রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। টানা ২৪ দিন বন্ধ থাকার পর রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে বাইরের একটি কোম্পানি থেকে ভ্যাকসিন ক্রয় করে রোগীদের বিনামূল্যে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন প্রদান করছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারিভাবে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন। একদিকে হাসপাতালে ভ্যাকসিনের মজুদ না থাকা, অন্যদিকে নগরীর বাইরের ওষুধের দোকানগুলোতেও এই ভ্যাকসিন না পাওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম বিপাকে পড়েন।
রামেক হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়, রামেক হাসপাতালে নিয়মিতভাবে বিনামূল্যে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়ে থাকে। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ২৭০ থেকে ২৮০ জন রোগী জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। সে হিসেবে প্রতিমাসে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার পিস ভ্যাকসিন রোগীদের জন্য প্রয়োজন হয়। নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানান, জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের এক ভায়ালের বাজারমূল্য প্রায় ৪০০ টাকা।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছি, তবে এখনো সরকারিভাবে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন আসেনি। তবে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বাইরের একটি কোম্পানি থেকে ভ্যাকসিন কিনে রোগীদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন হাসপাতালে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের চাহিদা প্রায় ২৭০ থেকে ২৮০টি।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ