রাজধানীর খিলগাঁও নন্দীপাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে পারভেজ (২৩) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের লোকজন তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে রাত ২টা ১০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত পারভেজ একটি টিস্যু তৈরির কারখানায় কর্মরত একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তবে গত প্রায় ১৪ দিন ধরে তিনি কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন না বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
পারভেজের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলায়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর খিলগাঁও নন্দীপাড়া আব্বাস আলী রোড এলাকার একটি ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। তার বাবার নাম খায়রুল উদ্দিন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে পারভেজ ছিলেন সবার ছোট।
নিহতের বড় বোন পান্না আক্তার জানান, পারভেজ এলাকার কিছু বখাটে ছেলেদের সঙ্গে চলাফেরা করত এবং মাঝে মাঝে মাদক সেবন করত। কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে সেই ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে কিছু জানিনা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার রাতে বাসায় কেউ উপস্থিত ছিল না। সেই সুযোগে ঘরের কাঠের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় পারভেজ। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ