কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিয় রাসূল (দ.) এর গভীর ভালোবাসায় নিজেকে উৎসর্গ করার মাধ্যমে পৃথিবীতে যাঁরা স্মরণীয় হয়েছেন, তাদের মধ্যে কিংবদন্তিতুল্য, বেনজির ব্যক্তিত্ব হলেন খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম (রা.)। নবীজিকে (দ.) অনুসরণ, অনুকরণ ও অনুভবে সর্বান্তঃকরণে ধারণ করে, আখলাককে গ্রহণ করে এবং হৃদয়ে লালন করে হযরত গাউছুল আজম (রা.) সমস্ত জীবন অতিবাহিত করেছেন। শরীয়তের পূর্ণ অনুসরণ এবং সুন্নতে মোস্তফার পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন, এমনকি মর্যাদার ব্যাপারেও তিনি শতভাগ সচেতন ছিলেন।
শুক্রবার দিন-রাতব্যাপী চট্টগ্রাম কাগতিয়া আলীয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিলে এসব কথা বলেন বক্তারা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য এবং সংগঠনের মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সালানা ওরসে পাক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চ.বি. গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জালাল আহমদ। বক্তব্য রাখেন মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর এবং মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল।
এই মহান ব্যক্তিত্বের ওরসে পাক পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) এর বরকতময় দিনে অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর তেলাওয়াতে সিজদাহসহ খতমে কুরআন আদায়ের সংখ্যা ছিল ২৮,০১২টি এবং খতমে তাহলিল ১,০৯৪টি। খতমে কোরআনের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল খতমে তাহলিল, খতমে ইউনুস, দরুদে সাইফুল্লাহ, দরুদে নারিয়াহ, নফল রোজা, নফল নামাজ, ফয়েজে কুরআন, মোরাকাবা, জিকিরে গাউছুল আজম মোর্শেদী, তাহাজ্জুদ, মিলাদ-কিয়াম আদায়ের মতো এবাদতময় সব কর্মসূচি। শরীয়ত ও সুন্নতে মোস্তফা (দ.) এর আদলে এমন কর্মসূচি পুরো বিশ্বে বিরল।
মিলাদ-কিয়াম শেষে প্রধান মেহমান দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
বিডি-প্রতিদিন/শআ