শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:০৫, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০৩:০৬, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বাতিহীন সড়কে অপরাধীর দাপট

কোথাও সড়কবাতি আছে, তবে আলো নেই। কোথাও আলো থাকলেও নিভু নিভু। আর কিছু এলাকায় বাতিই নেই। ফলে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই অন্ধকারে ডুবে যায় পুরো এলাকা।

এই সুযোগে বেড়ে যায় চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের উৎপাত। নীরবে-নির্বিঘ্নেই ঘটে যায় অপরাধ। রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক থেকে শান্ত আবাসিক এলাকা—সবখানেই এই অভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা—সবার অভিযোগের তীর সিটি করপোরেশনের দিকে।

এক সপ্তাহ ধরে কয়েকজন সাংবাদিক বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেছেন। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জগামী সড়ক, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগপারের নতুন আবাসিক অঞ্চল, উত্তরা, বাড্ডা, রামপুরা, ফার্মগেট, বাংলামোটর, মগবাজার, হাতিরঝিল, শ্যামলী কিংবা আজিমপুর—বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। কোথাও প্রধান সড়কে বাতি নেই, কোথাও অলিগলি অন্ধকারে ডুবে থাকে পুরো রাত। স্থানীয়দের ভাষ্য, আলোকস্বল্পতার সুযোগে নিয়মিত ঘটছে চুরি, ছিনতাই ও মাদক কারবার। অনেক এলাকায় রাতে একা চলাচল করাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এসব এলাকার বাসিন্দারা জানান, সিটি করপোরেশন নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স নিলেও মৌলিক নিরাপত্তাসেবার অন্যতম উপাদান সড়কবাতি নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সন্ধ্যার পর রাজধানীর অনেক আবাসিক এলাকা হয়ে ওঠে আতঙ্কের জনপদ। এতে সন্ধ্যার পর ঘরের বাইরে নিরাপদ বোধ করেন না অনেকেই।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, যেসব স্থানে অন্ধকার থাকে এবং সড়কবাতি থাকে না, সেসব স্থানে চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেশি হয়। এসব অপরাধপ্রবণ এলাকাকে আলোকিত রাখা সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব। আবার সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা  করলেও বাতি চুরি হয় বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বাস্তবতা তো সিটি করপোরেশনের জানার বাইরে না। শুধু সড়কবাতি স্থাপন করলেই হবে না, এগুলো মনিটর করাও তাদের দায়িত্ব। তাদের মনিটরিং খুবই দুর্বল। তাদের দুর্বলতার সুযোগেই অপরাধ বাড়ছে। সিটি করপোরেশন তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করায় রাজধানীবাসী চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না।

দেড় যুগেও সড়কবাতি পায়নি নতুন হাউজিংগুলো : মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ থেকে নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জ সড়ক ঘিরে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগপারে গত দেড় যুগে গড়ে উঠেছে ডজনখানেক নতুন আবাসিক এলাকা। ২০০৯ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু চালুর পর দ্রুত বাড়তে থাকে এসব হাউজিং প্রকল্প। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও সেখানে পৌঁছায়নি পর্যাপ্ত সড়কবাতি। সন্ধ্যার পর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে নেমে আসে অন্ধকার। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অন্ধকারই এখন চুরি, ছিনতাই ও মাদক কারবারের অন্যতম বড় সহায়ক।

সরেজমিনে তুরাগ হাউজিং, চন্দ্রিমা হাউজিং, বছিলা সিটি হাউজিং, ওয়েস্ট ধানমণ্ডি হাউজিং, মেট্রো হাউজিং, ঢাকা উদ্যান, একতা হাউজিং, নবীনগর ও চাঁদ উদ্যান এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ সড়কেই পর্যাপ্ত সড়কবাতি নেই। কোথাও কয়েকটি বাতি থাকলেও সেগুলো প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। আবার অনেক বাতি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

সবচেয়ে বড় আবাসিক প্রকল্পগুলোর একটি বছিলা সিটি হাউজিংয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে একটি সড়কবাতিও চোখে পড়েনি। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদ্যুৎ চলে গেলে তিনটি ব্লকের ৩৬টি সড়ক পুরোপুরি অন্ধকারে ডুবে যায়। একই অবস্থা মেট্রো হাউজিং ও আশপাশের সংযোগ সড়কগুলোতেও।

ঢাকা উদ্যানের বাসিন্দা ও একটি জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক শেখ তৌফিক বলেন, ‘মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীদের জন্য ঢাকা উদ্যান বা বছিলা এলাকা এখন জনপ্রিয়। কিন্তু সড়কবাতির অভাবে চুরি-ছিনতাই নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আমিও দুইবার চুরির শিকার হয়েছি। অন্ধকার সড়কে অপরাধী সহজেই পালিয়ে যেতে পারে।’ বছিলা সিটি হাউজিংয়ের বাসিন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী অর্পিতা অমি বলেন, ‘আমাদের এলাকায় ঠিকমতো একটিও সড়কবাতি নেই। গত ঈদের আগে বাবার ফোন ছিনতাই হয়ে গেছে।’

চন্দ্রিমা হাউজিং ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ রাস্তাই অন্ধকার। স্থানীয় বাসিন্দা মো. সেলিম বলেন, ‘পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে সিটি করপোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স নিচ্ছে। অথচ সড়কবাতি লাগায় না। দু-একটি বাতি আছে, সেগুলো হাউজিং কর্তৃপক্ষ নিজেরা লাগিয়েছে।’

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে ৩০ থেকে ৪০ জন নিরাপত্তাকর্মী কাজ করলেও তাদের বেশির ভাগই স্থানীয় বখাটে ছেলে। সিটি করপোরেশনের কার্যকর নজরদারি নেই।’

এলাকার আরেক বাসিন্দা লিপন শেখ বলেন, ‘এখানে নিয়মিত ছোটখাটো চুরি হয়। এসির তামার পাইপ, বিদ্যুতের কেবল, বাথরুমের গ্লাস, এমনকি মিটার পর্যন্ত খুলে নিয়ে যায়। মাঝেমধ্যে ছিনতাইও হয়।’

গত ৪ মে চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে দুই লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এতে হৃদয় (২৩) নামের এক দোকানকর্মী আহত হন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।

নবোদয় হাউজিং ও কাটাসুর এলাকায়ও সড়কবাতির সংকট প্রকট। স্থানীয় বাসিন্দা অ্যাডভোকেট জুবায়ের আলম বলেন, ‘কাটাসুরে ঢুকতেই বেশির ভাগ রোড লাইট নষ্ট। গুরুত্বপূর্ণ গলিগুলোও অন্ধকার থাকে। রাতে পুলিশের টহলও কম।’

আদাবর থানার মনসুরাবাদ হাউজিং এলাকার ব্যবসায়ী মো. মোসলেম বলেন, ‘শাখা সড়কগুলো অন্ধকার থাকে। এ জন্য নিয়মিত চুরি-ছিনতাই হয়। পাশাপাশি মাদকের কারবারও বাড়ছে।’

লালমাটিয়া প্রধান সড়কেও অনেক জায়গায় বাতি নেই। এ এলাকার বাসিন্দা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এলাকায় পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকায় মানুষ আতঙ্কে থাকে। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে।’

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মে থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এক বছরে থানাটিতে দস্যুতার মামলা হয়েছে ৩৬টি, চুরির মামলা ৭১টি এবং হত্যা মামলা ২২টি। একই সময়ে আদাবর থানায় ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে ১৬টি, চুরির মামলা ৩২টি এবং হত্যা মামলা পাঁচটি।

তবে স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে অপরাধের সংখ্যা আরো বেশি। অনেক ঘটনায় মামলা পর্যন্ত হয় না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মোহাম্মদপুর থানার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০টি ছিনতাইয়ের অভিযোগ আসে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে মামলা না হয়ে জিডি হয়। গত ১০ বছরে নতুন নতুন হাউজিং গড়ে উঠলেও সড়কবাতি বাড়েনি। সন্ধ্যার পর অনেক এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। ফলে অপরাধ বাড়ছে।’

বাড্ডা-রামপুরা-হাতিরঝিল অন্ধকারে : এদিকে ফার্মগেট থেকে শাহবাগ পর্যন্ত রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ও জনবহুল সড়কটিতেও সড়কবাতি নেই। হাতে গোনা দু-একটি বাতি দেখা গেলেও আলো নিভুনিভু করে। গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা গেছে। এ ছাড়া রামপুরা, বাড্ডা ও হাতিরঝিল এলাকায় সড়কবাতির স্বল্পতা দেখা গেছে। খোদ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরাই এ কথা স্বীকার করেন।

একই অবস্থা বাড্ডা, রামপুরা ও হাতিরঝিলেও। বাড্ডার বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, রামপুরা ব্রিজ থেকে বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ার পর্যন্ত প্রধান সড়কের বেশির ভাগ বাতি নষ্ট। প্রধান সড়কেই ছিনতাই হয়।

সড়কবাতি স্থাপনের বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করে হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এখানকার সড়কে পর্যাপ্ত বাতি লাগাতে থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশনে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে করপোরেশন এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

ছিনতাইয়ের বিষয় স্বীকার করে তিনি বলেন, মাঝেমধ্যে এখানে (হাতিরঝিলে) ছিনতাই হয়। অন্ধকারের জন্য সমস্যা বেশি হচ্ছে। আলো থাকলে অপরাধ কম হতো, এটাই স্বাভাবিক।

উত্তরা যেন অপরাধীর আখড়া : ভয়াবহ নিরাপত্তাঝুঁকিতে রয়েছে উত্তরাবাসীও। প্রায়ই এই এলাকায় কোনো না কোনো চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। আবাসিক এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাই অন্ধকার। আলোর স্বল্পতার কারণে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে। অনেক সময় মাদকসেবীরা মাদকের টাকা সংগ্রহের জন্য এসব চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে। রাস্তায় পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকায় এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে বলে অভিযোগ এখানকার বাসিন্দাদের।

গত বৃহস্পতিবার উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের ৫, ৬, ৭, ১৩ ও ২০ নম্বর সড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কবাতি থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। ২০ নম্বর সড়কে পর্যাপ্ত সড়কবাতি না থাকায় প্রায়ই চুরি-ছিনতাই ও মাদক সেবনের ঘটনা ঘটছে।

৩ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের বাসিন্দা কবিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। লাইট না থাকার কারণে এখানে যেমন মাদক সেবনের ঘটনা ঘটছে, তেমনি চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে। প্রায়ই কারো না কারো বাসায় চুরি হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর টহলও সেভাবে চোখে পড়ে না।’

কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো ঘটে গভীর রাতে। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকলেও অনেক সময় চোর রাস্তার পাশের বন্ধ দোকানগুলোতে লুকিয়ে থাকে। তখন আর তাদের দেখা যায় না।

সংকটে আরো যত এলাকা : শ্যামলী এলাকায় সড়কবাতির সংকট দেখা গেছে। স্থানীয় লোকজন জানায়, এই সংকট কৃত্রিম। অন্ধকার এলাকায় মাদক কারবার সহজ হয়। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনকে তাগাদা দিয়েও কাজ হয় না। শেরেবাংলানগর থানা ছাত্রদলের এক নেতা সিটি করপোরেশনের দায়িত্বরতদের নিয়মিত ফোন করে সড়কবাতি ঠিক করতে বললেও তাঁরা ঠিক করেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই নেতা বলেন, সড়কবাতি ঠিক করার জন্য সিটি করপোরেশনকে বললে তারা ডেসকোর কাছে পাঠায়। আবার ডেসকোর কাছে গেলে সিটি করপোরেশনের কাছে পাঠায়। কিন্তু কাজটা তো সিটি করপোরেশনের।

সড়কবাতির স্বল্পতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবুবাজার, গির্জা গলি, কেমিক্যাল রোড এলাকায় সড়কবাতির স্বল্পতা রয়েছে। এসব এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

আজিমপুরেও সড়কবাতির অবস্থা বেহাল। ফলে নিয়মিত অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. হোসাইন বলেন, নীলক্ষেত থেকে আজিমপুর পর্যন্ত দীর্ঘ প্রধান সড়কের বেহাল। পুরো সড়কে অল্প কয়েকটি বাতি সচল রয়েছে। ইডেন, গার্হস্থ্য কলেজের গেটের আলোয় রাতে চলাচলে কাজ দেয়। এ ছাড়া বাকি সড়কই অন্ধকারে। বিশেষ করে বিপরীত পাশের সড়ক। আজিমপুর কলোনির পাশের রাস্তায় কোনো সড়কবাতি নেই। একই অবস্থা একবারে নীলক্ষেত থেকে আজিমপুর ম্যাটার্নিটি পর্যন্ত। তিনি বলেন, আজিমপুরের নিউ পল্টন লাইন থেকে সেকশন সড়কটি নিউমার্কেট আসা হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীর চর প্রধান সড়কেও বাতি নেই। সড়কের মোড় বাদে বাকি সড়কবাতিগুলো দীর্ঘদিন অচল। গোটা আজিমপুরে সড়কবাতির অভাবে বেশির ভাগ এলাকা ভূতুড়ে। গাবতলীর খালেক সিটি সড়কেও একই অবস্থা।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য : সড়কবাতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কবাতি অকেজো কিংবা কোনো কারণে বন্ধ থাকলে আমরা অভিযোগ পেলে সেগুলো দ্রুত মেরামত করে দিই। দীর্ঘদিন সড়কবাতি নেই এমন কোনো জায়গা থাকার কথা না।’

ফ্লাইওভার, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়কেও সড়কবাতি অকেজো থাকছে নিয়মিত—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মহাখালী, কুড়িল ফ্লাইওভারের সড়কবাতির তার কয়েক দিন পরপরই চুরি হয়ে যাচ্ছে। তাই সেখানে সমস্যা হয়। তবে আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করি। বিভিন্ন সড়কেও সড়কবাতি, তার চুরি হয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের ভোগাচ্ছে।’

তাঁর দাবি, ‘আমরা যেকোনো এলাকা থেকে অভিযোগ পেলে সেখানে সড়কবাতি স্থাপনসহ মেরামত করে আসছি। লোকবলসংকটের কারণে কিছু জায়গায় একটু সময় লাগছে। নতুন এলাকাগুলোতে প্রকল্পের কাজ চলমান, তাই প্রকল্পের আওতায় সড়কবাতিও স্থাপন করা হবে।’

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

 

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ
মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ
টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার
টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
আশুলিয়ায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক
আশুলিয়ায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের
রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়
রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়
বগুড়ায় বর্ষা বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বগুড়ায় বর্ষা বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
রংপুরে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালি
রংপুরে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালি
ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে সাপ উদ্ধার
ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে সাপ উদ্ধার
জর্ডানে শ্রমিক পাঠানোর নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ৩
জর্ডানে শ্রমিক পাঠানোর নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ৩
বগুড়ায় শিশু রাখার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি
বগুড়ায় শিশু রাখার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি
দেশে প্রথমবারের মতো সফল ভেনাস সাইনাস স্টেন্টিং, প্রশংসায় ভাসছেন ডা. হিমু
দেশে প্রথমবারের মতো সফল ভেনাস সাইনাস স্টেন্টিং, প্রশংসায় ভাসছেন ডা. হিমু
সর্বশেষ খবর
রামিসা হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির পেপারবুক প্রস্তুত
রামিসা হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির পেপারবুক প্রস্তুত

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

কাবা শরীফে মোড়ানো হলো স্বর্ণখচিত নতুন গিলাফ
কাবা শরীফে মোড়ানো হলো স্বর্ণখচিত নতুন গিলাফ

৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

হবিগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত এক, আহত ২৫
হবিগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত এক, আহত ২৫

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বচ্যাম্পিয়নের তকমা কোনো নিশ্চয়তা নয়: স্কালোনি
বিশ্বচ্যাম্পিয়নের তকমা কোনো নিশ্চয়তা নয়: স্কালোনি

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আগামী পাঁচদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, যা জানা গেল
আগামী পাঁচদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, যা জানা গেল

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

২০০তম ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের নতুন মিশনে মেসি
২০০তম ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের নতুন মিশনে মেসি

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আলজেরিয়া ম্যাচের আগে কী ভাবছেন স্কালোনি!
আলজেরিয়া ম্যাচের আগে কী ভাবছেন স্কালোনি!

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব
আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ম্যাচ শেষেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, ইরানের কোচ ও অধিনায়কের ক্ষোভ
ম্যাচ শেষেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, ইরানের কোচ ও অধিনায়কের ক্ষোভ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ
আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
১৬ ম্যাচের ৮টিই ড্র! ২০২৬ বিশ্বকাপে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি
নেইমারের মাঠে ফেরা নিয়ে বাড়ল অনিশ্চয়তা, পরিবারে আসছে নতুন অতিথি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া ২০ কর্মদিবসের মধ্যে জমার নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু
দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি, ৫২ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ
মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস
৬৮ বছর পর বিশ্বকাপে এক দিনে চারটি ড্র, গড়ল বিরল ইতিহাস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের
মিনাব হামলায় নিহত ১৬৮ শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্মরণ ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার
টঙ্গীতে সাড়ে দশ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন
বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচসহ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন
সন্দ্বীপ এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!
ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ এনসিপি ঝড়!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
নাফ নদী থেকে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী
আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০
চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮
যেভাবে বিধ্বস্ত হয় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান, নিহত ৮

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি বানচালে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

২৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!
৯০ মিনিটেই মিলিয়নিয়ার কেপ ভার্দের গোলরক্ষক!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান
হরমুজ দিয়ে চলাচলে ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে: ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে
আরও এক ড্র, শেষ মুহূর্তের গোলে সৌদির বিপক্ষে হার এড়ালো উরুগুয়ে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল
নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন শিক্ষক, ছবি ভাইরাল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি
রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’:  জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য
‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত
মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান
বিশ্বকাপে নাটকীয় লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা
দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে ডেকে যা জানালো ঢাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি: বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব
দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর
প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে সাধারণ জ্বর

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা
ইতিহাসের সামনে আর্জেন্টিনা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি প্রবেশে বাধায় তোলপাড়

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাগলের পেটে তালগাছ
ছাগলের পেটে তালগাছ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে
নজর থাকবে জিদানপুত্রের দিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম
আগেভাগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম

পেছনের পৃষ্ঠা

সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি
সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ গৃহীত হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ

প্রথম পৃষ্ঠা

জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে
জালিয়াতি দুর্নীতির নথি যাচ্ছে দুবাইয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল
ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেই সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন
সরকারের তোষামোদ নয় সত্য তুলে ধরুন

প্রথম পৃষ্ঠা

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী

সম্পাদকীয়

পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ
পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব
ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ কর প্রত্যাহার চায় রিহ্যাব

পেছনের পৃষ্ঠা

নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়
নরসুন্দা নদী এখন ময়লার ভাগাড়

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি
আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষে মুখোমুখি

নগর জীবন

মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ
মাদারগঞ্জের দুই যুবক রাশিয়ায় নিখোঁজ

প্রথম পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা
বসুন্ধরা কিংস অ্যারিনা থেকে বিশ্বকাপে  ইরানকুন্ডা

মাঠে ময়দানে

রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ
রপ্তানিতে মূল্য সংযোজনের শর্ত প্রত্যাহার প্রস্তাবে উদ্বেগ

শিল্প বাণিজ্য

অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে
অতিরিক্ত কর ফেরত ৬০ দিনে

শিল্প বাণিজ্য

মনে হওয়ার খেসারত
মনে হওয়ার খেসারত

সম্পাদকীয়

হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
হানি ট্র্যাপে ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

পেছনের পৃষ্ঠা

তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট
তালগাছ লাগানোর নামে লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে
ভাতার টাকা কোথায় খরচ যাচাই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

দুই দিন বন্ধ যান চলাচল
দুই দিন বন্ধ যান চলাচল

দেশগ্রাম

টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে
টাকা তোলা হলো মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত
প্রথম নির্মাণেই বাজিমাত

শোবিজ

ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন
ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন বগি বিচ্ছিন্ন

দেশগ্রাম