শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০২:১৩

পল্লবীতে গ্যাসলাইনে আগুন

ছেলের পর মারা গেলেন মা

নিজস্ব প্রতিবেদক

Google News

রাজধানীর পল্লবীতে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন মিনা আক্তার (২২) ও তার সাত মাস বয়সী ছেলে তামিম। এ ঘটনায় মিনার স্বামী মানিক মিয়া (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা বলছেন, তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থাও শঙ্কাজনক। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১, রোড-৪-এর ৪ নম্বর বাসার নিচতলায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে আগুন লাগে। এতে মানিক, মিনা ও ওই দম্পতির সন্তান তামিম দগ্ধ হন।

 রাতেই তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পথে শিশু তামিম মারা যায়। আর বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বেলা সোয়া ২টায় মারা যান মিনা আক্তার।

জানা গেছে, এ পরিবারটি ওই বাসার নিচ তলার একটি কক্ষে থাকে। মানিক বাড়িটির নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োজিত। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পানির মোটরের সুইচ চালু করেন। এ সময় তার কক্ষের ভিতরে থাকা পানির রিজার্ভ ট্যাঙ্কটি বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে তা পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগেই তিনজন দগ্ধ হন।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল বলেন, আগুনে মিনার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাকে ভর্তি করানোর পর রাতে ও সকালে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। কিন্তু দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। মানিক আইসিইউতে রয়েছেন। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

মিনার মা আসিয়া বেগম বলেন, তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইলে। মানিকের বাড়িও ওখানে। এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। আগুনে একটি পরিবার তছনছ হয়ে গেল। অথচ বাড়িওয়ালা একটিবারের জন্যও খোঁজ নেননি, হাসপাতালে আসেননি।

এই বিভাগের আরও খবর