শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ মার্চ, ২০২০ ২৩:৩২

চমেক হাসপাতাল

এক বছর ধরে নষ্ট ইকো মেশিন খুশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

এক বছর ধরে নষ্ট ইকো মেশিন খুশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অতি জরুরি ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিন ছিল দুটি। দু’টি মেশিন দিয়ে শতাধিক রোগীর পরীক্ষা করার সুযোগ ছিল। কিন্তু  প্রায় এক বছর ধরে একটি মেশিন নষ্ট। ফলে একটি মেশিন দিয়ে হৃদরোগ ও হাসপাতালের অপরাপর বিভাগ থেকে আসা রোগীদের ইকো পরীক্ষা করাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ রোগীরা। অপরদিকে এর সুফল ভোগ করছে আশপাশের বেসরকারি রোগ নির্ণয়কেন্দ্রগুলো। হাসপাতালে ইকো করাতে না পেরে বাধ্য হয়ে রোগীদের বেসরকারি রোগ নির্ণয়কেন্দ্রে যেতে  হচ্ছে। এতে বিশেষ করে গরিব ও অসহায় রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। চমেক হাসপাতালে একটি ইকোকার্ডিওগ্রাফি করাতে ২০০ টাকা খরচ হলেও বেসরকারি রোগ নির্ণয়কেন্দ্রে খরচ হয় ১১০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা।   

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চমেক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে দৈনিক অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন রোগীকে ইকোকার্ডিওগ্রাফি করাতে হয়। এর সঙ্গে  যোগ হচ্ছে হাসপাতালের অন্যান্য ওয়ার্ডের অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন রোগীর ইকোর চাহিদা। কিন্তু মেশিন একটি  হওয়াতে এসব ইকো করানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে একজন রোগীকে তারিখ দেওয়া হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ দিন পর। কিন্তু হৃদরোগ স্পর্শকাতর রোগ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন রোগীরা।   

চমেক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রিজোয়ান রেহান বলেন, ‘দুটি মেশিন থাকার সময়ও ভর্তি রোগীদের ইকো করাতে হিমশিম খেতে হতো। কিন্তু গত প্রায় একবছর ধরে চলছে একটি মেশিন দিয়ে। এ কারণে রোগীদের বাধ্য হয়েই বাইরে থেকে ইকো করাতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা লিখিতভাবে জানিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘এখন একটি মেশিন দিয়ে দৈনিক ৫০ থেকে ৬০ জন রোগীর ইকো করাতে হচ্ছে। অথচ একটি দিয়ে টানা ২০টির বেশি ইকো করলে মেশিনটি গরম হয়ে যায়। ফলে কিছুক্ষণ বন্ধ রাখতে হয়। ইচ্ছা করলেই এটি নিয়মিত চালু রাখা সম্ভব না।’ 

চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম বলেন, ‘ইকো মেশিন সংকটের কথা আমরা ঢাকায় বলেছি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে নতুন ইকো মেশিন চলে আসবে।’ 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর