Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:৪৯

প্রযুক্তির সমারোহ ফার্মা এক্সপোতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রযুক্তির সমারোহ ফার্মা এক্সপোতে

রাজধানীর কুড়িলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় চলছে নবম এশিয়া ফার্মা এক্সপো ২০১৭। মেলার দ্বিতীয় দিন গতকাল উদ্যোক্তা, দর্শনার্থীদের ভিড়ে জমজমাট ছিল। দেশের সম্ভাবনাময় খাত ওষুধশিল্পের আধুনিক প্রযুক্তির এ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে দেশি-বিদেশি ৬০০ কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানগুলো ওষুধ উৎপাদনের প্রযুক্তির বিশাল সমাহার নিয়ে স্টল সাজিয়েছে। দেশের চিকিৎসাসেবার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থান পেয়েছে স্টলগুলোতে। এ ছাড়া বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করছে।

বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতি আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন ১০ থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত চলবে। মেলা উন্মুক্ত সবার জন্য। আজ মেলার শেষদিন। এবারের এক্সপোতে আমেরিকা, জাপান, চীন ও ভারতসহ ৩৫টি দেশের ৬০০ ওষুধ কোম্পানি অংশ নিয়েছে। এতে দেশি উদ্যোক্তারা ওষুধশিল্প সংক্রান্ত আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সম্পর্কে জানতে পারবেন। গতকাল এক্সপোতে গিয়ে দেখা গেছে, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করতে এক অনন্য প্রদর্শনী। এ এক্সপোতে প্রথম দিনেই হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় করছেন।  সারা দেশ থেকে উদ্যোক্তারা এসেছেন। তারা ঘুরে ঘুরে দেখছেন প্রদর্শনী। বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন। এসব সরঞ্জামের সুবিধা সম্পর্কে স্টল কর্মীরা তুলে ধরছেন। প্রদর্শনীতে দেশি উদ্যোক্তারা ওষুধশিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ এবং কাঁচামাল সম্পর্কে পরিচিত হচ্ছেন। প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলো সব ধরনের ওষুধের কার্যকারিতা সম্পর্কে মানুষকে ধারণা দিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। স্টলগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রতিষেধক সম্পর্কে নানা তথ্য সংবলিত হ্যান্ডবিল, বই। শুধু উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষ নন চিকিৎসকরাও এসেছেন প্রদর্শনীতে। তারা ওষুধের গুণাবলি, বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কেও জানতে পারছেন।

শুধু তাই নয়, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করতে এক অনন্য প্রদর্শনী এ এক্সপোতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। সারা দেশ থেকে উদ্যোক্তারা এসেছেন। তারা ঘুরে ঘুরে দেখছেন প্রদর্শনী। দর্শনার্থীরা দেখছেন একটি মেশিনের মধ্যেই বিভিন্ন কেমিক্যাল দেওয়ার পর ট্যাবলেট হয়ে বের হচ্ছে। স্টল কর্মীরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন কীভাবে কেমিক্যাল ঢালতে হবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেমিক্যাল সঠিক মাপে নির্দেশনা দিচ্ছে মেশিন। তৈরি ট্যাবলেট আরেকটি মেশিনে প্যাকিং হয়ে বের হচ্ছে। প্যাকিংসহ ওষুধ গিয়ে ঢুকছে আরেকটি মেশিনে সেখানে ওষুধের নাম, সিল, লোগো ছাপা হয়ে বের হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সময় লাগছে আধা ঘণ্টা। স্টল কর্মী জানান, এই প্রযুক্তি বাংলাদেশে এই প্রথম এসেছে। বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাতে সময় লাগে তিন থেকে চার ঘণ্টা। একই সঙ্গে ট্যাবলেট তৈরি থেকে প্যাকিং পর্যন্ত আলাদা মেশিন ও অপারেটরের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই মেশিনে মাত্র একজন অপারেটরই যথেষ্ট। এই মেশিনে কেমিক্যাল আলাদা পাত্রে রাখতে হয়। যা মেশিনই সঠিক মাপ নিয়ে ট্যাবলেট তৈরি করে। বিভিন্ন ধরনের সিরাপ তৈরির মেশিনও রয়েছে। এসব মেশিনে ভিন্ন ভিন্ন পাত্রের মধ্যে কেমিক্যাল দিলেও মেশিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ে সিরাপ তৈরি করছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর