শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ জুলাই, ২০১৯ ২৩:৫২

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ

প্রশ্নবিদ্ধ মশক নিধন কার্যক্রম

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

প্রশ্নবিদ্ধ মশক নিধন কার্যক্রম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মশক নিধন কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ চরম আকার ধারণ করলেও এমন কঠিন মুহূর্তেও চসিকের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম দৃশ্যমান হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপের এই সময়েও চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। তবে চসিক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানা যায়। নগরবাসীর অভিযোগ, চসিকের                মশক নিধন কার্যক্রমে প্রতি বছর কোটি টাকা খরচ করলেও তা অনেকটা কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। ১৫ দিন আগে এ কার্যক্রম শুরু হলেও অনেক এলাকায় এখনো কাউকে দেখা যায়নি। নালা-নর্দমা আবর্জনায় ভরপুর থাকায় উৎপাদন হচ্ছে এডিস মশা। এসব পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় মশা বাড়ছে। চকবাজার ডিসি রোডের বাসিন্দা ফয়সাল বলেন, ‘দেশজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ। এমন অবস্থায়ও মশক নিধন কার্যক্রম চোখে পড়ছে না।’

 হালিশহর আনন্দ বাজারের বাসিন্দা ইমন বলেন, ‘চসিক ১৫ দিন আগে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করলেও কাউকেই চোখে পড়ল না।’ চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চসিক ১৫ জুলাই ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। এ কর্মসূচিতে মোট ১৬৩ জন কর্মী কর্মরত আছেন। ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় এ কার্যক্রম চলছে। মানুষকে সচেতন করতে স্বাস্থ্য বিভাগ লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করছে। চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম চলছে। কর্মসূচি থেকে কোনো ওয়ার্ড-এলাকা বাদ যাবে না।’ চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বিনামূল্যে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বর শনাক্ত করতে এনএস-১, সিবিসি ও প্লাটিলেট পরীক্ষা করা হবে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর