দুই দশক পর আগামী ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমন ঘিরে পুরোদমে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যে কয়েক দফা প্রস্তুতি সভা করেছে বিএনপির বিভিন্ন ইউনিট। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা, প্রচারসহ বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, তারেক রহমানের এ সমাবেশ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রেও তিনি। ফলে লাখো লাখো মানুষের উপস্থিতি, সৃষ্টি হবে নতুন ইতিহাস। সেজন্য শৃঙ্খলাবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও সর্বজনগ্রাহ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে আসবেন তারেক রহমান। পরেরদিন সকালে চট্টগ্রামের রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। একদিনের এ সফর শেষে তিনি সড়কপথে ফেনী হয়ে ঢাকা ফিরবেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, ‘নেতাকর্মীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে। এবার সরাসরি প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখার এবং ভাষণ শোনার সুযোগ পাবেন। স্বাভাবিকভাবে নেতাকর্মীদের মাঝে এটা নিয়ে উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজা বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে। আগামী ২৫ জানুয়ারি তার কথা শুনতে চট্টগ্রামবাসী মুখিয়ে আছে। শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, আপামর জনসাধারণও তাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।’
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, ‘বিপ্লবের পুণ্যভূমি চট্টগ্রামে আমাদের নেতার আগমন আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রতীক।’
চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইউনুস মিয়া জুয়েল বলেন, ‘বিএনপি যখন বিরোধী দলে, তখন থেকে রাজপথে থেকে রাজনীতি করেছি। আমাদের অভিভাবককে আমরা কাছে পাব, সামনাসামনি দেখব, এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’
বিডি-প্রতিদিন/এমই