শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:৫৪

নৌকার হাল ধরে আলোচনায় খুলনা বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা

সেই কাউন্সিলররা টিকিট পেলেন আওয়ামী লীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

নৌকার হাল ধরে আলোচনায় খুলনা বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা

নৌকার হাল ধরে এবার আলোচনায় এসেছেন খুলনা নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক কেসিসির সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি। নৌকার হাল ধরা তাদের একাধিক ছবি ফেসবুকে প্রকাশিত হলে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়। অসংখ্য নেতা-কর্মী ছবিগুলোতে লাইক ও মন্তব্য করেছেন। নেতা-কর্মীরা ফেসবুকে লিখেছেন- ‘শক্ত করে হাল ধরেন। সামনে অনেক বড় তুফান’, ‘গণমানুষের কান্ডারি। গন্তব্য বিজয়ের দারপ্রান্তে’, ‘কতদূর নিয়ে যাবে এ তরণী’, ‘শেষ পর্যন্ত নৌকার হাল!’ ‘বৈচিত্র্য মানুষকে দীর্ঘায়ু করে’, ‘বেঁচে আছি, ভাই! দোয়া করবেন’। এসব মন্তব্যের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে তাদের আক্ষেপ ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন নেতা-কর্মীরা। জানা যায়, খুলনা নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২০০৮ সালে খুলনা-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আর ২০১৩ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তালুকদার আব্দুল খালেককে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন নগর বিএনপির সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। এরপর দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক হামলা-মামলা ও পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে দুজনেই কোণঠাসা হয়ে পড়েন। তবে তাদের ঘিরেই আবারও বিএনপি খুলনার রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াবে বলে ফেসবুকের ওই ছবিতে মন্তব্য করেছেন নেতা-কর্মীরা। নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম ও স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু এই ছবিগুলো পোস্ট করেন। এদিকে বিএনপি থেকে দল বদল করা খুলনা সিটি করপোরেশনের সেই বারোজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মধ্যে অবশেষে ছয় জনকে আওয়ামী লীগের সদস্য টিকিট দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজনকে সদস্য টিকিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলতি বছরের ২৪ মার্চ খুলনা হাদিস পার্কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপিপন্থি ওই বারোজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০১৮ সালে সর্বশেষ কেসিসির নির্বাচনে এসব কাউন্সিলর বিএনপি ও স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এদিকে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুসারে যোগদানের মেয়াদ একবছর না হওয়ায় দলের চলমান সম্মেলনে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া নিয়ে বিপত্তি বাধে। সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর ও দৌলতপুরে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তাদের কাউকেই সদস্য টিকিট দেওয়া হয়নি। তবে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল দলে যোগ দেওয়া চার কাউন্সিলরকে আওয়ামী লীগের সদস্য টিকিট দেন। এর আগে আরও দুই কাউন্সিলরকে সদস্য টিকিট দেওয়া হয়। তারা হলেন- ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাস, ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মো. গাউসুল আজম, ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মাওলা শানু, ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠু ও ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না। নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, হাইকমান্ডের সম্মতিতে তাদের দলে নেওয়া হয়েছিল। এখন হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মন্তব্য