফল করার প্রতিশ্রুতিতে আমরা অটল, আমাদের সমস্ত নীতি- আমাদের সমস্ত কর্মপ্রচেষ্টা এই কাজে নিয়োজিত হবে। আমাদের দুস্তর পথ। এই পথ আমাদের অতিক্রম করতেই হবে।’

তবে শুরুতে রাষ্ট্রীয় খাতকে প্রাধান্য দিয়ে শিল্পায়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করলেও ধীরে ধীরে তিনি ব্যক্তি খাতের বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির দিকে মনোযোগী হন। তাই ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী ড. এ আর মল্লিক উল্লেখ করেন যে, ‘পুঁজি বিনিয়োগে বেসরকারি উদ্যোক্তাদিগকে যথাযথ ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করিবার জন্য এবং বৈদেশিক পুঁজি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিকল্পে, সরকার চলতি অর্থবৎসরের শুরুতে বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ২৫ লক্ষ হইতে ৩ কোটি টাকায় উন্নীত করেন এবং বেসরকারি খাতে কয়েকটি নতুন শিল্প গড়িয়া তোলার অনুমতি দেওয়া হইয়াছে।’ (বাজেট বক্তৃতা, ১৯৭৫-৭৬, পৃ: ৫)। তা ছাড়া ১৩৩টি পরিত্যক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়, ৮২টি ব্যক্তিমালিকানায় ও ৫১টি কর্মচারী সমবায়ের কাছে বিক্রি করা হয়। এভাবেই তাঁর জীবদ্দশাতেই শিল্পায়নকে ‘ডিরেগুলেট’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে এ প্রক্রিয়া বেগবান হয়। ধীরে ধীরে ব্যক্তি খাত শিল্পায়নের মূল চলিকাশক্তিতে আবির্ভূত হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রধানত ব্যক্তি খাতনির্ভর হলেও তাকে সহায়তার জন্য জ্বালানিসহ মেগা অবকাঠামো খাত সরকারি বিনিয়োগেই গড়ে উঠেছে। সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ ঘিরেই দেশে উল্লেখ করার মতো প্রবৃদ্ধির হার অর্জিত হচ্ছে। সর্বশেষ অর্থবছরে আমরা ৮.১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৮.২০ শতাংশ। শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, এ দেশের বঞ্চিতজনদের জন্য ব্যাপক অঙ্কের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। অতিদারিদ্র্যের হার আগামী কয়েক বছরেই কমিয়ে ৫ শতাংশের আশপাশে আনার ঘোষণা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সবার জন্য পেনশন কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের সবাইকে জীবন বীমার আওতায় আনার তোড়জোড় চলছে।

মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে গরিব-দুঃখী সবাই এখন ব্যাংকিং লেনদেন করতে পারছেন। ডিজিটাল ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটায় সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে স্বস্তি।

বড় বড় অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে জনজীবনে আরও স্বস্তির সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা যায়। মধ্যবিত্তের জীবন চলা এখনো বেশ চাপের মুখেই রয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল রেখে সবার জন্য গুণমানের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ আরও বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। তবে সেজন্য চাই সার্বিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। রাজনৈতিক ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখা গেলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জয়যাত্রা নিশ্চয় অব্যাহত রাখা যাবে। আর তাহলেই বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।

 

লেখক : অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর।


আপনার মন্তব্য