ইরান যুদ্ধের প্রভাবে চট্টগ্রাম ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যের মধ্যকার ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার তথ্য দিয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বুধবার বিকাল পর্যন্ত ছয়টি বর্হিগমন ও পাঁচটি আগমনী ফ্লাইটসহ ১১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমান বন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল।
তিনি বলেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, আবুদাবি, শারজাহ ও দোহায় বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে গত পাঁচ দিনে চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন সংস্থার মোট ৪৬টি বর্হিগমন ও আগমনী ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বুধবার বাতিল হওয়া বর্হিগমন ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ বিমানের দুইটি, ইউএস বাংলার একটি ও এয়ার এরাবিয়ার তিনটি। বাতিল আগমনী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস বাংলার একটি করে ও এয়ার এরাবিয়ার তিনটি ।
এদিকে মাস্কাট থেকে আসা সালামএয়ারের ওভি-৪০১ ফ্লাইটটি সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম এসে ৯টায় মিনিটে ওভি-৪০২ হয়ে মাস্কাটের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ছেড়ে গেছে।
সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের মদিনা থেকে এবং ইউএস বাংলার বিএস-৩২২ ফ্লাইটটি মাস্কাট থেকে সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম এসেছে।
শনিবার যুদ্ধ শুরুর দিন শাহ আমানতে তিনটি করে বর্হিগমন ও আগমনী ফ্লাইট বাতিল হয়। পরের দিন তিনটি বর্হিগমন ও সাতটি আগমনী, সোমবার চারটি বর্হিগমন ও একটি আগমনী, মঙ্গলবার চারটি বর্হিগমন ও তিনটি আগমনী এবং বুধবার ছয়টি বর্হিগমন ও পাঁচটি আগমনী ফ্লাইট বাতিল হয়।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র শনিবার সকালে ইরানে হামলা শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে।
এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার প্রভাব পড়ে বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যকার আকাশপথেও। গেল চার দিনে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১৪৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়।
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ