শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৫২

বেহাল এক সড়কের গল্প

মির্জাপুর টু ভবানীপুর

খায়রুল ইসলাম, গাজীপুর

বেহাল এক সড়কের গল্প

গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর থেকে মণিপুর-তালতলী-বিকেবাড়ী-ডগরী হয়ে মির্জাপুর বাজার পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়ক যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে মির্জাপুর ইউনিয়নের তালতলী থেকে পশ্চিম ডগরী পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ডগরী থেকে মির্জাপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার   সড়কে সৃষ্ট গভীর খানাখন্দের কারণে সড়কটিতে আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ দীর্ঘদিনেও সড়কটি মেরামত বা সংস্কার না করায় এ সড়কে যাতায়াতকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ডগরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পশ্চিম ডগরী জামে মসজিদ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে খানাখন্দের কারণে হেঁটে চলাচলও মুশকিল হয়ে পড়েছে। সড়কটির এ অংশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে প্রায় এক বছর ধরে। এতে ভবানীপুর, বেগমপুর, মণিপুর ও পিরুজালীসহ সদরের বিভিন্ন এলাকার অর্ধলক্ষাধিক মানুষকে বিকল্প পথে মির্জাপুর যেতে হচ্ছে।

সদর উপজেলার স্থানীয় অধিবাসী ওবাইদুল ইসলাম জানান, বেহাল সড়কটির কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাজারো শ্রমিককে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খানাখন্দে ভরা সড়কটির কারণে অগণিত কৃষক তাদের কৃষিপণ্য গাজীপুর সদরের একমাত্র হাট ‘মির্জাপুরে’ নিতে পারছেন না।

গাজীপুর এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী দফতরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মোশারফ হোসেন জানান, এলজিইডির এই রাস্তাটির ১০ টন লোডবিশিষ্ট গাড়ি বহন করার ক্ষমতা রয়েছে। ওই রাস্তার আশপাশের এলাকায় বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইটের অসংখ্য ভাটা রয়েছে। তাদের প্রায় ৪০ থেকে ৬০ টনের ৬ থেকে ১২ চাকার গাড়ি এ সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। রাস্তাটি প্রশস্ত কম থাকায় একটি গাড়ি অন্য গাড়িকে সাইড দিতে গিয়ে চাকা রাস্তার সফ্ট শোল্ডারে নামিয়ে দিতে হয়। এতে রাস্তার সফ্্ট শোল্ডার নষ্ট হয়ে যায়। পরে রাস্তার মূল পাকা অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এ জন্য অতিরিক্ত ওজনবাহী গাড়ি চলাচলের উপযোগী করে রাস্তা নির্মাণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সেই লক্ষ্যে সড়কটি ১৮ ফুট প্রশস্ত করে নির্মাণের জন্য প্রাক্কলন (ইস্টিমেট) করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বানের কাজও শেষ। সড়কটি নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। শিগগিরই সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর