শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪৮

উপনির্বাচনের পর প্রস্তুতি চট্টগ্রাম সিটি ভোট মার্চে

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

উপনির্বাচনের পর প্রস্তুতি চট্টগ্রাম সিটি ভোট মার্চে

ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরে এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়েও চলছে ব্যাপক আলোচনা। আগামী মার্চেই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। এই নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম নির্বাচন কমিশনও নানাবিধ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। চট্টগ্রাম-৮ উপনির্বাচনের জন্যই চসিক নির্বাচনের কর্মকা  গোছাতে একটু ধীরগতি হচ্ছে। এই উপনির্বাচন শেষ হলেই পুরোদমেই চসিক নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন বলে চট্টগ্রাম নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

মার্চেই চসিক নির্বাচন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশন (ইসি) কে এম নূরুল হুদা। এপ্রিল রমজানের মাস, একই মাসে রয়েছে এইচএসসি পরীক্ষাও। মার্চেই ফাঁকা থাকলে সেটি একটি উপযুক্ত সময় হতে পারে। তাছাড়া মার্চে তেমন পরীক্ষা নেই। তবে এই চসিক নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বসেই একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে জেলা-উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে চট্টগ্রাম-৮ উপনির্বাচন, রোহিঙ্গাসহ নানাবিধ বিষয়ে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম-৮ উপনির্বাচন ইভিএমের মাধ্যমেই হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এ বিষয়টি কোনো ধরনের পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই। ইতোপূর্বে ইভিএমের মাধ্যমে যেসব নির্বাচন করা হয়েছে তাতে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। তাছাড়া এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন করলে ভোটাররা সঠিকভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ইভিএম নিয়ে বিএনপির অভিযোগ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা শতভাগ বিশ্বাস করি যে, ইভিএমে এই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করবে এবং প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে। তাছাড়া কোনো ধরনের কোনো আশঙ্কার কারণও নেই।

রোহিঙ্গা বিষয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া কীভাবে বন্ধ করা যায়, বিষয়টি কীভাবে প্রতিহত করা যায়- সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে আমাদের মাঝে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে যে মামলা হয়েছে তার তদন্তও চলছে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই আউটসোর্স স্টাফ। আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও কর্মকর্তারা এ কর্মকান্ডে র সঙ্গে জড়িত ছিল- তার কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এখানে কোথাও কোথাও প্রমাণ পাওয়া গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা রোহিঙ্গা হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তাদের সনদ দিয়েছে। মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন খানসহ দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর