স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক, চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক গবেষক অধ্যাপক ডা. এম এ ফায়েজ বলেছেন, রোগ, রোগী, রোগের ধরণ, উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার মাধ্যমেই চিকিৎসার নতুন নতুন ধরণ উদঘাটন করা সম্ভব হয়। তাই গবেষণা প্রকল্পে অনুদানের মাধ্যমে গবেষকদের উৎসাহ প্রদান জরুরি। এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানের উদ্যেক্তাদের ধন্যবাদ জানাই।
শনিবার সকালে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের (সিআইএমসি) সাতজন শিক্ষক ও গবেষককে গবেষণা অনুদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষক ও গবেষকদের মধ্য থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত মূল্যায়নে মোট সাত জনকে পাঁচ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়।
চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের এডভাইজার ও রিসার্চ সেলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতানের সভাপতিত্বে ও উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আখতারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির সাবেক ডীন অধ্যাপক মো. আমির হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ডিইএসএইচ এর ইসি কমিটির সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী, ট্রেজারার জালার উদ্দিন আকবর, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ ও চমেবি দন্ত অনুষদের সাবেক ডীন অধ্যাপক ডা. মো. আকরাম পারভেজ চৌধুরী, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আলী হোসাইন, সিআইএমসিএইচ এর পরিচালক ডা. অং সুইং প্রু মারমা, সিআইডিসিএইচ এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহকিুল জাব্বার, গবেষণা সেলের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. পারভেজ ইকবাল শরীফ।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. এম. এ ফায়েজ বলেন, এই প্রতিষ্ঠান শিক্ষা ও গবেষণায় যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে দেশের গন্ডি পেরিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের সুখ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।
অধ্যাপক আমির হোসনে বলেন, এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পর থেকে খুব সময়ে এতদ অঞ্চলের বাইরেও সারাদেশে একটি যুগান্তকারী স্বাস্থ্য-শিক্ষায় পথপ্রদর্শক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আশা করি, কর্তৃপক্ষের অব্যাহত সহযোগিতা ও সুদক্ষ নেতৃত্বে এ প্রতিষ্ঠান আরো অনকেদূর এগিয়ে যাবে।
বিডি প্রতিদিন/এএম