দ্বীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসারে হযরত গাউছুল আজম ঐতিহাসিক ও কিংবদন্তিতুল্য ভূমিকা পালন করেছেন। একদিকে তিনি আধ্যাত্মিক শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছেন, অন্যদিকে দ্বীনি শিক্ষার প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি নিজে যেমন মাদরাসার প্রতি ভালোবাসা ধারণ করেছেন, তেমনি তার অনুসারীদেরও মাদরাসাকে ভালোবাসার অসিয়ত করে গেছেন।
শনিবার নগরীর বায়েজি গাউছুল আজম সিটিতে কাগতিয়া এশাতুল উলুম কামিল (এম.এ.) মাদরাসার ৯১তম এনামি জলসায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ শাব্বীর আহমদ মোমতাজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ এবং নানুপুর মাজহারুল উলুম গাউছিয়া ফাযিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মুছলেহ উদ্দীন আহমদ মাদানী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন নূরী এবং মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী ফয়সাল প্রমুখ।
মিলাদ-কিয়াম শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।
বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল