শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:১৬

কাউন্সিলর পদে ‘যোগ্য’ প্রার্থী পাচ্ছে না জাপা

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

কাউন্সিলর পদে ‘যোগ্য’ প্রার্থী পাচ্ছে না জাপা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী করতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে যোগ্য কাউন্সিলর প্রার্থী পাচ্ছে না জাতীয় পার্টি (জাপা)। অভ্যন্তরীণ কোন্দল, অসন্তোষ, নেতাদের কেন্দ্রমুখী আচরণ, কর্মসূচিবিহীন সংগঠনসহ নানাবিধ অভিযোগ তৃণমূলের একাধিক নেতার। সব মিলে এবার চসিক নির্বাচনে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের পুরুষ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে দলের যোগ্য প্রার্থী নিয়ে সংকটে পড়েছেন বলে নেতাদের দাবি। তবে দল থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে নগর জাপার সভাপতি ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা জানা গেছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নগর জাতীয় পার্টিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল লেগেই আছে। নগর কমিটির সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ ও সাবেক সভাপতি মেহজাবিন মোরশেদের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরেই তৃণমূলের নেতারা কোন্দলে জড়িয়ে পড়েন। এখানে জাতীয় পার্টির নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আসার পর কেন্দ্রে চাঙ্গাভাব থাকলেও চট্টগ্রাম নগরীতে রয়েছে চকবাজার-কেন্দ্রিক তৎপরতা। কারণ নগর কমিটির সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠের বাসা-অফিস চকবাজারেই। বাসাই এখন অফিস বানানো হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতাদের। দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে চট্টগ্রাম নগরীর থানা-ওয়ার্ড কমিটিবিহীন জাতীয় পার্টি। চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে কোনো নির্বাচন এলেই শুধু প্রার্থী হতে চান জনৈক নেতা মেয়র, এমপিসহ নানাবিধ পদেই দাঁড়িয়ে যান। তিনি বলেন, কয়েকজন নেতাই দলের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন। এখানে ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ে কোনো ধরনের কমিটি না থাকায় নতুন নেতৃত্ব তৈরি বা নেতা-কর্মী তৈরি হচ্ছে না।

জাতীয় পার্টির নগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ বলেন, নগর জাপার সাংগঠনিক তৎপরতা রয়েছে বিভিন্ন স্থানে। দলের বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করা হচ্ছে। চসিক নির্বাচনে ওয়ার্ডের প্রার্থীও দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায়।

প্রসঙ্গত, এবারের চসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৯ মার্চ। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি)। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ তারিখ ১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৮ মার্চ। এ ছাড়া ৯ মার্চ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর